ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বিএনপির ৬ মাসের উন্নয়ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান ‘বিএনপি সরকার ব্যর্থ হয় না’ -পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ বিপদে পড়লেই মানুষ চেনা যায়,আসল বন্ধু পাশে থাকে, নকল বন্ধু দূরে সরে যায় কেশবপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে প্রেসক্রিপশন, ফার্মেসিকে জরিমানা মিয়ানমারে পাচারের সময় ৪১০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার সুযোগ নেই : ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল নেত্রকোণায় অনুমোদনহীন ভবন ভাঙল প্রশাসন ভোলা-ঢাকা রুটে ফেরি সার্ভিস, পণ্য পরিবহনে নতুন যুগের সূচনা বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে, কোনো প্রভু নেই : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

গরমে শিশুকে সুস্থ রাখতে যা করব

সিটিজেন নিউজ ডেস্ক: বৈশাখের তীব্র দাবদাহে দেখা দিতে পারে নানা রকম অসুখ-বিসুখ। এসব অসুস্থতার মধ্যে রয়েছে জ্বর, ডায়ারিয়া, অবসাদগ্রস্ততা, সামার বয়েল বা ত্বকের ফোঁড়া, নাক দিয়ে রক্তপড়া, ঘামাচি ও হিটস্ট্রোক।

তীব্র গরমে অনেকেই আক্রান্ত হয়ে পড়েন জ্বরে। জ্বরের সঙ্গে হয় ডায়রিয়াও। জ্বরের মাত্রা একটু বেশি থাকে। ১০৩-১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত ওঠে শরীরের তাপমাত্রা। তবে প্যারাসিটামলেই সেরে যায় জ্বর।

সেই খেয়াল রাখতে হয় বড়দের। শীতের সময়ের মতো গরমেও শিশুর যত্নে বিশেষ যত্নশীল হতে হবে। তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, গরমে শিশুর সুস্থতায় কী করবেন-

শরীরকে আর্দ্র রাখা অপরিহার্য

শিশুর পানিশূন্যতা এড়াতে, বিশেষ করে খেলার সময়, তারা যেন ঘন ঘন জল পান করে তা নিশ্চিত করুন। শিশুর জন্য তরমুজ, স্ট্রবেরি এবং কমলার মতো বেশি জলীয় উপাদানযুক্ত ফল চমৎকার নাস্তা হতে পারে। চেষ্টা করুন গ্রীষ্মকালীন সব ধরনের ফল শিশুকে খেতে দিতে। এতে একদিকে তার শরীর যেমন পানিশূন্যতা থেকে বাঁচবে তেমনই প্রয়োজনীয় অনেক পুষ্টিও শরীরে প্রবেশ করবে।

সূর্য থেকে সুরক্ষা

বাইরে যাওয়ার ১৫-৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগান। অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য টুপি, সানগ্লাস এবং হালকা ওজনের লম্বা হাতার পোশাক ব্যবহার করুন। এতে সরাসরি রোদ এসে শিশুর ত্বকের ক্ষতি করতে পারবে না। শিশুদের ত্বক বড়দের থেকে বেশি কোমল। তাই তাদের ক্ষতি হওয়ার ভয়ও বেশি থাকে।

দিনের সবচেয়ে বেশি রোদের সময়ে সুরক্ষা

সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে সরাসরি তীব্র রোদ এড়িয়ে চলুন। এসময় শিশু যেন বাইরের রোদে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। বাইরের কার্যকলাপের জন্য খুব সকালে বা শেষ বিকেলে পরিকল্পনা করুন।

গরম গাড়িতে শিশুদের কখনও একা ফেলে রাখবেন না। ঘন ঘন ছায়াযুক্ত বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে বিশ্রাম নিতে উৎসাহিত করুন। বাড়িতে থাকলে ঠান্ডা ও আরামদায়ক স্থানে রাখুন। স্কুলে থাকলে সে যেন বাইরে বের হয়ে অতিরিক্ত গরমের ভেতরে দৌড়ঝাঁপ না করে তা বুঝিয়ে বলুন।

