ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল করা যাবে না। এমপি, ফজলুল হক মিলন জোনাকী শিল্পীগোষ্টি সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন নবনিযুক্ত গাইবান্ধা ডিসিকে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা। সুনামগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সুনামগঞ্জ জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের নেতৃবৃন্দরা রিংকি হত্যা: ন্যায়বিচারের দাবিতে উলিপুরে মানববন্ধন বঙ্গভবনে নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে একসঙ্গে কাজ করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর আহ্বান সাত বছর পর নাটকে ফিরলেন শার্লিন ফারজানা `২৪-এর আন্দোলন ফাইনাল যুদ্ধ নয়, এটা ছিল যুদ্ধের রিহার্সেল’ অস্ট্রেলিয়া সফরের অভিজ্ঞতা সামনে কাজে লাগাতে চান শান্ত

দেশে দুর্ভিক্ষের কোনো আশঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ‘সরকারিভাবে প্রায় ১৭ লাখ মেট্রিক টন চাল মজুত আছে। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে আরও ১০ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করছি। তাই বাংলাদেশে কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই এবং দুর্ভিক্ষ হওয়ার আশঙ্কা নেই।

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার ধামরাইয়ের বাইশাকান্দা ইউনিয়নের খাগাইল এলাকায় অমৃতপাল ভক্তের স্মৃতি স্মরণে ১৭৪তম বাৎসরিক মহোৎসবে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সরকারিভাবে ১০ লাখ মেট্রিক টন চাল আমরা আমদানি করেছি। বেসরকারিভাবেও চাল আমদানি হচ্ছে। বাংলাদেশে কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই এবং দুর্ভিক্ষ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। সরকারিভাবে এখন আমাদের চাল মজুত আছে প্রায় ১৭ লাখ মেট্রিক টন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গ্লোবাল মার্কেট ও ডলারের সঙ্গে সব জিনিসের দাম আপনাকে মেলাতে হবে। আপনি চালের দাম যখন জোর করে কমাতে যাবেন, তখন কৃষককে ৮০০ টাকায় ধান বিক্রি করতে হবে। তাহলে কৃষক তো আবাদ করবে না। আপনাকে এদিকেও লক্ষ রাখতে হবে। আপনি কৃষকের সন্তান। আপনি চিন্তা করেন, কৃষক যদি না বাঁচে, তাহলে কীভাবে হবে? আগে যেখানে ২৫২-৫৫ ডলারে আমরা গম কিনতাম বিদেশ থেকে, এখন সে গম কিনতে হয় প্রায় ৪৭৫ ডলার পার মেট্রিক টন। এদিকেও দেখতে হবে আপনাদের। এ ছাড়া ২ হাজার ৩৭০ ডিলারের মাধ্যমে আমরা ৩০ টাকা কেজি করে চাল দিচ্ছি প্রতিদিন। এটা সরকার ভর্তুকি দেয়। যারা নিম্ন আয়ের মানুষ, তাদের জন্য তো ৩০ টাকা কেজির চাল আছে। কাজেই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। যারা অতিমাত্রায় ভালো সরু চাল খেতে চায়, তাদের ইনকামের অভাব নেই।’

সাধন চন্দ্র আরও বলেন, ‘পাশাপাশি আরেকটা জিনিস চিন্তা করতে হবে, এ দেশটা কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। চালের দাম ২ টাকা বাড়লেই যে এক্কেবারে অস্থির হয়ে যান, এটা আপনাদের চিন্তা করতে হবে, একসময় মানুষ মজুরি পেত ৬০ টাকা। চালের দামও ছিল ৬০ টাকা। ২০০৭ সালে তা-ই ছিল। এক দিন খেটে মানুষ এক কেজি চাল কিনত। এখন এক দিন খাটলে আট কেজি চাল কিনতে পারে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটাও আপনাদের হিসাবে রাখতে হবে।’

এ সময় ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদ, ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবিরসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল করা যাবে না। এমপি, ফজলুল হক মিলন

দেশে দুর্ভিক্ষের কোনো আশঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৮:০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর ২০২২

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ‘সরকারিভাবে প্রায় ১৭ লাখ মেট্রিক টন চাল মজুত আছে। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে আরও ১০ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করছি। তাই বাংলাদেশে কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই এবং দুর্ভিক্ষ হওয়ার আশঙ্কা নেই।

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার ধামরাইয়ের বাইশাকান্দা ইউনিয়নের খাগাইল এলাকায় অমৃতপাল ভক্তের স্মৃতি স্মরণে ১৭৪তম বাৎসরিক মহোৎসবে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সরকারিভাবে ১০ লাখ মেট্রিক টন চাল আমরা আমদানি করেছি। বেসরকারিভাবেও চাল আমদানি হচ্ছে। বাংলাদেশে কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই এবং দুর্ভিক্ষ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। সরকারিভাবে এখন আমাদের চাল মজুত আছে প্রায় ১৭ লাখ মেট্রিক টন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গ্লোবাল মার্কেট ও ডলারের সঙ্গে সব জিনিসের দাম আপনাকে মেলাতে হবে। আপনি চালের দাম যখন জোর করে কমাতে যাবেন, তখন কৃষককে ৮০০ টাকায় ধান বিক্রি করতে হবে। তাহলে কৃষক তো আবাদ করবে না। আপনাকে এদিকেও লক্ষ রাখতে হবে। আপনি কৃষকের সন্তান। আপনি চিন্তা করেন, কৃষক যদি না বাঁচে, তাহলে কীভাবে হবে? আগে যেখানে ২৫২-৫৫ ডলারে আমরা গম কিনতাম বিদেশ থেকে, এখন সে গম কিনতে হয় প্রায় ৪৭৫ ডলার পার মেট্রিক টন। এদিকেও দেখতে হবে আপনাদের। এ ছাড়া ২ হাজার ৩৭০ ডিলারের মাধ্যমে আমরা ৩০ টাকা কেজি করে চাল দিচ্ছি প্রতিদিন। এটা সরকার ভর্তুকি দেয়। যারা নিম্ন আয়ের মানুষ, তাদের জন্য তো ৩০ টাকা কেজির চাল আছে। কাজেই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। যারা অতিমাত্রায় ভালো সরু চাল খেতে চায়, তাদের ইনকামের অভাব নেই।’

সাধন চন্দ্র আরও বলেন, ‘পাশাপাশি আরেকটা জিনিস চিন্তা করতে হবে, এ দেশটা কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। চালের দাম ২ টাকা বাড়লেই যে এক্কেবারে অস্থির হয়ে যান, এটা আপনাদের চিন্তা করতে হবে, একসময় মানুষ মজুরি পেত ৬০ টাকা। চালের দামও ছিল ৬০ টাকা। ২০০৭ সালে তা-ই ছিল। এক দিন খেটে মানুষ এক কেজি চাল কিনত। এখন এক দিন খাটলে আট কেজি চাল কিনতে পারে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটাও আপনাদের হিসাবে রাখতে হবে।’

এ সময় ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদ, ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবিরসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট