ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

শারদীয় দূর্গাপূজা পরিদর্শনে এম এ মালিক

নিজস্ব প্রতিবেদক :

“গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু মুসলমান” বাংলাদেশের সুপরিচিত একটি গানের ছন্দ যা এদেশের মানুষের মনে ধর্ম কর্ম নির্বিশেষে বিরাজ করে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজনের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এম এ মালিকের সম্ভাব্য নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন পূজামন্ডপ সস্ত্রীক পরিদর্শন করেন।

বৃহঃপতিবার (০২ অক্টোবর) রাত ১.৩০টা পর্যন্ত তার নিজ থানা দক্ষিণ সুরমার জৈনপুর এলাকার মহালক্ষ্মী গ্রীবাপীঠ পূজামন্ডুপ সহ তার নির্বাচনী এলাকা সিলেট-০৩ এর বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এম এ মালিককে মহালক্ষ্মী গ্রীবাপীঠে দুইমাস আগেই দাওয়াত দেওয়া হয়েছিলো বলেই এত রাতেও আমরা এসেছি ও এখনও বাসা যাওয়া হয়নি। এয়ারপোর্টে নেমে সস্ত্রীক বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়েছে।

মহালক্ষ্মী গ্রীবাপীঠে দায়িত্বপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের নেতা তারেক রহমান আপনাদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এম এ মালিক বলেন, বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের একটি কনসেপ্ট দিয়ে গেছেন “আমরা জাতীয়তাবাদী যেখানে আমরা মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধসহ আরও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী সহ বাস করব, রাজনীতি করব, উৎসব পালন করব।” আমিও এটাই মেনে চলি।

এম এ মালিক বলেন ছোট বেলা থেকেই পূজার সময় বন্ধুরা সহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে আনন্দ ভাগাভাগি করতেন। আমাদের এ দেশ সম্প্রীতির দেশ।

এসময় তিনি সিলেট ৩ সংসদীয় আসন থেকে দল মননোয়ন দিলে নির্বাচন করার আশাব্যক্ত করে সবার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি উল্লেখ করেন দল যদি তাকে মনোনয়ন নাও দেয় তবু তিনি এই অঞ্চলের সকলের পাশে আছেন ও থাকবেন।

এ সময় মহালক্ষ্মী গ্রীবাপীঠের সাধারণ সম্পাদক ও স্টিয়ারিং কমিটির সমন্বয়ক জনার্দন চক্রবর্তী বলেন, ১৯৯১ সালেও যখন তিনি এম এ মালিককে ক্রিকেট খেলায় প্রধান অতিথি করেছিলেন তখনও তিনি অর্থনৈতিক ভাবে ৫,০০০ টাকা দিয়েছেলেন তা এখনকার ৫ লক্ষ টাকার সমান বলে মন্তব্য করে আরও বিভিন্ন অবদানের কথার স্মৃতিচারণ করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

শারদীয় দূর্গাপূজা পরিদর্শনে এম এ মালিক

আপডেট টাইম : ০৩:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :

“গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু মুসলমান” বাংলাদেশের সুপরিচিত একটি গানের ছন্দ যা এদেশের মানুষের মনে ধর্ম কর্ম নির্বিশেষে বিরাজ করে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজনের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এম এ মালিকের সম্ভাব্য নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন পূজামন্ডপ সস্ত্রীক পরিদর্শন করেন।

বৃহঃপতিবার (০২ অক্টোবর) রাত ১.৩০টা পর্যন্ত তার নিজ থানা দক্ষিণ সুরমার জৈনপুর এলাকার মহালক্ষ্মী গ্রীবাপীঠ পূজামন্ডুপ সহ তার নির্বাচনী এলাকা সিলেট-০৩ এর বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এম এ মালিককে মহালক্ষ্মী গ্রীবাপীঠে দুইমাস আগেই দাওয়াত দেওয়া হয়েছিলো বলেই এত রাতেও আমরা এসেছি ও এখনও বাসা যাওয়া হয়নি। এয়ারপোর্টে নেমে সস্ত্রীক বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়েছে।

মহালক্ষ্মী গ্রীবাপীঠে দায়িত্বপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের নেতা তারেক রহমান আপনাদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এম এ মালিক বলেন, বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের একটি কনসেপ্ট দিয়ে গেছেন “আমরা জাতীয়তাবাদী যেখানে আমরা মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধসহ আরও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী সহ বাস করব, রাজনীতি করব, উৎসব পালন করব।” আমিও এটাই মেনে চলি।

এম এ মালিক বলেন ছোট বেলা থেকেই পূজার সময় বন্ধুরা সহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে আনন্দ ভাগাভাগি করতেন। আমাদের এ দেশ সম্প্রীতির দেশ।

এসময় তিনি সিলেট ৩ সংসদীয় আসন থেকে দল মননোয়ন দিলে নির্বাচন করার আশাব্যক্ত করে সবার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি উল্লেখ করেন দল যদি তাকে মনোনয়ন নাও দেয় তবু তিনি এই অঞ্চলের সকলের পাশে আছেন ও থাকবেন।

এ সময় মহালক্ষ্মী গ্রীবাপীঠের সাধারণ সম্পাদক ও স্টিয়ারিং কমিটির সমন্বয়ক জনার্দন চক্রবর্তী বলেন, ১৯৯১ সালেও যখন তিনি এম এ মালিককে ক্রিকেট খেলায় প্রধান অতিথি করেছিলেন তখনও তিনি অর্থনৈতিক ভাবে ৫,০০০ টাকা দিয়েছেলেন তা এখনকার ৫ লক্ষ টাকার সমান বলে মন্তব্য করে আরও বিভিন্ন অবদানের কথার স্মৃতিচারণ করেন।


প্রিন্ট