ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

ডিফেন্ডার তপু বর্মনের দুই গোলে ইউরোপের মাটিতে প্রথমবারের মত জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। সান মারিনো স্টেডিয়ামে শুক্রবার রাতে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলে পরাজিত করে ইতিহাস রচনা করেছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

একইসাথে ঐতিহাসিক এই জয়ের সাক্ষ্মী হয়ে থাকলেন বাংলাদেশ দলের নব নিযুক্ত কোচ থমাস ডুলি। প্রথম ম্যাচেই তাকে জয় উপহার দিয়েছে শিষ্যরা। ইউরোপীয়ান কোন দেশে ইউরোপীয়ান কোন দেশের বিপক্ষে এটাই বাংলাদেশের প্রথম কোন ম্যাচ।

ম্যাচ শেষে তাই জয়ের উদযাপনটা ছিল একটু বেশী। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে ডাগ আউট থেকে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা দৌড়ে মাঠের ভিতর চলে যান। ঐতিহাসিক এই জয়ে খেলোয়াড়রা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে উচ্ছাস প্রকাশ করেন। গ্যালারি ভর্তি প্রবাসী সর্মথকদের মধ্যে উচ্ছাসটা ছিল আরও বেশী।

বাংলাদেশের এই জয়ের নায়ক ছিলেন তপু বর্মন। দুই অর্ধে দুটি গোলই তিনি করেছেন হেডের সাহায্যে। দ্বিতীয়ার্ধে জামাল ভূইয়া বদলী বেঞ্চে চলে গেলে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড উঠে তপুর হাতে। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

এর আগে ইউরোপীয়ান কোন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ভারতে দুটি ম্যাচ খেললেও কোন জয় পায়নি বাংলাদেশ।
ম্যাচের ১৯ মিনিটে ডান দিক থেকে শেখ মোরসালিনের ক্রসে তপু বর্মন দুর্দান্ত গেডে বল জালে জড়ালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা অবশ্য বিরতির আগেই সমতায় ফিরে। ৩১ মিনিটে রাইট উইং থেকে তপু বর্মনকে কাটিয়ে ফিলিপো বেরারদি বল বাড়িয়ে দেন নিকোলাস গিয়কোপেত্তির কাছে। গিয়াকোপেত্তি ঠান্ডা মাথায় দলকে সমতায় ফেরান।

বিরতির পর ৫৩ মিনিটে সাদ উদ্দিনের ক্রস থেকে ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের শট পোস্টে না লাগলে তখনই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। ৬৮ মিনিটে বদলী খেলোয়াড় বিশ্বনাথ ঘোষ সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।

অবশেষে ৮৬ মিনিটে আসে সেই কাঙ্খিত মুহূর্ত। হামজা চৌধুরীর ফ্রি-কিক সান মারিনোর পেনাল্টি এড়িয়ায় পড়ে। বিশ্বনাথের ভলি তপুর মাথায় লেগে জালে জড়ালে আবারও এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। আর এতেই জয় নিশ্চিত হয়।

এই জয়ে থমাস ডুলি যুগের একটি ইতিবাচক শুরু হলো, যা নিয়ে বাংলাদেশ আশাবাদী হতেই পারে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

আপডেট টাইম : ১১:৫৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

ডিফেন্ডার তপু বর্মনের দুই গোলে ইউরোপের মাটিতে প্রথমবারের মত জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। সান মারিনো স্টেডিয়ামে শুক্রবার রাতে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলে পরাজিত করে ইতিহাস রচনা করেছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

একইসাথে ঐতিহাসিক এই জয়ের সাক্ষ্মী হয়ে থাকলেন বাংলাদেশ দলের নব নিযুক্ত কোচ থমাস ডুলি। প্রথম ম্যাচেই তাকে জয় উপহার দিয়েছে শিষ্যরা। ইউরোপীয়ান কোন দেশে ইউরোপীয়ান কোন দেশের বিপক্ষে এটাই বাংলাদেশের প্রথম কোন ম্যাচ।

ম্যাচ শেষে তাই জয়ের উদযাপনটা ছিল একটু বেশী। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে ডাগ আউট থেকে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা দৌড়ে মাঠের ভিতর চলে যান। ঐতিহাসিক এই জয়ে খেলোয়াড়রা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে উচ্ছাস প্রকাশ করেন। গ্যালারি ভর্তি প্রবাসী সর্মথকদের মধ্যে উচ্ছাসটা ছিল আরও বেশী।

বাংলাদেশের এই জয়ের নায়ক ছিলেন তপু বর্মন। দুই অর্ধে দুটি গোলই তিনি করেছেন হেডের সাহায্যে। দ্বিতীয়ার্ধে জামাল ভূইয়া বদলী বেঞ্চে চলে গেলে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড উঠে তপুর হাতে। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

এর আগে ইউরোপীয়ান কোন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ভারতে দুটি ম্যাচ খেললেও কোন জয় পায়নি বাংলাদেশ।
ম্যাচের ১৯ মিনিটে ডান দিক থেকে শেখ মোরসালিনের ক্রসে তপু বর্মন দুর্দান্ত গেডে বল জালে জড়ালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা অবশ্য বিরতির আগেই সমতায় ফিরে। ৩১ মিনিটে রাইট উইং থেকে তপু বর্মনকে কাটিয়ে ফিলিপো বেরারদি বল বাড়িয়ে দেন নিকোলাস গিয়কোপেত্তির কাছে। গিয়াকোপেত্তি ঠান্ডা মাথায় দলকে সমতায় ফেরান।

বিরতির পর ৫৩ মিনিটে সাদ উদ্দিনের ক্রস থেকে ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের শট পোস্টে না লাগলে তখনই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। ৬৮ মিনিটে বদলী খেলোয়াড় বিশ্বনাথ ঘোষ সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।

অবশেষে ৮৬ মিনিটে আসে সেই কাঙ্খিত মুহূর্ত। হামজা চৌধুরীর ফ্রি-কিক সান মারিনোর পেনাল্টি এড়িয়ায় পড়ে। বিশ্বনাথের ভলি তপুর মাথায় লেগে জালে জড়ালে আবারও এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। আর এতেই জয় নিশ্চিত হয়।

এই জয়ে থমাস ডুলি যুগের একটি ইতিবাচক শুরু হলো, যা নিয়ে বাংলাদেশ আশাবাদী হতেই পারে।


প্রিন্ট