ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণ মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) গভীর রাতে মারা যান তিনি।তিনি বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন বলেও প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে। তিনি দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছিলেন।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কর্ণাটকের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণ মধ্যরাতে মারা গেছেন। কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুকে বিশ্বের মানচিত্রে প্রযুক্তির রাজধানী হিসেবে জায়গা করে দেওয়ার জন্য তাকে ব্যাপকভাবে কৃতিত্ব দেওয়া হয়।

এনডিটিভি বলছে, বেঙ্গালুরুকে প্রযুক্তির রাজধানীতে পরিণত করার প্রধান কারিগর এস এম কৃষ্ণ ১৯৩২ সালের ১ মে মান্ডিয়া জেলার সোমানহাল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন। কংগ্রেসের সাথে দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করার পর তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের শেষের দিকে বিজেপিতে যোগ দেন।

মূলত বেঙ্গালুরুকে টেক ক্যাপিটাল বা প্রযুক্তির রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল এস এম কৃষ্ণের।

এদিকে এস এম কৃষ্ণের মৃত্যুর কথা শুনে শোক প্রকাশ করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। তিনি জানিয়েছেন, কংগ্রেস দলে যোগ দেওয়ার শুরুর দিকে তাকে অনেক সাহায্য করেছিলেন এস এম কৃষ্ণ। তিনি লিখেছেন, “কর্নাটক চিরকাল তার কাছে ঋণী থাকবে।”

শোক প্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডুও। তিনি এস এম কৃষ্ণকে একজন সত্যিকারের নেতা হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।

সংবাদমাধ্যম বলছে, ১৯৬২ সালে রাজনীতিতে পা রাখেন এস এম কৃষ্ণ। কংগ্রেস প্রার্থী কে ভি শঙ্কর গৌড়াকে হারিয়ে সেবার কর্নাটকের বিধায়ক হন তিনি। ১৯৬৮ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য হিসেবে পা রাখেন লোকসভায়।

১৯৭১ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। এরপর ১৯৭২ সালে আবারও ফিরে যান কর্নাটকের রাজ্য রাজনীতিতে। ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের গভর্নর ছিলেন তিনি। এরপর ২০০৯ সালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন এস এম কৃষ্ণ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণ

আপডেট টাইম : ০২:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণ মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) গভীর রাতে মারা যান তিনি।তিনি বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন বলেও প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে। তিনি দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছিলেন।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কর্ণাটকের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণ মধ্যরাতে মারা গেছেন। কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুকে বিশ্বের মানচিত্রে প্রযুক্তির রাজধানী হিসেবে জায়গা করে দেওয়ার জন্য তাকে ব্যাপকভাবে কৃতিত্ব দেওয়া হয়।

এনডিটিভি বলছে, বেঙ্গালুরুকে প্রযুক্তির রাজধানীতে পরিণত করার প্রধান কারিগর এস এম কৃষ্ণ ১৯৩২ সালের ১ মে মান্ডিয়া জেলার সোমানহাল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন। কংগ্রেসের সাথে দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করার পর তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের শেষের দিকে বিজেপিতে যোগ দেন।

মূলত বেঙ্গালুরুকে টেক ক্যাপিটাল বা প্রযুক্তির রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল এস এম কৃষ্ণের।

এদিকে এস এম কৃষ্ণের মৃত্যুর কথা শুনে শোক প্রকাশ করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। তিনি জানিয়েছেন, কংগ্রেস দলে যোগ দেওয়ার শুরুর দিকে তাকে অনেক সাহায্য করেছিলেন এস এম কৃষ্ণ। তিনি লিখেছেন, “কর্নাটক চিরকাল তার কাছে ঋণী থাকবে।”

শোক প্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডুও। তিনি এস এম কৃষ্ণকে একজন সত্যিকারের নেতা হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।

সংবাদমাধ্যম বলছে, ১৯৬২ সালে রাজনীতিতে পা রাখেন এস এম কৃষ্ণ। কংগ্রেস প্রার্থী কে ভি শঙ্কর গৌড়াকে হারিয়ে সেবার কর্নাটকের বিধায়ক হন তিনি। ১৯৬৮ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য হিসেবে পা রাখেন লোকসভায়।

১৯৭১ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। এরপর ১৯৭২ সালে আবারও ফিরে যান কর্নাটকের রাজ্য রাজনীতিতে। ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের গভর্নর ছিলেন তিনি। এরপর ২০০৯ সালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন এস এম কৃষ্ণ।


প্রিন্ট