ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমাজ বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডেনমার্কে হামলার প্রস্তুতির নিচ্ছে রাশিয়া, দাবি ড্যানিশ গোয়েন্দা সংস্থার মেসির সম্মানে ১০ মিনিটে থামবে খেলা, এক মিনিটের করতালি বাংলাদেশে ২০০ কোটি পাউন্ড দেবে ইউকেইএফ জনগণের ভোগান্তি নিরসনে লং মার্চে অংশ নিচ্ছে এনসিপি : আখতার হোসেন ডিএমপি তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে ৬৩ জন গ্রেফতার সি ইউ সি’র উপদেষ্টা ড. প্রদীপ দেবনাথের জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা খুলনা আহছানউল্লাহ কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন চিলমারীতে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় নারীর গর্ভস্খলন ও ঘর-বাড়িতে অগ্নি সংযোগের প্রতিবাদে মানব বন্ধন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচিতে রেঞ্জ ডিআইজি

ধামইরহাটে মিটারের ত্রুটির অভিযোগে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবি প্রতিবাদে মানববন্ধন

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

 

 

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় একটি রাইস মিলে বিদ্যুৎ মিটারে ত্রুটির অভিযোগ তুলে মিটার খুলে নেওয়ার পর এক গ্রাহকের কাছে অতিরিক্ত ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সামনে নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অধিনে ধামইরহাট জোনাল অফিসে কর্মরত তিনজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

 

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, পৌর এলাকার জয়জয়পুর গ্রামে অবস্থিত একটি রাইস মিলের মালিক জাইদুল ইসলাম দীর্ঘ তিনবছর ধরে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছিল। গ্রাহকের মিটার হঠাৎ করে ত্রুটিপূর্ণ দাবি করে গত মঙ্গলবার পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের জুনিয়র প্রকৌশলী সামসুল হুদা আকন্দের উপস্থিতিতে খুলে নিয়ে যায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন। পরে ওই গ্রাহক অফিসে গেলে তার কাছে ১ লাখ ৬০ হাজার অতিরিক্ত টাকা কোন কারণ ছাড়া পরিশোধের কথা বলেন পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আসাদুজ্জামান ও সহকারি জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আলমঙ্গীর হোসেন।

 

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী মিল মালিক জাইদুল ইসলাম বলেন, “আমি নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেছি। আমার মিটার খুলে নিয়ে গিয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।” পাশাপাশি মৌসুম সময়ে আমার মিল কয়েকদিন থেকে বন্ধ রয়েছে এতে আমার মিলের ড্রাইভার ও সহযোগীদের বসে থেকে প্রতিদিন বেতন দিতে হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমাকে জোরপূর্বক টাকা প্রদানে বাধ্য করেন কর্তৃপক্ষ । আমি প্রতিমাসে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পরেও আমাকে প্রায় ১৪ হাজার ইউনিট এর বিল অতিরিক্ত প্রদানের জন্য বাধ্য করা হয়। প্রথম ধাপে ৫০ হাজার টাকা জমা প্রদানের মাধ্যমে আমাকে মিটার ফেরত নিয়ে যেতে বলেন পরে কয়েকধাপে বাকি টাকা পরিশোধ করতে চুক্তি প্রদান করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এলাকাবাসি মো. লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীর আল বেনু, মোজাম হোসেন প্রমুখ। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে ধামইরহাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের এজিএম মো. আলমঙ্গীর হোসেন এর সঙ্গে একাধীকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভি করেন নাই।

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সমাজ বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ধামইরহাটে মিটারের ত্রুটির অভিযোগে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবি প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০৯:৩০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

 

 

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় একটি রাইস মিলে বিদ্যুৎ মিটারে ত্রুটির অভিযোগ তুলে মিটার খুলে নেওয়ার পর এক গ্রাহকের কাছে অতিরিক্ত ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সামনে নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অধিনে ধামইরহাট জোনাল অফিসে কর্মরত তিনজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

 

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, পৌর এলাকার জয়জয়পুর গ্রামে অবস্থিত একটি রাইস মিলের মালিক জাইদুল ইসলাম দীর্ঘ তিনবছর ধরে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছিল। গ্রাহকের মিটার হঠাৎ করে ত্রুটিপূর্ণ দাবি করে গত মঙ্গলবার পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের জুনিয়র প্রকৌশলী সামসুল হুদা আকন্দের উপস্থিতিতে খুলে নিয়ে যায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন। পরে ওই গ্রাহক অফিসে গেলে তার কাছে ১ লাখ ৬০ হাজার অতিরিক্ত টাকা কোন কারণ ছাড়া পরিশোধের কথা বলেন পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আসাদুজ্জামান ও সহকারি জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আলমঙ্গীর হোসেন।

 

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী মিল মালিক জাইদুল ইসলাম বলেন, “আমি নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেছি। আমার মিটার খুলে নিয়ে গিয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।” পাশাপাশি মৌসুম সময়ে আমার মিল কয়েকদিন থেকে বন্ধ রয়েছে এতে আমার মিলের ড্রাইভার ও সহযোগীদের বসে থেকে প্রতিদিন বেতন দিতে হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমাকে জোরপূর্বক টাকা প্রদানে বাধ্য করেন কর্তৃপক্ষ । আমি প্রতিমাসে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পরেও আমাকে প্রায় ১৪ হাজার ইউনিট এর বিল অতিরিক্ত প্রদানের জন্য বাধ্য করা হয়। প্রথম ধাপে ৫০ হাজার টাকা জমা প্রদানের মাধ্যমে আমাকে মিটার ফেরত নিয়ে যেতে বলেন পরে কয়েকধাপে বাকি টাকা পরিশোধ করতে চুক্তি প্রদান করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এলাকাবাসি মো. লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীর আল বেনু, মোজাম হোসেন প্রমুখ। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে ধামইরহাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের এজিএম মো. আলমঙ্গীর হোসেন এর সঙ্গে একাধীকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভি করেন নাই।

 


প্রিন্ট