ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন

মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব স্বপন তালুকদারের বিরুদ্ধে ওঠা জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সুপরিকল্পিত চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত সচিব। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর কামরুল হাসান মিটুর দেওয়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি।
সচিব স্বপন তালুকদার জানান, ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা শাহানুর মিয়ার জন্ম নিবন্ধনটি ছিল মূলত একটি সংশোধনী আবেদন। কুলঞ্জ ইউনিয়নটি একটি দুর্গম এলাকা হওয়ায় আবেদনকারী নিজেই যাতায়াত খরচ ও সময়ের কথা বিবেচনা করে সচিবকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শাহানুর মিয়া সচিবকে বলেছিলেন যে, দিরাই সদরে গিয়ে কাজ করালে তার যে যাতায়াত খরচ হতো, সেই টাকা তিনি সচিবকে গাড়ি ভাড়া বাবদ দিয়ে দেবেন এবং সচিব যেন দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন করিয়ে আনেন।
সচিবের দাবি অনুযায়ী, তিনি মানবিক কারণে এবং সেবার সুবিধার্থে নিজের প্রচেষ্টায় দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন ও অনুমোদন করিয়ে আনেন। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পর শাহানুর মিয়া তাকে সরকারি ফি টুকুও প্রদান করেননি। উল্টো তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক সচিবের কাছ থেকে সংশোধিত নিবন্ধন সনদটি ছিনিয়ে নিয়ে যান।
সচিব স্বপন তালুকদার আরও অভিযোগ করেন, পুরো বিষয়টি ছিল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার একটি কৌশল। নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কাজ করে দেওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে অনলাইনে নিউজ প্রকাশ এবং ইউএনও বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি একে তার পেশাগত সততার ওপর আঘাত এবং হয়রানিমূলক আচরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, এর আগে কামরুল হাসান মিটু স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে সচিবের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায়ের লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তবে সচিবের দাবি, নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন যাতে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু

জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন

আপডেট টাইম : ১২:২৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব স্বপন তালুকদারের বিরুদ্ধে ওঠা জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সুপরিকল্পিত চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত সচিব। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর কামরুল হাসান মিটুর দেওয়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি।
সচিব স্বপন তালুকদার জানান, ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা শাহানুর মিয়ার জন্ম নিবন্ধনটি ছিল মূলত একটি সংশোধনী আবেদন। কুলঞ্জ ইউনিয়নটি একটি দুর্গম এলাকা হওয়ায় আবেদনকারী নিজেই যাতায়াত খরচ ও সময়ের কথা বিবেচনা করে সচিবকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শাহানুর মিয়া সচিবকে বলেছিলেন যে, দিরাই সদরে গিয়ে কাজ করালে তার যে যাতায়াত খরচ হতো, সেই টাকা তিনি সচিবকে গাড়ি ভাড়া বাবদ দিয়ে দেবেন এবং সচিব যেন দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন করিয়ে আনেন।
সচিবের দাবি অনুযায়ী, তিনি মানবিক কারণে এবং সেবার সুবিধার্থে নিজের প্রচেষ্টায় দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন ও অনুমোদন করিয়ে আনেন। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পর শাহানুর মিয়া তাকে সরকারি ফি টুকুও প্রদান করেননি। উল্টো তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক সচিবের কাছ থেকে সংশোধিত নিবন্ধন সনদটি ছিনিয়ে নিয়ে যান।
সচিব স্বপন তালুকদার আরও অভিযোগ করেন, পুরো বিষয়টি ছিল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার একটি কৌশল। নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কাজ করে দেওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে অনলাইনে নিউজ প্রকাশ এবং ইউএনও বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি একে তার পেশাগত সততার ওপর আঘাত এবং হয়রানিমূলক আচরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, এর আগে কামরুল হাসান মিটু স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে সচিবের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায়ের লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তবে সচিবের দাবি, নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন যাতে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসে।


প্রিন্ট