গরমে শিশুর খাবারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। শিশুরা ফাস্টফুড বা জাঙ্কফুড ধরনের খাবার খেতে বেশি পছন্দ করে। কিন্তু গরমে তাদের এ ধরনের খাবার দেওয়া থেকে যতটা সম্ভব বিরত থাকুন। এর বদলে বাড়িতে তৈরি হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খেতে দিন। তাতে শিশুর সুস্থ থাকা সহজ হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

গরমে শিশুকে সুস্থ রাখতে যা করব

আপডেট টাইম : ০২:২৭:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

সিটিজেন নিউজ ডেস্ক: বৈশাখের তীব্র দাবদাহে দেখা দিতে পারে নানা রকম অসুখ-বিসুখ। এসব অসুস্থতার মধ্যে রয়েছে জ্বর, ডায়ারিয়া, অবসাদগ্রস্ততা, সামার বয়েল বা ত্বকের ফোঁড়া, নাক দিয়ে রক্তপড়া, ঘামাচি ও হিটস্ট্রোক।

তীব্র গরমে অনেকেই আক্রান্ত হয়ে পড়েন জ্বরে। জ্বরের সঙ্গে হয় ডায়রিয়াও। জ্বরের মাত্রা একটু বেশি থাকে। ১০৩-১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত ওঠে শরীরের তাপমাত্রা। তবে প্যারাসিটামলেই সেরে যায় জ্বর।

সেই খেয়াল রাখতে হয় বড়দের। শীতের সময়ের মতো গরমেও শিশুর যত্নে বিশেষ যত্নশীল হতে হবে। তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, গরমে শিশুর সুস্থতায় কী করবেন-

শরীরকে আর্দ্র রাখা অপরিহার্য

শিশুর পানিশূন্যতা এড়াতে, বিশেষ করে খেলার সময়, তারা যেন ঘন ঘন জল পান করে তা নিশ্চিত করুন। শিশুর জন্য তরমুজ, স্ট্রবেরি এবং কমলার মতো বেশি জলীয় উপাদানযুক্ত ফল চমৎকার নাস্তা হতে পারে। চেষ্টা করুন গ্রীষ্মকালীন সব ধরনের ফল শিশুকে খেতে দিতে। এতে একদিকে তার শরীর যেমন পানিশূন্যতা থেকে বাঁচবে তেমনই প্রয়োজনীয় অনেক পুষ্টিও শরীরে প্রবেশ করবে।

সূর্য থেকে সুরক্ষা

বাইরে যাওয়ার ১৫-৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগান। অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য টুপি, সানগ্লাস এবং হালকা ওজনের লম্বা হাতার পোশাক ব্যবহার করুন। এতে সরাসরি রোদ এসে শিশুর ত্বকের ক্ষতি করতে পারবে না। শিশুদের ত্বক বড়দের থেকে বেশি কোমল। তাই তাদের ক্ষতি হওয়ার ভয়ও বেশি থাকে।

দিনের সবচেয়ে বেশি রোদের সময়ে সুরক্ষা

সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে সরাসরি তীব্র রোদ এড়িয়ে চলুন। এসময় শিশু যেন বাইরের রোদে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। বাইরের কার্যকলাপের জন্য খুব সকালে বা শেষ বিকেলে পরিকল্পনা করুন।

গরম গাড়িতে শিশুদের কখনও একা ফেলে রাখবেন না। ঘন ঘন ছায়াযুক্ত বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে বিশ্রাম নিতে উৎসাহিত করুন। বাড়িতে থাকলে ঠান্ডা ও আরামদায়ক স্থানে রাখুন। স্কুলে থাকলে সে যেন বাইরে বের হয়ে অতিরিক্ত গরমের ভেতরে দৌড়ঝাঁপ না করে তা বুঝিয়ে বলুন।

গরমে শিশুর খাবারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। শিশুরা ফাস্টফুড বা জাঙ্কফুড ধরনের খাবার খেতে বেশি পছন্দ করে। কিন্তু গরমে তাদের এ ধরনের খাবার দেওয়া থেকে যতটা সম্ভব বিরত থাকুন। এর বদলে বাড়িতে তৈরি হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খেতে দিন। তাতে শিশুর সুস্থ থাকা সহজ হবে।


প্রিন্ট