ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

ঢাবিতে ‘পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস’ পালিত

‘আগাম সতর্কতা ও সচেতনতাই পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধের মূল চাবিকাঠি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস’ পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে এক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

এডিএন (এভয়েডেবল ডেথস নেটওয়ার্ক)-বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত এই র‌্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে নেতৃত্ব দেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

র‌্যালিতে আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর, আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. রবিউল আউয়াল ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম দুর্যোগ মোকাবিলা ও ঝুঁকি হ্রাসে আগাম সতর্কবার্তা প্রাপ্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, আগাম সতর্কতা, কার্যকর যোগাযোগ ও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারলে, অনেক ক্ষেত্রেই জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা সম্ভব হয়।

এ সময় উপাচার্য দুর্যোগপূর্ণ এলাকাগুলোতে সারা বছর সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ওপর জোর দেন এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি, সময় মতো চিকিৎসা না পাওয়া, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব, বন্যার পানিতে ডোবা, সাপে কাটা, আগুন লাগা কিংবা যথাযথ তথ্যের অভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারার কারণে অনেক মৃত্যু ঘটে।

তিনি বলেন, সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের পরিহারযোগ্য মৃত্যু (এভয়েডেবল ডেথস) রোধ করা সম্ভব।

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, এক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

সচেতনতামূলক এ সব কার্যক্রম শুধু একাডেমিক পরিসরে সীমাবদ্ধ না থেকে নীতিনির্ধারণ, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ও জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

ঢাবিতে ‘পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস’ পালিত

আপডেট টাইম : ০২:১৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

‘আগাম সতর্কতা ও সচেতনতাই পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধের মূল চাবিকাঠি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস’ পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে এক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

এডিএন (এভয়েডেবল ডেথস নেটওয়ার্ক)-বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত এই র‌্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে নেতৃত্ব দেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

র‌্যালিতে আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর, আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. রবিউল আউয়াল ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম দুর্যোগ মোকাবিলা ও ঝুঁকি হ্রাসে আগাম সতর্কবার্তা প্রাপ্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, আগাম সতর্কতা, কার্যকর যোগাযোগ ও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারলে, অনেক ক্ষেত্রেই জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা সম্ভব হয়।

এ সময় উপাচার্য দুর্যোগপূর্ণ এলাকাগুলোতে সারা বছর সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ওপর জোর দেন এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি, সময় মতো চিকিৎসা না পাওয়া, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব, বন্যার পানিতে ডোবা, সাপে কাটা, আগুন লাগা কিংবা যথাযথ তথ্যের অভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারার কারণে অনেক মৃত্যু ঘটে।

তিনি বলেন, সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের পরিহারযোগ্য মৃত্যু (এভয়েডেবল ডেথস) রোধ করা সম্ভব।

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, এক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

সচেতনতামূলক এ সব কার্যক্রম শুধু একাডেমিক পরিসরে সীমাবদ্ধ না থেকে নীতিনির্ধারণ, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ও জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।


প্রিন্ট