ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিমানবন্দরে ৪ কেজি ১৮০ গ্রাম কুশ রেখে পালালেন দুই ভারতীয় নাগরিক স্ত্রীকে আনতে গিয়ে অভিমান, শ্রীপুরে পিকআপ চালকের মৃত্যু কালীগঞ্জে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আ/সামী গ্রে/ফতার বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় কুড়িগ্রামের বিজিবি সদস্য নিহত উলিপুরে কছিম উদ্দিনের ৩৪তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ভাওয়াইয়া ও সংগীতানুষ্ঠান সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ কলকাতার আগুনে নিভে গেল ৭ বাংলাদেশির প্রাণ, বেনাপোলে ফিরল ৫ মরদেহ—স্বজনদের আহাজারিতে ভারী সীমান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া কামনা বরিশালে বিমানবন্দরে এলাকায় ১০ কেজি গাঁজাসহ বাসযাত্রী গ্রে/প্তার ‎ ‎আইনে নিষেধ, বাস্তবে জমজমাট: পিরোজপুরে সরকারি শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার (২৯ জুন) স্মারকলিপি পেশ করে সংগঠনটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, স্মারকলিপিতে দাবি করা হয় প্রান্তিক পর্যায়ে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক ও মানসম্পন্ন সেবা পৌঁছানো হলে প্রায় ৬-৭ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আসবে। নতুন করে যে কর বৃদ্ধি করা হয়েছে তাতে সরকার হয়তো তিন হাজার কোটি টাকার মত রাজস্ব পাবে। নতুন সিম ক্রয়ে ট্যাক্স ও কলরেট বাড়লে প্রান্তিক নিম্ন আয়ের লোকজন নতুন সংযোগ কেনা থেকে নিরুৎসাহিত হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সক্রিয় সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি ৬৫ লাখ। স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৭ কোটি ৫০ লাখ। এছাড়া ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারী প্রায় এক কেটি ৭৫ লাখ। এখনও দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ জনগোষ্ঠী আধুনিক টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে রয়েছে। বর্তমানে মোট জিডিপির প্রায় ৬.৫ শতাংশ রাজস্ব এ খাত থেকে আসে। এর ধারাবাহিকতা থাকলে আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে এ খাত থেকে রাজস্ব আসবে প্রায় মোট জিডিপির ১০.৭৫ শতাংশ। গত ৫ বছরে এ খাতে ৫ বার কর বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরপরেও গত বছর ১৫ আগস্ট নতুন করে কলরেট বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমরা মনে করি, অপারেটরদের উপর নতুন করে কর্পোরেট ট্যাক্স বৃদ্ধি না করে বকেয়া ১২ হাজার কোটি টাকা আগে আদায় করা হোক। একই সঙ্গে দেশে উন্নত নেটওয়ার্কিংয়ের আওতায় এনে টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে যারা আছে তাদের নিয়ে আসা হোক।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিমানবন্দরে ৪ কেজি ১৮০ গ্রাম কুশ রেখে পালালেন দুই ভারতীয় নাগরিক

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি

আপডেট টাইম : ০৯:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার (২৯ জুন) স্মারকলিপি পেশ করে সংগঠনটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, স্মারকলিপিতে দাবি করা হয় প্রান্তিক পর্যায়ে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক ও মানসম্পন্ন সেবা পৌঁছানো হলে প্রায় ৬-৭ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আসবে। নতুন করে যে কর বৃদ্ধি করা হয়েছে তাতে সরকার হয়তো তিন হাজার কোটি টাকার মত রাজস্ব পাবে। নতুন সিম ক্রয়ে ট্যাক্স ও কলরেট বাড়লে প্রান্তিক নিম্ন আয়ের লোকজন নতুন সংযোগ কেনা থেকে নিরুৎসাহিত হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সক্রিয় সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি ৬৫ লাখ। স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৭ কোটি ৫০ লাখ। এছাড়া ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারী প্রায় এক কেটি ৭৫ লাখ। এখনও দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ জনগোষ্ঠী আধুনিক টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে রয়েছে। বর্তমানে মোট জিডিপির প্রায় ৬.৫ শতাংশ রাজস্ব এ খাত থেকে আসে। এর ধারাবাহিকতা থাকলে আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে এ খাত থেকে রাজস্ব আসবে প্রায় মোট জিডিপির ১০.৭৫ শতাংশ। গত ৫ বছরে এ খাতে ৫ বার কর বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরপরেও গত বছর ১৫ আগস্ট নতুন করে কলরেট বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমরা মনে করি, অপারেটরদের উপর নতুন করে কর্পোরেট ট্যাক্স বৃদ্ধি না করে বকেয়া ১২ হাজার কোটি টাকা আগে আদায় করা হোক। একই সঙ্গে দেশে উন্নত নেটওয়ার্কিংয়ের আওতায় এনে টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে যারা আছে তাদের নিয়ে আসা হোক।


প্রিন্ট