ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

অবশেষে সীমান্তে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ভারত-পাকিস্তানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশই নিয়ন্ত্রণ রেখা বা এলওসি থেকে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৩০ মে’র মধ্যে সেনা প্রত্যাহারে মাধ্যমে যুদ্ধকালীন অবস্থা থেকে আগের অবস্থানে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

আজ মঙ্গলবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

জিও নিউজকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ৩০ মে’র মধ্যে সেনাবাহিনীকে শান্তিকালীন অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় উভয় দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন।

চলতি মাসের শুরুতে সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকে যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, সেনা প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তকে তার দ্বিতীয় ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একে ‘বিশ্বাসভিত্তিক পদক্ষেপের ধারাবাহিকতা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘সেনা মোতায়েন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি যুদ্ধবিরতি কাঠামোর দ্বিতীয় ধাপের অংশ। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ছিল।’

চলতি মাসের শুরুতে দেশ দুটির মধ্যে চরম সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার পর এই পদক্ষেপকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে অভিযোগ ওঠে, ভারতের কিছু আগ্রাসী পদক্ষেপ সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এর জের ধরেই উভয় পক্ষই সীমান্তে যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি নেয়। তবে সাম্প্রতিক পদক্ষেপে উভয় দেশ যে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজছে—সেই বার্তাই স্পষ্ট হচ্ছে।

এখনও পর্যন্ত দুই দেশের পক্ষ থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে ডিজিএমও পর্যায়ে সরাসরি সমন্বয় একটি বিরল ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের সমঝোতা দীর্ঘমেয়াদে দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

অবশেষে সীমান্তে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ভারত-পাকিস্তানের

আপডেট টাইম : ০৩:৩৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশই নিয়ন্ত্রণ রেখা বা এলওসি থেকে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৩০ মে’র মধ্যে সেনা প্রত্যাহারে মাধ্যমে যুদ্ধকালীন অবস্থা থেকে আগের অবস্থানে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

আজ মঙ্গলবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

জিও নিউজকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ৩০ মে’র মধ্যে সেনাবাহিনীকে শান্তিকালীন অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় উভয় দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন।

চলতি মাসের শুরুতে সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকে যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, সেনা প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তকে তার দ্বিতীয় ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একে ‘বিশ্বাসভিত্তিক পদক্ষেপের ধারাবাহিকতা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘সেনা মোতায়েন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি যুদ্ধবিরতি কাঠামোর দ্বিতীয় ধাপের অংশ। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ছিল।’

চলতি মাসের শুরুতে দেশ দুটির মধ্যে চরম সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার পর এই পদক্ষেপকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে অভিযোগ ওঠে, ভারতের কিছু আগ্রাসী পদক্ষেপ সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এর জের ধরেই উভয় পক্ষই সীমান্তে যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি নেয়। তবে সাম্প্রতিক পদক্ষেপে উভয় দেশ যে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজছে—সেই বার্তাই স্পষ্ট হচ্ছে।

এখনও পর্যন্ত দুই দেশের পক্ষ থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে ডিজিএমও পর্যায়ে সরাসরি সমন্বয় একটি বিরল ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের সমঝোতা দীর্ঘমেয়াদে দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


প্রিন্ট