ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাটোরে মাধনগর ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শাবিপ্রবিতে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতুতে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চিলমারীতে দিন দুপুরে বাড়িতে হা/ম/লায় থিয়েটার গ্র্যাজুয়েটস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বিএমইউর সি ব্লকে ১১ শয্যার আইসিইউ উদ্বোধন অপরাধ প্রতিরোধে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান, মোহাম্মদপুরে র‍্যাব-২-এর টাউন হল মিটিং বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ম:/দকের হাত থেকে যুব সমাজকে রক্ষার আকুল আকুতি শহীদ রাজীবের মায়ের

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

হাফসা আক্তার :- গত ১৫/১০/২৫খ্রিঃ বিকাল আনুঃ ০৪.৩০ ঘটিকার সময় মোছাঃ মমতাজ বেগম (৩৯)মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায় ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। দুই দিন যাবত চিকিৎসা শেষে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ১৬ অক্টোবর রাতে তাকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা করেন।

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর স্বামীর নাম মৃত জালাল উদ্দিন সাং-নেছেড়া থানা-তারাকান্দা জেলা-ময়মনসিংহ।
থানা পুলিশ জানায়, অজ্ঞাত মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন ইসিবি চত্বরে ভবঘুরে অবস্থায় ঘোরাফেরা করা কালে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করে। ঔ নারী তার সঠিক নাম ঠিকানা বলতে না পারলে টহলরত অফিসার এসআই সেলিম শাহ,নারী এস আই শারমিন সুলতানা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে চিকিৎসার জন্য কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান করা হয় । কর্তব্যরত ডাক্তার তাৎক্ষণিকভাবে ব্লাড প্রেসার আরবিএস এবং ইসিজি টেস্ট করান। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ডাকে থানায় নিয়ে আসা হয় । তার পর্যাপ্ত খাওয়া ও পরনের কাপড়ের ব্যবস্থা করা হয়। পুলিশ সদস্যরা জানান চিকিৎসা সেবা পেয়ে সে
আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠে এবং তার বাবার নাম ও ভাইদের নাম বলতে পারে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, তার গ্রামের বাড়ি তারাকান্দা। নারী অফিসারদের মাধ্যমে অনেক চেষ্টায় তার নাম ও পরিবারের ঠিকানা বের করা হয়,তার পর্যাপ্ত সেবা ও কাউন্সিলিং করা হয়। অদ্য ১৬/১০/২৫ তারিখ তার আপন বড় ভাই মোঃ এনামুল হক এর নিজ জিম্মায় প্রদান করা হয়।

পুলিশের মন্তব্যঃ* প্রাথমিক ভাবে জানা যায় উক্ত মহিলা দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তাহার দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পরিবার থেকে এক বছরের ঊর্ধ্বে বিচ্ছিন্ন হয়ে ঢাকা শহরে বিভিন্ন এলাকায় ভারসাম্যহীনভাবে ঘুরতেছিল। তার পরিবার অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে খুঁজে পায় নি। তার পরিবার ও সন্তানরা তাকে পেয়ে অনেক খুশি।পাশাপাশি পুলিশের এই মহতী কাজের প্রশংসা করেন তারা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে মাধনগর ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

আপডেট টাইম : ১২:৪৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

হাফসা আক্তার :- গত ১৫/১০/২৫খ্রিঃ বিকাল আনুঃ ০৪.৩০ ঘটিকার সময় মোছাঃ মমতাজ বেগম (৩৯)মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায় ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। দুই দিন যাবত চিকিৎসা শেষে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ১৬ অক্টোবর রাতে তাকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা করেন।

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর স্বামীর নাম মৃত জালাল উদ্দিন সাং-নেছেড়া থানা-তারাকান্দা জেলা-ময়মনসিংহ।
থানা পুলিশ জানায়, অজ্ঞাত মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন ইসিবি চত্বরে ভবঘুরে অবস্থায় ঘোরাফেরা করা কালে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করে। ঔ নারী তার সঠিক নাম ঠিকানা বলতে না পারলে টহলরত অফিসার এসআই সেলিম শাহ,নারী এস আই শারমিন সুলতানা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে চিকিৎসার জন্য কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান করা হয় । কর্তব্যরত ডাক্তার তাৎক্ষণিকভাবে ব্লাড প্রেসার আরবিএস এবং ইসিজি টেস্ট করান। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ডাকে থানায় নিয়ে আসা হয় । তার পর্যাপ্ত খাওয়া ও পরনের কাপড়ের ব্যবস্থা করা হয়। পুলিশ সদস্যরা জানান চিকিৎসা সেবা পেয়ে সে
আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠে এবং তার বাবার নাম ও ভাইদের নাম বলতে পারে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, তার গ্রামের বাড়ি তারাকান্দা। নারী অফিসারদের মাধ্যমে অনেক চেষ্টায় তার নাম ও পরিবারের ঠিকানা বের করা হয়,তার পর্যাপ্ত সেবা ও কাউন্সিলিং করা হয়। অদ্য ১৬/১০/২৫ তারিখ তার আপন বড় ভাই মোঃ এনামুল হক এর নিজ জিম্মায় প্রদান করা হয়।

পুলিশের মন্তব্যঃ* প্রাথমিক ভাবে জানা যায় উক্ত মহিলা দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তাহার দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পরিবার থেকে এক বছরের ঊর্ধ্বে বিচ্ছিন্ন হয়ে ঢাকা শহরে বিভিন্ন এলাকায় ভারসাম্যহীনভাবে ঘুরতেছিল। তার পরিবার অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে খুঁজে পায় নি। তার পরিবার ও সন্তানরা তাকে পেয়ে অনেক খুশি।পাশাপাশি পুলিশের এই মহতী কাজের প্রশংসা করেন তারা।


প্রিন্ট