ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

ইউক্রেনের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যেসব দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওভাল অফিসে ভোলদেমির জেলেনস্কির অপদস্থ হওয়ার ঘটনায় যখন বিশ্বজুড়ে তোলপাড়, তখন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপীয় মিত্ররা। জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ড ও পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছে জেলেনস্কির প্রতি। শুধু ইউরোপ নয়, ইউক্রেনের সাথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা-অস্ট্রেলিয়াও।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস জানান, এটা স্পষ্ট হয়েছে যে মুক্ত বিশ্বের একজন নতুন নেতা প্রয়োজন।

সামাজিক যোগাযোগমমাধ্যম এক্সে কালাস লিখেছেন, ইউক্রেন মানেই ইউরোপ! আমরা ইউক্রেনের পাশেই আছি। এ ছাড়া জার্মান চ্যান্সেলার ওলাফ শোলজ এক্সে বলেন, ইউক্রেন জার্মানি এবং ইউরোপের ওপর ভরসা রাখতে পারে।

অপরদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, ইউক্রেন, স্পেন তোমার পাশেই আছে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডনাল্ড টাস্ক এক্স’এ বলেন, প্রিয় জেলেনস্কি, প্রিয় ইউক্রেনীয় বন্ধুরা, তোমরা একা নও।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ পর্তুগালে সংবাদদাতাদের বলেন, রাশিয়া এখানে আগ্রাসীর ভূমিকায়, আর তাদের সেই আগ্রাসনের শিকার ইউক্রেনের মানুষ। এ ছাড়া ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, চেক প্রজাতন্ত্র ও নরওয়েসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশের নেতারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

গত শুক্রবার ট্রাম্প ও জেলেন্সকির এই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে এমন একটি চুক্তি সই করা, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের ‘বিরল’ খনিজ সম্পদ উত্তোলনের সুবিধা পাবে। এই বৈঠকের প্রায় ৪০ মিনিটের সময়ে এই আলোচনার সুর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে যখন জেলেন্সকি ২০১৪ সালে রাশিয়ার ক্রিমিয়া আগ্রাসন চালানোর ঘটনাটি উল্লেখ করেন।

তাৎক্ষনিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জেলেন্সকির সমালোচনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ আনেন। ভ্যান্স ও ট্রাম্প উভয়ই ইউক্রেনের নেতাকে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে তার দেশের পাওয়া সুবিধার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করার জন্য অভিযুক্ত করেন।

আকস্মিকভাবে ওই বৈঠক শেষ হয়ে যাওয়ার পর হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করে, খনিজ সম্পদের চুক্তি সই হয়নি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ইউক্রেনের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যেসব দেশ

আপডেট টাইম : ০৩:১৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওভাল অফিসে ভোলদেমির জেলেনস্কির অপদস্থ হওয়ার ঘটনায় যখন বিশ্বজুড়ে তোলপাড়, তখন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপীয় মিত্ররা। জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ড ও পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছে জেলেনস্কির প্রতি। শুধু ইউরোপ নয়, ইউক্রেনের সাথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা-অস্ট্রেলিয়াও।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস জানান, এটা স্পষ্ট হয়েছে যে মুক্ত বিশ্বের একজন নতুন নেতা প্রয়োজন।

সামাজিক যোগাযোগমমাধ্যম এক্সে কালাস লিখেছেন, ইউক্রেন মানেই ইউরোপ! আমরা ইউক্রেনের পাশেই আছি। এ ছাড়া জার্মান চ্যান্সেলার ওলাফ শোলজ এক্সে বলেন, ইউক্রেন জার্মানি এবং ইউরোপের ওপর ভরসা রাখতে পারে।

অপরদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, ইউক্রেন, স্পেন তোমার পাশেই আছে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডনাল্ড টাস্ক এক্স’এ বলেন, প্রিয় জেলেনস্কি, প্রিয় ইউক্রেনীয় বন্ধুরা, তোমরা একা নও।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ পর্তুগালে সংবাদদাতাদের বলেন, রাশিয়া এখানে আগ্রাসীর ভূমিকায়, আর তাদের সেই আগ্রাসনের শিকার ইউক্রেনের মানুষ। এ ছাড়া ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, চেক প্রজাতন্ত্র ও নরওয়েসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশের নেতারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

গত শুক্রবার ট্রাম্প ও জেলেন্সকির এই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে এমন একটি চুক্তি সই করা, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের ‘বিরল’ খনিজ সম্পদ উত্তোলনের সুবিধা পাবে। এই বৈঠকের প্রায় ৪০ মিনিটের সময়ে এই আলোচনার সুর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে যখন জেলেন্সকি ২০১৪ সালে রাশিয়ার ক্রিমিয়া আগ্রাসন চালানোর ঘটনাটি উল্লেখ করেন।

তাৎক্ষনিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জেলেন্সকির সমালোচনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ আনেন। ভ্যান্স ও ট্রাম্প উভয়ই ইউক্রেনের নেতাকে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে তার দেশের পাওয়া সুবিধার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করার জন্য অভিযুক্ত করেন।

আকস্মিকভাবে ওই বৈঠক শেষ হয়ে যাওয়ার পর হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করে, খনিজ সম্পদের চুক্তি সই হয়নি।


প্রিন্ট