ঢাকা ০২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

ভারতে চিকিৎসা করাতে এসে মারা গেলেন কেনিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে চিকিৎসা করাতে এসে হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন কেনিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা রাইলা ওদিঙ্গা। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮০ বছর। আফ্রিকার রাজনীতিতে তাকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন তিনি।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) ভারতের কেরালা রাজ্যের দেভামাতা হাসপাতাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, তিনি ভারতের কেরালার কোচি শহরের দেবমাথা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। বুধবার সকালে হাঁটার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কেরালার এরনাকুলাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃষ্ণন এম বলেন, সকালে হাঁটার সময় তিনি হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে ছিলেন তার বোন, মেয়ে, ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ভারতীয় এবং কেনিয়ার নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। কাছাকাছি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি।

ওডিঙ্গার কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তাও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাইলা ওডিঙ্গা ২০০৮-২০১৩ মেয়াদে কেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাঁচবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তবে কখনও বিজয়ী হতে পারেননি।

১৯৪৫ সালের ৭ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া রাইলা ছিলেন স্বাধীন কেনিয়ার প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতির পুত্র।

তিনি লুয়ো উপজাতির প্রতিনিধি হিসেবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সামরিক শাসনের বিরোধিতা এবং নাগরিক অধিকারের পক্ষে দীর্ঘদিন লড়াই চালিয়ে গেছেন। এজন্য তাকে বিদেশে নির্বাসন, এমনকি আট বছর জেলজীবন কাটাতে হয়েছে।

তার মৃত্যুতে কেনিয়ার রাজনীতিতে, বিশেষ করে বিরোধীদলের নেতৃত্বে, একটি বড় শূন্যতা তৈরি হলো।

২০২৭ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে এই মৃত্যু দেশটির রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ভারতে চিকিৎসা করাতে এসে মারা গেলেন কেনিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৬:২৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে চিকিৎসা করাতে এসে হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন কেনিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা রাইলা ওদিঙ্গা। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮০ বছর। আফ্রিকার রাজনীতিতে তাকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন তিনি।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) ভারতের কেরালা রাজ্যের দেভামাতা হাসপাতাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, তিনি ভারতের কেরালার কোচি শহরের দেবমাথা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। বুধবার সকালে হাঁটার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কেরালার এরনাকুলাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃষ্ণন এম বলেন, সকালে হাঁটার সময় তিনি হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে ছিলেন তার বোন, মেয়ে, ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ভারতীয় এবং কেনিয়ার নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। কাছাকাছি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি।

ওডিঙ্গার কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তাও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাইলা ওডিঙ্গা ২০০৮-২০১৩ মেয়াদে কেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাঁচবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তবে কখনও বিজয়ী হতে পারেননি।

১৯৪৫ সালের ৭ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া রাইলা ছিলেন স্বাধীন কেনিয়ার প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতির পুত্র।

তিনি লুয়ো উপজাতির প্রতিনিধি হিসেবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সামরিক শাসনের বিরোধিতা এবং নাগরিক অধিকারের পক্ষে দীর্ঘদিন লড়াই চালিয়ে গেছেন। এজন্য তাকে বিদেশে নির্বাসন, এমনকি আট বছর জেলজীবন কাটাতে হয়েছে।

তার মৃত্যুতে কেনিয়ার রাজনীতিতে, বিশেষ করে বিরোধীদলের নেতৃত্বে, একটি বড় শূন্যতা তৈরি হলো।

২০২৭ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে এই মৃত্যু দেশটির রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।


প্রিন্ট