ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

মিয়ানমারকে উৎসাহ দেবে চীন রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে

অনলাইন ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশটিতে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ। আর বাস্তুহারা এ জনগোষ্ঠীকে প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে উৎসাহ দেবে চীন। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আলোচনার জন্য প্ল্যাটফর্ম দিয়ে সহায়তা করবে দেশটি।

শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত শুক্রবার বেইজিংয়ে চীনের স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেইজিং সফরের মধ্যে সাইড লাইনে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক করেন।

বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাখাইন প্রদেশের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু করতে মিয়ানমারকে উৎসাহিত করবে চীন। বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের মধ্যে ত্রিদেশীয় বৈঠক আয়োজন করবে চীন। যাতে বাস্তু্চ্যুত মানুষগুলোর প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। এ জন্য প্ল্যাটফর্ম দিয়ে সহায়তা করবে চীন।

তিনি আরও বলেন, ২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিংয়ের সফরের সময়ে নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্ব সহযোগিতায় পৌঁছে নিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বেইজিং। চীনের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য একটি নৈশ্যভোজের আয়োজন করেছেন। যেখানে দুই নেতাই নিজেদের চিন্তাভাবনা মুক্তভাবে আদান-প্রদান করেছেন। দুই দেশের মধ্যকার আলোচনাই দুই দেশের মধ্যে বর্তমান বিশ্বাস ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিছবি।

রোহিঙ্গা সংকট এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে বলে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীই ঐক্যমত হোন। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে নিরাপত্তা ও সুরক্ষার নিশ্চয়তা এবং সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে বলে এ সময়ে জোর দেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু

মিয়ানমারকে উৎসাহ দেবে চীন রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে

আপডেট টাইম : ০১:৪৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশটিতে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ। আর বাস্তুহারা এ জনগোষ্ঠীকে প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে উৎসাহ দেবে চীন। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আলোচনার জন্য প্ল্যাটফর্ম দিয়ে সহায়তা করবে দেশটি।

শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত শুক্রবার বেইজিংয়ে চীনের স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেইজিং সফরের মধ্যে সাইড লাইনে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক করেন।

বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাখাইন প্রদেশের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু করতে মিয়ানমারকে উৎসাহিত করবে চীন। বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের মধ্যে ত্রিদেশীয় বৈঠক আয়োজন করবে চীন। যাতে বাস্তু্চ্যুত মানুষগুলোর প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। এ জন্য প্ল্যাটফর্ম দিয়ে সহায়তা করবে চীন।

তিনি আরও বলেন, ২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিংয়ের সফরের সময়ে নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্ব সহযোগিতায় পৌঁছে নিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বেইজিং। চীনের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য একটি নৈশ্যভোজের আয়োজন করেছেন। যেখানে দুই নেতাই নিজেদের চিন্তাভাবনা মুক্তভাবে আদান-প্রদান করেছেন। দুই দেশের মধ্যকার আলোচনাই দুই দেশের মধ্যে বর্তমান বিশ্বাস ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিছবি।

রোহিঙ্গা সংকট এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে বলে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীই ঐক্যমত হোন। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে নিরাপত্তা ও সুরক্ষার নিশ্চয়তা এবং সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে বলে এ সময়ে জোর দেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


প্রিন্ট