ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার সার পাচার রোধে উদাসীনতার অভিযোগ: ২০ বছরের অধিক সময় একই রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা তাহিরপুরে মামলার বাদির লোকজন কর্তৃক আসামীদের বাড়িঘর  ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা রোকাইয়া আক্তার রিংকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য

নারী সাংসদকে অশোভন মন্তব্য করে বোনের মতো বললেন আজম খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: বিজেপি সংসদ সদস্য রমা দেবীর উদ্দেশে সমাজবাদী পার্টির সংসদ সদস্য আজম খান বলেন, ‘আপনাকে এতো ভালো লাগে যে আপনার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে ইচ্ছে করে।’ এর পরই বিজেপির এমপিরা আজম খানের ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে হট্টগোল শুরু করে। বৃহস্পতিবার লোকসভায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, লোকসভায় তখন চলছিল তিন তালাক বিল নিয়ে আলোচনা। স্পিকারের চেয়ারে ছিলেন বিজেপির বর্ষীয়ান সংসদ সদস্য রমা দেবী। বক্তব্যের মাঝেই আজম খান বলেন, ‘আপ মুঝে ইতনি আচ্ছি লাগতি হ্যায় কি মন করতা হ্যায় কি আপ কি আঁখো মে আঁখে ডালে রাহুঁ।’ প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিবাদ করে রমা দেবী বলেন, এটা সংসদের কথা বলার ভাষা নয়। বক্তব্যের ওই অংশ বাদ দেয়ার কথাও বলেন রমা দেবী।

তখন আজম খান বলেন, ‘আপনি আমার বোনের মতো।’ কিন্তু ততক্ষণে বিজেপির মন্ত্রী-এমপিরা তুমুল হট্টগোল শুরু করেন। আজম খানকে ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভও করেন তারা।

এর মধ্যে আজম খানের হয়ে কথা বলেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না আজম খান চেয়ারকে অসম্মান করেছেন। এ লোকগুলো (বিজেপির এমপিরা) খুব অসভ্য। আজম খানের বিরুদ্ধে আঙুল তোলার ওরা কে?’ তার এ বক্তব্যে আরও উত্তাল হয়ে ওঠে লোকসভা অধিবেশন।

এর মধ্যেই চেয়ারে ফিরে আসেন স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি আজম খানকে ভর্ৎসনা করেন। অন্যদিকে আজমের ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে তখনও সরব বিজেপির এমপিরা। কিন্তু ক্ষমা চাইতে রাজি হননি আজম। উল্টে তিনি বলেন, তার বক্তব্যের কোনো অংশ অসংসদীয় বলে মনে হলে তিনি সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতেও রাজি। এর পর অখিলেশ এবং আজম খান বেরিয়ে যান।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, সংসদে একজন মহিলার এমপির উদ্দেশে এ ধরনের মন্তব্য কিভাবে করতে পারেন সংসদ সদস্য।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই মনে করেন, এটা শুধু অসংসদীয় ভাষাই নয়, স্পিকারের চেয়ারেরও অসম্মান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার

নারী সাংসদকে অশোভন মন্তব্য করে বোনের মতো বললেন আজম খান

আপডেট টাইম : ০৫:১৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: বিজেপি সংসদ সদস্য রমা দেবীর উদ্দেশে সমাজবাদী পার্টির সংসদ সদস্য আজম খান বলেন, ‘আপনাকে এতো ভালো লাগে যে আপনার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে ইচ্ছে করে।’ এর পরই বিজেপির এমপিরা আজম খানের ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে হট্টগোল শুরু করে। বৃহস্পতিবার লোকসভায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, লোকসভায় তখন চলছিল তিন তালাক বিল নিয়ে আলোচনা। স্পিকারের চেয়ারে ছিলেন বিজেপির বর্ষীয়ান সংসদ সদস্য রমা দেবী। বক্তব্যের মাঝেই আজম খান বলেন, ‘আপ মুঝে ইতনি আচ্ছি লাগতি হ্যায় কি মন করতা হ্যায় কি আপ কি আঁখো মে আঁখে ডালে রাহুঁ।’ প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিবাদ করে রমা দেবী বলেন, এটা সংসদের কথা বলার ভাষা নয়। বক্তব্যের ওই অংশ বাদ দেয়ার কথাও বলেন রমা দেবী।

তখন আজম খান বলেন, ‘আপনি আমার বোনের মতো।’ কিন্তু ততক্ষণে বিজেপির মন্ত্রী-এমপিরা তুমুল হট্টগোল শুরু করেন। আজম খানকে ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভও করেন তারা।

এর মধ্যে আজম খানের হয়ে কথা বলেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না আজম খান চেয়ারকে অসম্মান করেছেন। এ লোকগুলো (বিজেপির এমপিরা) খুব অসভ্য। আজম খানের বিরুদ্ধে আঙুল তোলার ওরা কে?’ তার এ বক্তব্যে আরও উত্তাল হয়ে ওঠে লোকসভা অধিবেশন।

এর মধ্যেই চেয়ারে ফিরে আসেন স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি আজম খানকে ভর্ৎসনা করেন। অন্যদিকে আজমের ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে তখনও সরব বিজেপির এমপিরা। কিন্তু ক্ষমা চাইতে রাজি হননি আজম। উল্টে তিনি বলেন, তার বক্তব্যের কোনো অংশ অসংসদীয় বলে মনে হলে তিনি সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতেও রাজি। এর পর অখিলেশ এবং আজম খান বেরিয়ে যান।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, সংসদে একজন মহিলার এমপির উদ্দেশে এ ধরনের মন্তব্য কিভাবে করতে পারেন সংসদ সদস্য।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই মনে করেন, এটা শুধু অসংসদীয় ভাষাই নয়, স্পিকারের চেয়ারেরও অসম্মান।


প্রিন্ট