ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার (২৯ জুন) স্মারকলিপি পেশ করে সংগঠনটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, স্মারকলিপিতে দাবি করা হয় প্রান্তিক পর্যায়ে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক ও মানসম্পন্ন সেবা পৌঁছানো হলে প্রায় ৬-৭ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আসবে। নতুন করে যে কর বৃদ্ধি করা হয়েছে তাতে সরকার হয়তো তিন হাজার কোটি টাকার মত রাজস্ব পাবে। নতুন সিম ক্রয়ে ট্যাক্স ও কলরেট বাড়লে প্রান্তিক নিম্ন আয়ের লোকজন নতুন সংযোগ কেনা থেকে নিরুৎসাহিত হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সক্রিয় সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি ৬৫ লাখ। স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৭ কোটি ৫০ লাখ। এছাড়া ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারী প্রায় এক কেটি ৭৫ লাখ। এখনও দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ জনগোষ্ঠী আধুনিক টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে রয়েছে। বর্তমানে মোট জিডিপির প্রায় ৬.৫ শতাংশ রাজস্ব এ খাত থেকে আসে। এর ধারাবাহিকতা থাকলে আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে এ খাত থেকে রাজস্ব আসবে প্রায় মোট জিডিপির ১০.৭৫ শতাংশ। গত ৫ বছরে এ খাতে ৫ বার কর বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরপরেও গত বছর ১৫ আগস্ট নতুন করে কলরেট বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমরা মনে করি, অপারেটরদের উপর নতুন করে কর্পোরেট ট্যাক্স বৃদ্ধি না করে বকেয়া ১২ হাজার কোটি টাকা আগে আদায় করা হোক। একই সঙ্গে দেশে উন্নত নেটওয়ার্কিংয়ের আওতায় এনে টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে যারা আছে তাদের নিয়ে আসা হোক।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি

আপডেট টাইম : ০৯:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার (২৯ জুন) স্মারকলিপি পেশ করে সংগঠনটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, স্মারকলিপিতে দাবি করা হয় প্রান্তিক পর্যায়ে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক ও মানসম্পন্ন সেবা পৌঁছানো হলে প্রায় ৬-৭ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আসবে। নতুন করে যে কর বৃদ্ধি করা হয়েছে তাতে সরকার হয়তো তিন হাজার কোটি টাকার মত রাজস্ব পাবে। নতুন সিম ক্রয়ে ট্যাক্স ও কলরেট বাড়লে প্রান্তিক নিম্ন আয়ের লোকজন নতুন সংযোগ কেনা থেকে নিরুৎসাহিত হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সক্রিয় সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি ৬৫ লাখ। স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৭ কোটি ৫০ লাখ। এছাড়া ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারী প্রায় এক কেটি ৭৫ লাখ। এখনও দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ জনগোষ্ঠী আধুনিক টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে রয়েছে। বর্তমানে মোট জিডিপির প্রায় ৬.৫ শতাংশ রাজস্ব এ খাত থেকে আসে। এর ধারাবাহিকতা থাকলে আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে এ খাত থেকে রাজস্ব আসবে প্রায় মোট জিডিপির ১০.৭৫ শতাংশ। গত ৫ বছরে এ খাতে ৫ বার কর বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরপরেও গত বছর ১৫ আগস্ট নতুন করে কলরেট বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমরা মনে করি, অপারেটরদের উপর নতুন করে কর্পোরেট ট্যাক্স বৃদ্ধি না করে বকেয়া ১২ হাজার কোটি টাকা আগে আদায় করা হোক। একই সঙ্গে দেশে উন্নত নেটওয়ার্কিংয়ের আওতায় এনে টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে যারা আছে তাদের নিয়ে আসা হোক।


প্রিন্ট