ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার ঝিনাইদহে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালা ইসরাইলি প্রস্তাবের বিরোধিতা করতে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতি হামাসের আহ্বান বাগেরহাটে সাড়ম্বরে জন্মাষ্টমী পালিত রাশিয়ার আকাশসীমা নিয়ে কিয়েভের ‘অবৈধ’ সতর্কবার্তার নিন্দা মস্কোর জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হচ্ছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তারুণ্যের অদম্য শক্তিতে মেধাবী দেশ গড়তে চায় সরকার : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী রাশিয়ার হা/ম/লায় ইউক্রেনের এসবিইউ সদর দপ্তর ক্ষ/তিগ্র/স্ত বাগেরহাটে পানি প্রকল্প পুনরায় চালুর উদ্যোগ রাজবাড়ীতে আ/গুনে পাঁচটি দোকান পু/ড়ে কোটি টাকার ক্ষ/য়ক্ষ/তি

ঝালকাঠিতে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় মিলন (২৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন পশ্চিম আদাখোলা এলাকার তৈয়ব আলী হাওলাদারের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মিলনের সঙ্গে তার স্ত্রী রোজিনা ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শনিবার এ বিরোধ মীমাংসার কথা ছিল। এদিন দুপুরে পাশের একটি বাড়িতে দাওয়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। অভিযোগ রয়েছে, মিলনের শ্বশুর আউয়াল, শ্যালক মাসুম, রহিম ও রুবেল পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার পর ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মিলনকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মা ও স্বজনরা এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সরাসরি শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে দায়ী করেছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে মিলনের স্ত্রী রোজিনা বলেন, “মিলনের সঙ্গে অনেকের শত্রুতা ছিল। আমার পরিবারের কেউ এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।”

রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. খালিদ হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মিলনের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে ১০-১২টি ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, “কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীতে হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

ঝালকাঠিতে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে

আপডেট টাইম : ০৭:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় মিলন (২৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন পশ্চিম আদাখোলা এলাকার তৈয়ব আলী হাওলাদারের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মিলনের সঙ্গে তার স্ত্রী রোজিনা ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শনিবার এ বিরোধ মীমাংসার কথা ছিল। এদিন দুপুরে পাশের একটি বাড়িতে দাওয়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। অভিযোগ রয়েছে, মিলনের শ্বশুর আউয়াল, শ্যালক মাসুম, রহিম ও রুবেল পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার পর ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মিলনকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মা ও স্বজনরা এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সরাসরি শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে দায়ী করেছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে মিলনের স্ত্রী রোজিনা বলেন, “মিলনের সঙ্গে অনেকের শত্রুতা ছিল। আমার পরিবারের কেউ এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।”

রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. খালিদ হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মিলনের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে ১০-১২টি ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, “কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


প্রিন্ট