ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংস্কৃতির বিকাশেই গড়ে উঠবে মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম : ত্রাণমন্ত্রী জুমার নামাজ শেষে দোয়া-মোনাজাত মাধ্যমে পিরোজপুরে আল্লামা সাঈদীর তৃতীয় শাহাদাত বার্ষিকী পালিত সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে কাভারভ্যানসহ ২২ লাখ টাকার অবৈধ তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানিক প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া বিয়ে করে তালাকদিয়ে বিয়ে না করে সংসার করছে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ বেড, কাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে ৩৫ টি পোশাক কারখানা বন্ধ উৎপাদনে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা খেলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

নারী সাংসদকে অশোভন মন্তব্য করে বোনের মতো বললেন আজম খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: বিজেপি সংসদ সদস্য রমা দেবীর উদ্দেশে সমাজবাদী পার্টির সংসদ সদস্য আজম খান বলেন, ‘আপনাকে এতো ভালো লাগে যে আপনার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে ইচ্ছে করে।’ এর পরই বিজেপির এমপিরা আজম খানের ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে হট্টগোল শুরু করে। বৃহস্পতিবার লোকসভায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, লোকসভায় তখন চলছিল তিন তালাক বিল নিয়ে আলোচনা। স্পিকারের চেয়ারে ছিলেন বিজেপির বর্ষীয়ান সংসদ সদস্য রমা দেবী। বক্তব্যের মাঝেই আজম খান বলেন, ‘আপ মুঝে ইতনি আচ্ছি লাগতি হ্যায় কি মন করতা হ্যায় কি আপ কি আঁখো মে আঁখে ডালে রাহুঁ।’ প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিবাদ করে রমা দেবী বলেন, এটা সংসদের কথা বলার ভাষা নয়। বক্তব্যের ওই অংশ বাদ দেয়ার কথাও বলেন রমা দেবী।

তখন আজম খান বলেন, ‘আপনি আমার বোনের মতো।’ কিন্তু ততক্ষণে বিজেপির মন্ত্রী-এমপিরা তুমুল হট্টগোল শুরু করেন। আজম খানকে ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভও করেন তারা।

এর মধ্যে আজম খানের হয়ে কথা বলেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না আজম খান চেয়ারকে অসম্মান করেছেন। এ লোকগুলো (বিজেপির এমপিরা) খুব অসভ্য। আজম খানের বিরুদ্ধে আঙুল তোলার ওরা কে?’ তার এ বক্তব্যে আরও উত্তাল হয়ে ওঠে লোকসভা অধিবেশন।

এর মধ্যেই চেয়ারে ফিরে আসেন স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি আজম খানকে ভর্ৎসনা করেন। অন্যদিকে আজমের ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে তখনও সরব বিজেপির এমপিরা। কিন্তু ক্ষমা চাইতে রাজি হননি আজম। উল্টে তিনি বলেন, তার বক্তব্যের কোনো অংশ অসংসদীয় বলে মনে হলে তিনি সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতেও রাজি। এর পর অখিলেশ এবং আজম খান বেরিয়ে যান।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, সংসদে একজন মহিলার এমপির উদ্দেশে এ ধরনের মন্তব্য কিভাবে করতে পারেন সংসদ সদস্য।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই মনে করেন, এটা শুধু অসংসদীয় ভাষাই নয়, স্পিকারের চেয়ারেরও অসম্মান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কৃতির বিকাশেই গড়ে উঠবে মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম : ত্রাণমন্ত্রী

নারী সাংসদকে অশোভন মন্তব্য করে বোনের মতো বললেন আজম খান

আপডেট টাইম : ০৫:১৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: বিজেপি সংসদ সদস্য রমা দেবীর উদ্দেশে সমাজবাদী পার্টির সংসদ সদস্য আজম খান বলেন, ‘আপনাকে এতো ভালো লাগে যে আপনার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে ইচ্ছে করে।’ এর পরই বিজেপির এমপিরা আজম খানের ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে হট্টগোল শুরু করে। বৃহস্পতিবার লোকসভায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, লোকসভায় তখন চলছিল তিন তালাক বিল নিয়ে আলোচনা। স্পিকারের চেয়ারে ছিলেন বিজেপির বর্ষীয়ান সংসদ সদস্য রমা দেবী। বক্তব্যের মাঝেই আজম খান বলেন, ‘আপ মুঝে ইতনি আচ্ছি লাগতি হ্যায় কি মন করতা হ্যায় কি আপ কি আঁখো মে আঁখে ডালে রাহুঁ।’ প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিবাদ করে রমা দেবী বলেন, এটা সংসদের কথা বলার ভাষা নয়। বক্তব্যের ওই অংশ বাদ দেয়ার কথাও বলেন রমা দেবী।

তখন আজম খান বলেন, ‘আপনি আমার বোনের মতো।’ কিন্তু ততক্ষণে বিজেপির মন্ত্রী-এমপিরা তুমুল হট্টগোল শুরু করেন। আজম খানকে ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভও করেন তারা।

এর মধ্যে আজম খানের হয়ে কথা বলেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না আজম খান চেয়ারকে অসম্মান করেছেন। এ লোকগুলো (বিজেপির এমপিরা) খুব অসভ্য। আজম খানের বিরুদ্ধে আঙুল তোলার ওরা কে?’ তার এ বক্তব্যে আরও উত্তাল হয়ে ওঠে লোকসভা অধিবেশন।

এর মধ্যেই চেয়ারে ফিরে আসেন স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি আজম খানকে ভর্ৎসনা করেন। অন্যদিকে আজমের ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে তখনও সরব বিজেপির এমপিরা। কিন্তু ক্ষমা চাইতে রাজি হননি আজম। উল্টে তিনি বলেন, তার বক্তব্যের কোনো অংশ অসংসদীয় বলে মনে হলে তিনি সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতেও রাজি। এর পর অখিলেশ এবং আজম খান বেরিয়ে যান।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, সংসদে একজন মহিলার এমপির উদ্দেশে এ ধরনের মন্তব্য কিভাবে করতে পারেন সংসদ সদস্য।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই মনে করেন, এটা শুধু অসংসদীয় ভাষাই নয়, স্পিকারের চেয়ারেরও অসম্মান।


প্রিন্ট