ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

ঝালকাঠিতে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় মিলন (২৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন পশ্চিম আদাখোলা এলাকার তৈয়ব আলী হাওলাদারের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মিলনের সঙ্গে তার স্ত্রী রোজিনা ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শনিবার এ বিরোধ মীমাংসার কথা ছিল। এদিন দুপুরে পাশের একটি বাড়িতে দাওয়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। অভিযোগ রয়েছে, মিলনের শ্বশুর আউয়াল, শ্যালক মাসুম, রহিম ও রুবেল পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার পর ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মিলনকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মা ও স্বজনরা এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সরাসরি শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে দায়ী করেছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে মিলনের স্ত্রী রোজিনা বলেন, “মিলনের সঙ্গে অনেকের শত্রুতা ছিল। আমার পরিবারের কেউ এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।”

রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. খালিদ হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মিলনের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে ১০-১২টি ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, “কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ঝালকাঠিতে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে

আপডেট টাইম : ০৭:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় মিলন (২৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন পশ্চিম আদাখোলা এলাকার তৈয়ব আলী হাওলাদারের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মিলনের সঙ্গে তার স্ত্রী রোজিনা ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শনিবার এ বিরোধ মীমাংসার কথা ছিল। এদিন দুপুরে পাশের একটি বাড়িতে দাওয়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। অভিযোগ রয়েছে, মিলনের শ্বশুর আউয়াল, শ্যালক মাসুম, রহিম ও রুবেল পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার পর ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মিলনকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মা ও স্বজনরা এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সরাসরি শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে দায়ী করেছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে মিলনের স্ত্রী রোজিনা বলেন, “মিলনের সঙ্গে অনেকের শত্রুতা ছিল। আমার পরিবারের কেউ এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।”

রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. খালিদ হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মিলনের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে ১০-১২টি ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, “কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


প্রিন্ট