ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

রাজধানীর বেইলি রোডে বসছে তিন দিনব্যাপী পাহাড়ি ফল মেলা

রাজধানীর বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে আগামী ২৭ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী পাহাড়ি ফল মেলা।

‘পাহাড়ি ফলের ঘ্রাণ, বৈচিত্র্যময় প্রাণ’-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

আগামী ২৭ জুন (শনিবার) সকাল ১০টায় পার্বত্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, বান্দরবান পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য সাচিং প্রু এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মার্মা। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণ সকলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে।

এবারের মেলায় বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার মোট ৩০টি স্টল থাকবে। মেলা প্রাঙ্গণে সাজানো থাকবে পাহাড়ের সুস্বাদু মৌসুমী ফল-আম, আনারস, কাঁঠাল, কলা থেকে শুরু করে দুর্লভ বুনো রক্তফল (রসকো), রাম্বুটান ও বুনোবেলের মতো বাহারি ফলের সমাহার। রাজধানীতে বসবাসরত নাগরিক ও দর্শনার্থীরা এখানে এসে যেমন কেমিক্যালমুক্ত টাটকা পাহাড়ি ফলের স্বাদ নিতে পারবেন, তেমনই খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন পাহাড়ি মানুষের জীবনযাত্রা, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প ও তাঁতের বুনন।

মেলা উপলক্ষ্যে প্রতি সন্ধ্যায় তিন পার্বত্য জেলা থেকে আগত নৃ-গোষ্ঠীর স্থানীয় শিল্পীরা মেলা প্রাঙ্গণে পরিবেশন করবেন তাদের ঐতিহ্যবাহী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মেলা প্রচারের লক্ষ্যে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার লাগানোর পাশাপাশি জাতীয় দৈনিক ও টিভি স্ক্রলে প্রচারণার ব্যবস্থা করা হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

রাজধানীর বেইলি রোডে বসছে তিন দিনব্যাপী পাহাড়ি ফল মেলা

আপডেট টাইম : ০২:১১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

রাজধানীর বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে আগামী ২৭ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী পাহাড়ি ফল মেলা।

‘পাহাড়ি ফলের ঘ্রাণ, বৈচিত্র্যময় প্রাণ’-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

আগামী ২৭ জুন (শনিবার) সকাল ১০টায় পার্বত্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, বান্দরবান পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য সাচিং প্রু এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মার্মা। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণ সকলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে।

এবারের মেলায় বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার মোট ৩০টি স্টল থাকবে। মেলা প্রাঙ্গণে সাজানো থাকবে পাহাড়ের সুস্বাদু মৌসুমী ফল-আম, আনারস, কাঁঠাল, কলা থেকে শুরু করে দুর্লভ বুনো রক্তফল (রসকো), রাম্বুটান ও বুনোবেলের মতো বাহারি ফলের সমাহার। রাজধানীতে বসবাসরত নাগরিক ও দর্শনার্থীরা এখানে এসে যেমন কেমিক্যালমুক্ত টাটকা পাহাড়ি ফলের স্বাদ নিতে পারবেন, তেমনই খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন পাহাড়ি মানুষের জীবনযাত্রা, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প ও তাঁতের বুনন।

মেলা উপলক্ষ্যে প্রতি সন্ধ্যায় তিন পার্বত্য জেলা থেকে আগত নৃ-গোষ্ঠীর স্থানীয় শিল্পীরা মেলা প্রাঙ্গণে পরিবেশন করবেন তাদের ঐতিহ্যবাহী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মেলা প্রচারের লক্ষ্যে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার লাগানোর পাশাপাশি জাতীয় দৈনিক ও টিভি স্ক্রলে প্রচারণার ব্যবস্থা করা হয়েছে।


প্রিন্ট