ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার কুমিল্লায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৯ ট্রেডে প্রশিক্ষণ শুরু নোয়াখালীতে অনিয়মের অভিযোগে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

মধ্যরাতে দরজা ভেঙে নারীর কক্ষে ঢুকল ৭ পুলিশ, অতঃপর…

মধ্যরাতে দরজা ভেঙে আসামি ধরার নামে মসজিদের একজন ইমামকে লাথি ও এক নারীকে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার এএসআইসহ ৭ পুলিশ সদস্যর বিরুদ্ধে। সেখানে নেতৃত্ব দেন এএসআই আলমগীর হোসেন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের আমুয়াবাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, আমরা তো কোনো অপরাধী না। আমাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলাও ছিল না। অথচ রাত দেড়টার সময় আমরা যখন ঘুমিয়ে ছিলাম ঠিক তখন হঠাৎ পুলিশ এসে বাড়ির গেট ভেঙে বাড়িতে জোরপূর্বক ঢুকে। এতে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। এরপর আইনের লোক পরিচয়ে ঘরের দড়জা খুলতে বলে। খুলতে দেরি হওয়ায় দড়জায় লাথি মেরে ভেঙে ফেলে। ওই রুমে তখন আমি শুধু ছিলাম। আমি নারী হওয়া সত্ত্বেও তারা সাতজন পুলিশ ঢুকেছে। একজনও নারী পুলিশ ছিল না। তারা আমাকে নাজেহাল করেছে। আমি এর বিচার চাই।

এদিকে মসজিদের ইমাম ভুক্তভোগী রাব্বানি বলেন, তখন রাত দেড়টা বাজে। ওই সময় বাড়ির গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা মানে কোনো চোর ডাকাত বা সন্ত্রাসী আসতে পারে এটাই স্বাভাবিক। আসামি না হওয়া সত্ত্বেও তারা এভাবে দরজা ভেঙে বাড়িতে পুলিশ প্রবেশ করেছে এটি কোনোভাবে কাম্য নয়।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে এএসআই আলমগীর হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ঘাটাইল থানার ওসি (তদন্ত) সজল খান বলেন, একই নামের আসামি থাকায় ওই বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ। পরে নাম ভুল হওয়ায় পুলিশ চলে এসেছে। তবে তারা দরজা খুলতে দেরি করায় পুলিশের সঙ্গে কিছুটা ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার

মধ্যরাতে দরজা ভেঙে নারীর কক্ষে ঢুকল ৭ পুলিশ, অতঃপর…

আপডেট টাইম : ০৯:৫৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০২৪

মধ্যরাতে দরজা ভেঙে আসামি ধরার নামে মসজিদের একজন ইমামকে লাথি ও এক নারীকে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার এএসআইসহ ৭ পুলিশ সদস্যর বিরুদ্ধে। সেখানে নেতৃত্ব দেন এএসআই আলমগীর হোসেন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের আমুয়াবাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, আমরা তো কোনো অপরাধী না। আমাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলাও ছিল না। অথচ রাত দেড়টার সময় আমরা যখন ঘুমিয়ে ছিলাম ঠিক তখন হঠাৎ পুলিশ এসে বাড়ির গেট ভেঙে বাড়িতে জোরপূর্বক ঢুকে। এতে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। এরপর আইনের লোক পরিচয়ে ঘরের দড়জা খুলতে বলে। খুলতে দেরি হওয়ায় দড়জায় লাথি মেরে ভেঙে ফেলে। ওই রুমে তখন আমি শুধু ছিলাম। আমি নারী হওয়া সত্ত্বেও তারা সাতজন পুলিশ ঢুকেছে। একজনও নারী পুলিশ ছিল না। তারা আমাকে নাজেহাল করেছে। আমি এর বিচার চাই।

এদিকে মসজিদের ইমাম ভুক্তভোগী রাব্বানি বলেন, তখন রাত দেড়টা বাজে। ওই সময় বাড়ির গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা মানে কোনো চোর ডাকাত বা সন্ত্রাসী আসতে পারে এটাই স্বাভাবিক। আসামি না হওয়া সত্ত্বেও তারা এভাবে দরজা ভেঙে বাড়িতে পুলিশ প্রবেশ করেছে এটি কোনোভাবে কাম্য নয়।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে এএসআই আলমগীর হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ঘাটাইল থানার ওসি (তদন্ত) সজল খান বলেন, একই নামের আসামি থাকায় ওই বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ। পরে নাম ভুল হওয়ায় পুলিশ চলে এসেছে। তবে তারা দরজা খুলতে দেরি করায় পুলিশের সঙ্গে কিছুটা ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে।


প্রিন্ট