ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বর্ষায় পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে যে ভুলগুলো করা যাবে না বিনিয়োগকারীর সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে সিএমএসএফ, আসছে নতুন আইন ‘জাতির সাথে কখনো বেইমানি করব না’: রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কর্নেল অলি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ নেত্রকোণায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নসহ হিলির অসমাপ্ত উন্নয়নমুলক কাজগুলো পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে-সমাজকল্যানমন্ত্রী,- ডা. এজেডএম জাহিদ শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী বিদেশ ভ্রমণ প্যাকেজের মূল্য দেওয়া যাবে বাংলাদেশি টাকায় হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমেদ শফীর (রহ.) কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার (২৯ জুন) স্মারকলিপি পেশ করে সংগঠনটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, স্মারকলিপিতে দাবি করা হয় প্রান্তিক পর্যায়ে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক ও মানসম্পন্ন সেবা পৌঁছানো হলে প্রায় ৬-৭ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আসবে। নতুন করে যে কর বৃদ্ধি করা হয়েছে তাতে সরকার হয়তো তিন হাজার কোটি টাকার মত রাজস্ব পাবে। নতুন সিম ক্রয়ে ট্যাক্স ও কলরেট বাড়লে প্রান্তিক নিম্ন আয়ের লোকজন নতুন সংযোগ কেনা থেকে নিরুৎসাহিত হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সক্রিয় সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি ৬৫ লাখ। স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৭ কোটি ৫০ লাখ। এছাড়া ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারী প্রায় এক কেটি ৭৫ লাখ। এখনও দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ জনগোষ্ঠী আধুনিক টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে রয়েছে। বর্তমানে মোট জিডিপির প্রায় ৬.৫ শতাংশ রাজস্ব এ খাত থেকে আসে। এর ধারাবাহিকতা থাকলে আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে এ খাত থেকে রাজস্ব আসবে প্রায় মোট জিডিপির ১০.৭৫ শতাংশ। গত ৫ বছরে এ খাতে ৫ বার কর বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরপরেও গত বছর ১৫ আগস্ট নতুন করে কলরেট বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমরা মনে করি, অপারেটরদের উপর নতুন করে কর্পোরেট ট্যাক্স বৃদ্ধি না করে বকেয়া ১২ হাজার কোটি টাকা আগে আদায় করা হোক। একই সঙ্গে দেশে উন্নত নেটওয়ার্কিংয়ের আওতায় এনে টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে যারা আছে তাদের নিয়ে আসা হোক।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বর্ষায় পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে যে ভুলগুলো করা যাবে না

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি

আপডেট টাইম : ০৯:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার (২৯ জুন) স্মারকলিপি পেশ করে সংগঠনটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, স্মারকলিপিতে দাবি করা হয় প্রান্তিক পর্যায়ে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক ও মানসম্পন্ন সেবা পৌঁছানো হলে প্রায় ৬-৭ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আসবে। নতুন করে যে কর বৃদ্ধি করা হয়েছে তাতে সরকার হয়তো তিন হাজার কোটি টাকার মত রাজস্ব পাবে। নতুন সিম ক্রয়ে ট্যাক্স ও কলরেট বাড়লে প্রান্তিক নিম্ন আয়ের লোকজন নতুন সংযোগ কেনা থেকে নিরুৎসাহিত হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সক্রিয় সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি ৬৫ লাখ। স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৭ কোটি ৫০ লাখ। এছাড়া ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারী প্রায় এক কেটি ৭৫ লাখ। এখনও দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ জনগোষ্ঠী আধুনিক টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে রয়েছে। বর্তমানে মোট জিডিপির প্রায় ৬.৫ শতাংশ রাজস্ব এ খাত থেকে আসে। এর ধারাবাহিকতা থাকলে আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে এ খাত থেকে রাজস্ব আসবে প্রায় মোট জিডিপির ১০.৭৫ শতাংশ। গত ৫ বছরে এ খাতে ৫ বার কর বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরপরেও গত বছর ১৫ আগস্ট নতুন করে কলরেট বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমরা মনে করি, অপারেটরদের উপর নতুন করে কর্পোরেট ট্যাক্স বৃদ্ধি না করে বকেয়া ১২ হাজার কোটি টাকা আগে আদায় করা হোক। একই সঙ্গে দেশে উন্নত নেটওয়ার্কিংয়ের আওতায় এনে টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে যারা আছে তাদের নিয়ে আসা হোক।


প্রিন্ট