ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনায় আ/সা/মি গ্রে/ফ/তার ও বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কুমিল্লার যে বাড়ির সুর ছড়িয়ে পড়ে উপমহাদেশের হৃদয়ে পোশাক শ্রমিকদের দ্রুত সর্বজনীন পেনশনে আনার আহ্বান বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালন কালীগঞ্জে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষ্যে ২১তম ওয়াজ মাহফিল ত্রিশালে কৃতি শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা, সংবর্ধনা পেলেন ২১৪ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শাবিপ্রবিতে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা নাটোরে মাধনগর ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শাবিপ্রবিতে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতুতে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

ঢাবিতে ‘পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস’ পালিত

‘আগাম সতর্কতা ও সচেতনতাই পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধের মূল চাবিকাঠি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস’ পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে এক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

এডিএন (এভয়েডেবল ডেথস নেটওয়ার্ক)-বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত এই র‌্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে নেতৃত্ব দেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

র‌্যালিতে আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর, আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. রবিউল আউয়াল ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম দুর্যোগ মোকাবিলা ও ঝুঁকি হ্রাসে আগাম সতর্কবার্তা প্রাপ্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, আগাম সতর্কতা, কার্যকর যোগাযোগ ও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারলে, অনেক ক্ষেত্রেই জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা সম্ভব হয়।

এ সময় উপাচার্য দুর্যোগপূর্ণ এলাকাগুলোতে সারা বছর সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ওপর জোর দেন এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি, সময় মতো চিকিৎসা না পাওয়া, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব, বন্যার পানিতে ডোবা, সাপে কাটা, আগুন লাগা কিংবা যথাযথ তথ্যের অভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারার কারণে অনেক মৃত্যু ঘটে।

তিনি বলেন, সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের পরিহারযোগ্য মৃত্যু (এভয়েডেবল ডেথস) রোধ করা সম্ভব।

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, এক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

সচেতনতামূলক এ সব কার্যক্রম শুধু একাডেমিক পরিসরে সীমাবদ্ধ না থেকে নীতিনির্ধারণ, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ও জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনায় আ/সা/মি গ্রে/ফ/তার ও বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ঢাবিতে ‘পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস’ পালিত

আপডেট টাইম : ০২:১৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

‘আগাম সতর্কতা ও সচেতনতাই পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধের মূল চাবিকাঠি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস’ পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে এক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

এডিএন (এভয়েডেবল ডেথস নেটওয়ার্ক)-বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত এই র‌্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে নেতৃত্ব দেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

র‌্যালিতে আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর, আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. রবিউল আউয়াল ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম দুর্যোগ মোকাবিলা ও ঝুঁকি হ্রাসে আগাম সতর্কবার্তা প্রাপ্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, আগাম সতর্কতা, কার্যকর যোগাযোগ ও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারলে, অনেক ক্ষেত্রেই জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা সম্ভব হয়।

এ সময় উপাচার্য দুর্যোগপূর্ণ এলাকাগুলোতে সারা বছর সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ওপর জোর দেন এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি, সময় মতো চিকিৎসা না পাওয়া, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব, বন্যার পানিতে ডোবা, সাপে কাটা, আগুন লাগা কিংবা যথাযথ তথ্যের অভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারার কারণে অনেক মৃত্যু ঘটে।

তিনি বলেন, সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের পরিহারযোগ্য মৃত্যু (এভয়েডেবল ডেথস) রোধ করা সম্ভব।

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, এক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

সচেতনতামূলক এ সব কার্যক্রম শুধু একাডেমিক পরিসরে সীমাবদ্ধ না থেকে নীতিনির্ধারণ, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ও জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।


প্রিন্ট