ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

ধামইরহাটে মিটারের ত্রুটির অভিযোগে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবি প্রতিবাদে মানববন্ধন

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

 

 

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় একটি রাইস মিলে বিদ্যুৎ মিটারে ত্রুটির অভিযোগ তুলে মিটার খুলে নেওয়ার পর এক গ্রাহকের কাছে অতিরিক্ত ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সামনে নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অধিনে ধামইরহাট জোনাল অফিসে কর্মরত তিনজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

 

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, পৌর এলাকার জয়জয়পুর গ্রামে অবস্থিত একটি রাইস মিলের মালিক জাইদুল ইসলাম দীর্ঘ তিনবছর ধরে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছিল। গ্রাহকের মিটার হঠাৎ করে ত্রুটিপূর্ণ দাবি করে গত মঙ্গলবার পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের জুনিয়র প্রকৌশলী সামসুল হুদা আকন্দের উপস্থিতিতে খুলে নিয়ে যায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন। পরে ওই গ্রাহক অফিসে গেলে তার কাছে ১ লাখ ৬০ হাজার অতিরিক্ত টাকা কোন কারণ ছাড়া পরিশোধের কথা বলেন পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আসাদুজ্জামান ও সহকারি জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আলমঙ্গীর হোসেন।

 

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী মিল মালিক জাইদুল ইসলাম বলেন, “আমি নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেছি। আমার মিটার খুলে নিয়ে গিয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।” পাশাপাশি মৌসুম সময়ে আমার মিল কয়েকদিন থেকে বন্ধ রয়েছে এতে আমার মিলের ড্রাইভার ও সহযোগীদের বসে থেকে প্রতিদিন বেতন দিতে হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমাকে জোরপূর্বক টাকা প্রদানে বাধ্য করেন কর্তৃপক্ষ । আমি প্রতিমাসে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পরেও আমাকে প্রায় ১৪ হাজার ইউনিট এর বিল অতিরিক্ত প্রদানের জন্য বাধ্য করা হয়। প্রথম ধাপে ৫০ হাজার টাকা জমা প্রদানের মাধ্যমে আমাকে মিটার ফেরত নিয়ে যেতে বলেন পরে কয়েকধাপে বাকি টাকা পরিশোধ করতে চুক্তি প্রদান করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এলাকাবাসি মো. লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীর আল বেনু, মোজাম হোসেন প্রমুখ। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে ধামইরহাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের এজিএম মো. আলমঙ্গীর হোসেন এর সঙ্গে একাধীকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভি করেন নাই।

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ধামইরহাটে মিটারের ত্রুটির অভিযোগে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবি প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০৯:৩০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

 

 

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় একটি রাইস মিলে বিদ্যুৎ মিটারে ত্রুটির অভিযোগ তুলে মিটার খুলে নেওয়ার পর এক গ্রাহকের কাছে অতিরিক্ত ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সামনে নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অধিনে ধামইরহাট জোনাল অফিসে কর্মরত তিনজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

 

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, পৌর এলাকার জয়জয়পুর গ্রামে অবস্থিত একটি রাইস মিলের মালিক জাইদুল ইসলাম দীর্ঘ তিনবছর ধরে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছিল। গ্রাহকের মিটার হঠাৎ করে ত্রুটিপূর্ণ দাবি করে গত মঙ্গলবার পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের জুনিয়র প্রকৌশলী সামসুল হুদা আকন্দের উপস্থিতিতে খুলে নিয়ে যায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন। পরে ওই গ্রাহক অফিসে গেলে তার কাছে ১ লাখ ৬০ হাজার অতিরিক্ত টাকা কোন কারণ ছাড়া পরিশোধের কথা বলেন পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আসাদুজ্জামান ও সহকারি জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আলমঙ্গীর হোসেন।

 

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী মিল মালিক জাইদুল ইসলাম বলেন, “আমি নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেছি। আমার মিটার খুলে নিয়ে গিয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।” পাশাপাশি মৌসুম সময়ে আমার মিল কয়েকদিন থেকে বন্ধ রয়েছে এতে আমার মিলের ড্রাইভার ও সহযোগীদের বসে থেকে প্রতিদিন বেতন দিতে হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমাকে জোরপূর্বক টাকা প্রদানে বাধ্য করেন কর্তৃপক্ষ । আমি প্রতিমাসে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পরেও আমাকে প্রায় ১৪ হাজার ইউনিট এর বিল অতিরিক্ত প্রদানের জন্য বাধ্য করা হয়। প্রথম ধাপে ৫০ হাজার টাকা জমা প্রদানের মাধ্যমে আমাকে মিটার ফেরত নিয়ে যেতে বলেন পরে কয়েকধাপে বাকি টাকা পরিশোধ করতে চুক্তি প্রদান করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এলাকাবাসি মো. লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীর আল বেনু, মোজাম হোসেন প্রমুখ। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে ধামইরহাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের এজিএম মো. আলমঙ্গীর হোসেন এর সঙ্গে একাধীকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভি করেন নাই।

 


প্রিন্ট