ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার কুমিল্লায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৯ ট্রেডে প্রশিক্ষণ শুরু নোয়াখালীতে অনিয়মের অভিযোগে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

হাফসা আক্তার :- গত ১৫/১০/২৫খ্রিঃ বিকাল আনুঃ ০৪.৩০ ঘটিকার সময় মোছাঃ মমতাজ বেগম (৩৯)মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায় ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। দুই দিন যাবত চিকিৎসা শেষে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ১৬ অক্টোবর রাতে তাকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা করেন।

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর স্বামীর নাম মৃত জালাল উদ্দিন সাং-নেছেড়া থানা-তারাকান্দা জেলা-ময়মনসিংহ।
থানা পুলিশ জানায়, অজ্ঞাত মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন ইসিবি চত্বরে ভবঘুরে অবস্থায় ঘোরাফেরা করা কালে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করে। ঔ নারী তার সঠিক নাম ঠিকানা বলতে না পারলে টহলরত অফিসার এসআই সেলিম শাহ,নারী এস আই শারমিন সুলতানা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে চিকিৎসার জন্য কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান করা হয় । কর্তব্যরত ডাক্তার তাৎক্ষণিকভাবে ব্লাড প্রেসার আরবিএস এবং ইসিজি টেস্ট করান। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ডাকে থানায় নিয়ে আসা হয় । তার পর্যাপ্ত খাওয়া ও পরনের কাপড়ের ব্যবস্থা করা হয়। পুলিশ সদস্যরা জানান চিকিৎসা সেবা পেয়ে সে
আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠে এবং তার বাবার নাম ও ভাইদের নাম বলতে পারে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, তার গ্রামের বাড়ি তারাকান্দা। নারী অফিসারদের মাধ্যমে অনেক চেষ্টায় তার নাম ও পরিবারের ঠিকানা বের করা হয়,তার পর্যাপ্ত সেবা ও কাউন্সিলিং করা হয়। অদ্য ১৬/১০/২৫ তারিখ তার আপন বড় ভাই মোঃ এনামুল হক এর নিজ জিম্মায় প্রদান করা হয়।

পুলিশের মন্তব্যঃ* প্রাথমিক ভাবে জানা যায় উক্ত মহিলা দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তাহার দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পরিবার থেকে এক বছরের ঊর্ধ্বে বিচ্ছিন্ন হয়ে ঢাকা শহরে বিভিন্ন এলাকায় ভারসাম্যহীনভাবে ঘুরতেছিল। তার পরিবার অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে খুঁজে পায় নি। তার পরিবার ও সন্তানরা তাকে পেয়ে অনেক খুশি।পাশাপাশি পুলিশের এই মহতী কাজের প্রশংসা করেন তারা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

আপডেট টাইম : ১২:৪৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

হাফসা আক্তার :- গত ১৫/১০/২৫খ্রিঃ বিকাল আনুঃ ০৪.৩০ ঘটিকার সময় মোছাঃ মমতাজ বেগম (৩৯)মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায় ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। দুই দিন যাবত চিকিৎসা শেষে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ১৬ অক্টোবর রাতে তাকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা করেন।

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর স্বামীর নাম মৃত জালাল উদ্দিন সাং-নেছেড়া থানা-তারাকান্দা জেলা-ময়মনসিংহ।
থানা পুলিশ জানায়, অজ্ঞাত মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন ইসিবি চত্বরে ভবঘুরে অবস্থায় ঘোরাফেরা করা কালে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করে। ঔ নারী তার সঠিক নাম ঠিকানা বলতে না পারলে টহলরত অফিসার এসআই সেলিম শাহ,নারী এস আই শারমিন সুলতানা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে চিকিৎসার জন্য কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান করা হয় । কর্তব্যরত ডাক্তার তাৎক্ষণিকভাবে ব্লাড প্রেসার আরবিএস এবং ইসিজি টেস্ট করান। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ডাকে থানায় নিয়ে আসা হয় । তার পর্যাপ্ত খাওয়া ও পরনের কাপড়ের ব্যবস্থা করা হয়। পুলিশ সদস্যরা জানান চিকিৎসা সেবা পেয়ে সে
আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠে এবং তার বাবার নাম ও ভাইদের নাম বলতে পারে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, তার গ্রামের বাড়ি তারাকান্দা। নারী অফিসারদের মাধ্যমে অনেক চেষ্টায় তার নাম ও পরিবারের ঠিকানা বের করা হয়,তার পর্যাপ্ত সেবা ও কাউন্সিলিং করা হয়। অদ্য ১৬/১০/২৫ তারিখ তার আপন বড় ভাই মোঃ এনামুল হক এর নিজ জিম্মায় প্রদান করা হয়।

পুলিশের মন্তব্যঃ* প্রাথমিক ভাবে জানা যায় উক্ত মহিলা দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তাহার দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পরিবার থেকে এক বছরের ঊর্ধ্বে বিচ্ছিন্ন হয়ে ঢাকা শহরে বিভিন্ন এলাকায় ভারসাম্যহীনভাবে ঘুরতেছিল। তার পরিবার অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে খুঁজে পায় নি। তার পরিবার ও সন্তানরা তাকে পেয়ে অনেক খুশি।পাশাপাশি পুলিশের এই মহতী কাজের প্রশংসা করেন তারা।


প্রিন্ট