ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

গোমস্তাপুর সমবায় অফিসের কম্পিউটার অপারেটর মুস্তাফিজের বিরুদ্ধে অবৈধ কার্যক্রমের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা সমবায় অফিসে কর্মরত কম্পিউটার অপারেটর মো. মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ নানা অবৈধ কার্যক্রমের অভিযোগ উঠেছে।

জেলার নাচোল উপজেলার ডাউনপাড়ার বাসিন্দা মো. অমিত হাসান মিঠুন নামে এক ভুক্তভোগী এই অবৈধ কার্যক্রমের বিষয়ে মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, কম্পিউটার অপারেটর মো. মুস্তাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন যাবত নাচোল উপজেলা সমবায় অফিসে কর্মরত থাকা অবস্থায় অডিট সমবায় রেজিস্ট্রেশন করার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এবং তিনি সমবায়ে চাকরীর সুবাদে সরকারি খাস পুকুর দখল করে তার ভাই ও স্বজনদের দিয়ে পরিচালনা করান। এলাকায় সে নিজে ও তার স্বজনদের দিয়ে ভুয়া রেজিষ্ট্রেশন কৃত সমিতি পরিচালনা করে এবং ভুয়া ডিসিআর তৈরি করে প্রতারণা করেন। এসব নিয়ে কথা বলায় অভিযোগকারী অমিত হাসান মিঠুনকে বিভিন্নভাবে নিয়মিত হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন তিনি।

জানা গেছে, এই কম্পিউটার অপারেটর মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। তার নামে ভুয়া ডিসিআর তৈরির সরকার বাদী মামলা রয়েছে। নাচল উপজেলা ভুমি অফিসের তহশিলদার মো. আ. রাজ্জাক বাদী হয়ে নাচোল থানায় মামলাটি করেন। মামলা নং-১০, তারিখ- ১৭/০৯/২০২৩। এছাড়াও আরও একটি মামলায় পরোয়ানাভুক্ত পালাতক আসামি সে।
প্রসিকিউশন নং-৭১, তারিখ- ২৩/০৭/২৩ ইং। দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে থাকায় অফিসেও অনুপস্থিত রয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে কম্পিউটার অপারেটর মো. মুস্তাফিজুর রহমানের মুঠোফোনে (০১৭৫০-৩৩৩২৭৮) যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

মামলার বিষয়ে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিন্টু রহমান সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা আছে। সেই মামলার তদন্ত চলছে।’

এ বিষয়ে জানতে জেলা সমবায় অফিসার (উপ-পরিচালক)- মো. আকরাম হোসেনকে মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি একটি জুম মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

গোমস্তাপুর সমবায় অফিসের কম্পিউটার অপারেটর মুস্তাফিজের বিরুদ্ধে অবৈধ কার্যক্রমের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০১:২৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা সমবায় অফিসে কর্মরত কম্পিউটার অপারেটর মো. মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ নানা অবৈধ কার্যক্রমের অভিযোগ উঠেছে।

জেলার নাচোল উপজেলার ডাউনপাড়ার বাসিন্দা মো. অমিত হাসান মিঠুন নামে এক ভুক্তভোগী এই অবৈধ কার্যক্রমের বিষয়ে মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, কম্পিউটার অপারেটর মো. মুস্তাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন যাবত নাচোল উপজেলা সমবায় অফিসে কর্মরত থাকা অবস্থায় অডিট সমবায় রেজিস্ট্রেশন করার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এবং তিনি সমবায়ে চাকরীর সুবাদে সরকারি খাস পুকুর দখল করে তার ভাই ও স্বজনদের দিয়ে পরিচালনা করান। এলাকায় সে নিজে ও তার স্বজনদের দিয়ে ভুয়া রেজিষ্ট্রেশন কৃত সমিতি পরিচালনা করে এবং ভুয়া ডিসিআর তৈরি করে প্রতারণা করেন। এসব নিয়ে কথা বলায় অভিযোগকারী অমিত হাসান মিঠুনকে বিভিন্নভাবে নিয়মিত হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন তিনি।

জানা গেছে, এই কম্পিউটার অপারেটর মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। তার নামে ভুয়া ডিসিআর তৈরির সরকার বাদী মামলা রয়েছে। নাচল উপজেলা ভুমি অফিসের তহশিলদার মো. আ. রাজ্জাক বাদী হয়ে নাচোল থানায় মামলাটি করেন। মামলা নং-১০, তারিখ- ১৭/০৯/২০২৩। এছাড়াও আরও একটি মামলায় পরোয়ানাভুক্ত পালাতক আসামি সে।
প্রসিকিউশন নং-৭১, তারিখ- ২৩/০৭/২৩ ইং। দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে থাকায় অফিসেও অনুপস্থিত রয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে কম্পিউটার অপারেটর মো. মুস্তাফিজুর রহমানের মুঠোফোনে (০১৭৫০-৩৩৩২৭৮) যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

মামলার বিষয়ে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিন্টু রহমান সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা আছে। সেই মামলার তদন্ত চলছে।’

এ বিষয়ে জানতে জেলা সমবায় অফিসার (উপ-পরিচালক)- মো. আকরাম হোসেনকে মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি একটি জুম মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।


প্রিন্ট