ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

সুনামগঞ্জে ধান কাটার ধুম , ধানের অধিক ফলন

জেলায় ধান কাটা শুরু হয়েছে। জেলায় এ বছর ধানের ফলন ভালো হয়েছে বলে জানান, কৃষকরা।

চৈত্রের শেষ ও বৈশাখের শুরুতে জেলার হাওরাঞ্চলে আগাম জাতের বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। জেলার মধ্যনগর, জামালগঞ্জ, শান্তিগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার হাওরগুলোতে চলছে এইসব জাতের ধান কাটার ধুম ।  জামালগঞ্জের কৃষক আব্দুল আহাদ জানান, আগাম জাতের ব্রি-৯৬ ধানের ফলনে কৃষকরা লাভবান হয়েছেন।

জেলার বিভিন্ন হাওরে ঘুরে দেখা যায়, কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন এবং স্থানীয় শ্রমিকরা আগাম ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। পাশাপাশি ধান মাড়াই, ধান শুকানোর কাজে হাওরপাড়ের  কৃষানীরা ব্যস্ত।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। যেখানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে আগাম জাতের ব্রি-৯৬ ধান সহ বিভিন্ন জাতের ৬৭৩৫ হেক্টরের মধ্যে প্রায় ১১৪ হেক্টর কর্তন হয়েছে। তবে পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতায় ধান নষ্ট হওয়ায় কৃষকরা আধাপাকা ধানও কাটছেন। পাকনার হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, দেখার হাওর, খরচার হাওর এবং মধ্যনগরের দক্ষিণ বংশীকুন্ডাসহ বিভিন্ন এলাকার হাওরে ধান কাটা চলছে। উৎসবমুখর পরিবেশে আগাম জাতের ধান কর্তন চলছে।

এদিকে ধান কাটায় ছয় হাজার শ্রমিকের পাশাপাশি ৫৭৭টি কম্বাইন হারভেস্টার কাজ করছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, কম্বাইন হারভেস্টারের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মওজুদ রয়েছে। এছাড়াও এসিআই কোম্পানি থেকে আরও ৫০টি হারভেস্টার ভাড়ায় আনার কথা রয়েছে এবং স্বেচ্ছাসেবীরাও ধান কর্তনের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।

তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে হালির হাওর, পাকনার হাওর, ধানকুনিয়া হাওর, জুয়ালভাঙ্গা হাওর, শিয়ালমারা হাওর, পিংলার হাওর, চিলার হাওরসহ বেশ কিছু হাওরে পানি প্রবেশ করেছে।, যা পাকা ধান কাটার জন্য বড় হুমকি।  সেজন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দ্রুত উপযুক্ত হওয়ামাত্র ধান কাটার পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়াও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা প্রদানের জন্য কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচার হাওরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রমিকরা ধান কর্তন করছেন। কোথাও কোথাও হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটছেন।

খরচার হাওরে আগাম জাতের ব্রি-৯৬ ধান রোপণ করেছেন  গফুর মিয়া । তিনি ১০ কেয়ার জমিতে ব্রি -৯৬ জাতের ধান চাষাবাদ করে লাভের আশা করছেন। গত বছর ধরেই এই জাতের ধান চাষাবাদ করে লাভবান হয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা অধিকাংশ কৃষক আগাম জাতের ব্রি ৯৬ ধান রোপণ করেছি। এই ধানের ফলন ভালো। গত চার বছর ধরে এই জাতের ধানে আমরা লাভবান হয়েছি। এই জাতের ধানের চাল চিকন, খেতে খুবই সুস্বাদু। এছাড়া চাষাবাদে খরচও কম।

তিনি বলেন ,এবছর ১০ কেয়ার (৩ কেয়ারে এক একর) জমিতে আগাম জাতের ব্রি-৯৬ ধান রোপণ করেছি। আজ শুক্রবার  সাড়ে তিন কেয়ার ধান কাটা হয়েছে। আশাকরি প্রতি কেয়ারে ১৮ মন ধান হবে।

জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাক ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামের কৃষক সাইফুল বলেন, আগাম জাতের ব্রি ধান-২৮ ইতোমধ্যে ৫ কেয়ার (প্রতি কেয়ার ২৮ শতক) কর্তন করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কেয়ার প্রতি ১৮ মণ ধান হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রায় ৮০ কেয়ার জমিতে বোরো চাষাবাদ করেছি। এরমধ্যে জলাবদ্ধতার কারণে ১৫ কেয়ার জমি পানির নিচে রয়েছে। আগাম জাতের ব্রি ধান ২৮ আরও দুই কেয়ার আছে। দুই চারদিনের মধ্যে কর্তন করতে পারব।

এদিকে আগাম জাতের ধান কাটায় জেলার শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। ধান কাটা  শুরু হওয়ায় তারা সকাল থেকেই হাওরে হাওরে কৃষকরা ধান কাটাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচার হাওরে আফতাব বলেন, আমরা ১৯ জন শ্রমিক কাজ করছি। সাতভাগ হারে ধান কাটছি। আগাম জাতের ধান চাষাবাদ করায় বৈশাখীর ধুম পড়ার আগেই কাজের সুযোগ পেয়েছি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, এই জেলার প্রধান ফসল বোরো ধান। জেলায় এ বছর ধান চাষাবাদে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৩ হাজার ৫০৫ হেক্টর। এরমধ্যে অর্জিত হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর। ৬ হেক্টর বেশি অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন উপজেলার হাওরগুলোতে ছিটেফোঁটা ধান কাটা শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার জামালগঞ্জের পাকনার হাওরে এবং বুধবার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচার হাওরে ধান কাটা হয়েছে।

তিনি আরো  বলেন, ব্রি ধান-২৮ এবং ব্রি-৯৬ জাতের ধান কর্তন শুরু হয়েছে। এই ধানের ফলন ভালো এবং খেতে খুবই সুস্বাদু। এই ধান আবাদ করে কৃষকেরা তাদের কাংখিত ফলনে খুশি। প্রতি বিঘায় ১৫ মণ থেকে ১৮ মণ পেয়ে থাকেন কৃষকরা। সুনামগঞ্জে এই জাতের ধানের জনপ্রিয়তা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর কৃষকেরা লাভবান হবেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

সুনামগঞ্জে ধান কাটার ধুম , ধানের অধিক ফলন

আপডেট টাইম : ০৩:১৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

জেলায় ধান কাটা শুরু হয়েছে। জেলায় এ বছর ধানের ফলন ভালো হয়েছে বলে জানান, কৃষকরা।

চৈত্রের শেষ ও বৈশাখের শুরুতে জেলার হাওরাঞ্চলে আগাম জাতের বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। জেলার মধ্যনগর, জামালগঞ্জ, শান্তিগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার হাওরগুলোতে চলছে এইসব জাতের ধান কাটার ধুম ।  জামালগঞ্জের কৃষক আব্দুল আহাদ জানান, আগাম জাতের ব্রি-৯৬ ধানের ফলনে কৃষকরা লাভবান হয়েছেন।

জেলার বিভিন্ন হাওরে ঘুরে দেখা যায়, কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন এবং স্থানীয় শ্রমিকরা আগাম ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। পাশাপাশি ধান মাড়াই, ধান শুকানোর কাজে হাওরপাড়ের  কৃষানীরা ব্যস্ত।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। যেখানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে আগাম জাতের ব্রি-৯৬ ধান সহ বিভিন্ন জাতের ৬৭৩৫ হেক্টরের মধ্যে প্রায় ১১৪ হেক্টর কর্তন হয়েছে। তবে পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতায় ধান নষ্ট হওয়ায় কৃষকরা আধাপাকা ধানও কাটছেন। পাকনার হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, দেখার হাওর, খরচার হাওর এবং মধ্যনগরের দক্ষিণ বংশীকুন্ডাসহ বিভিন্ন এলাকার হাওরে ধান কাটা চলছে। উৎসবমুখর পরিবেশে আগাম জাতের ধান কর্তন চলছে।

এদিকে ধান কাটায় ছয় হাজার শ্রমিকের পাশাপাশি ৫৭৭টি কম্বাইন হারভেস্টার কাজ করছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, কম্বাইন হারভেস্টারের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মওজুদ রয়েছে। এছাড়াও এসিআই কোম্পানি থেকে আরও ৫০টি হারভেস্টার ভাড়ায় আনার কথা রয়েছে এবং স্বেচ্ছাসেবীরাও ধান কর্তনের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।

তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে হালির হাওর, পাকনার হাওর, ধানকুনিয়া হাওর, জুয়ালভাঙ্গা হাওর, শিয়ালমারা হাওর, পিংলার হাওর, চিলার হাওরসহ বেশ কিছু হাওরে পানি প্রবেশ করেছে।, যা পাকা ধান কাটার জন্য বড় হুমকি।  সেজন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দ্রুত উপযুক্ত হওয়ামাত্র ধান কাটার পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়াও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা প্রদানের জন্য কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচার হাওরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রমিকরা ধান কর্তন করছেন। কোথাও কোথাও হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটছেন।

খরচার হাওরে আগাম জাতের ব্রি-৯৬ ধান রোপণ করেছেন  গফুর মিয়া । তিনি ১০ কেয়ার জমিতে ব্রি -৯৬ জাতের ধান চাষাবাদ করে লাভের আশা করছেন। গত বছর ধরেই এই জাতের ধান চাষাবাদ করে লাভবান হয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা অধিকাংশ কৃষক আগাম জাতের ব্রি ৯৬ ধান রোপণ করেছি। এই ধানের ফলন ভালো। গত চার বছর ধরে এই জাতের ধানে আমরা লাভবান হয়েছি। এই জাতের ধানের চাল চিকন, খেতে খুবই সুস্বাদু। এছাড়া চাষাবাদে খরচও কম।

তিনি বলেন ,এবছর ১০ কেয়ার (৩ কেয়ারে এক একর) জমিতে আগাম জাতের ব্রি-৯৬ ধান রোপণ করেছি। আজ শুক্রবার  সাড়ে তিন কেয়ার ধান কাটা হয়েছে। আশাকরি প্রতি কেয়ারে ১৮ মন ধান হবে।

জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাক ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামের কৃষক সাইফুল বলেন, আগাম জাতের ব্রি ধান-২৮ ইতোমধ্যে ৫ কেয়ার (প্রতি কেয়ার ২৮ শতক) কর্তন করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কেয়ার প্রতি ১৮ মণ ধান হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রায় ৮০ কেয়ার জমিতে বোরো চাষাবাদ করেছি। এরমধ্যে জলাবদ্ধতার কারণে ১৫ কেয়ার জমি পানির নিচে রয়েছে। আগাম জাতের ব্রি ধান ২৮ আরও দুই কেয়ার আছে। দুই চারদিনের মধ্যে কর্তন করতে পারব।

এদিকে আগাম জাতের ধান কাটায় জেলার শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। ধান কাটা  শুরু হওয়ায় তারা সকাল থেকেই হাওরে হাওরে কৃষকরা ধান কাটাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচার হাওরে আফতাব বলেন, আমরা ১৯ জন শ্রমিক কাজ করছি। সাতভাগ হারে ধান কাটছি। আগাম জাতের ধান চাষাবাদ করায় বৈশাখীর ধুম পড়ার আগেই কাজের সুযোগ পেয়েছি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, এই জেলার প্রধান ফসল বোরো ধান। জেলায় এ বছর ধান চাষাবাদে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৩ হাজার ৫০৫ হেক্টর। এরমধ্যে অর্জিত হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর। ৬ হেক্টর বেশি অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন উপজেলার হাওরগুলোতে ছিটেফোঁটা ধান কাটা শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার জামালগঞ্জের পাকনার হাওরে এবং বুধবার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচার হাওরে ধান কাটা হয়েছে।

তিনি আরো  বলেন, ব্রি ধান-২৮ এবং ব্রি-৯৬ জাতের ধান কর্তন শুরু হয়েছে। এই ধানের ফলন ভালো এবং খেতে খুবই সুস্বাদু। এই ধান আবাদ করে কৃষকেরা তাদের কাংখিত ফলনে খুশি। প্রতি বিঘায় ১৫ মণ থেকে ১৮ মণ পেয়ে থাকেন কৃষকরা। সুনামগঞ্জে এই জাতের ধানের জনপ্রিয়তা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর কৃষকেরা লাভবান হবেন।


প্রিন্ট