ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

ইউক্রেনের হামলার কারণে জ্বালানি সংকটের কথা স্বীকার করলেন পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন স্বীকার করেছেন যে ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার কারণে, রাশিয়ায় কিছুটা জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে।
তবে তিনি বলেছেন, এটি এখনো ‘গুরুতর নয়।

রোববার ক্রেমলিন প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গত চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেনের হামলার পর, রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণ শুরুর পর থেকেই রাশিয়ান বাহিনী ইউক্রেনের শহর, বেসামরিক নাগরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে। এর জবাবে ইউক্রেনও রাশিয়ার অভ্যন্তরে অবস্থিত তেল শোধনাগার ও অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় পাল্টা আক্রমণ পরিচালনা করে আসছে।

এসব হামলাকে ‘ন্যায্য প্রতিশোধ’ বলে দাবি করে ইউক্রেন।

পুতিন বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও বিশেষ করে জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার ক্ষেত্রে, এসব আক্রমণ আমাদের অবকাঠামোতে সমস্যা তৈরি করে। এটা স্পষ্ট।

তিনি বলেন, ‘এখন আমরা কিছুটা জ্বালানির ঘাটতি লক্ষ্য করছি, তবে এটি সংকটজনক কিছু নয়।’

তিনি আরও জানান, রাশিয়ার এখন প্রধান কাজ হলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা ও বিশেষ করে, ক্রিমিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।

সাক্ষাৎকারে রুশ প্রেসিডেন্ট আশা করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে আলোচনা করতে মস্কো সফর করবে।

রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়ার কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জ্বালানির ঘাটতি ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে। এর পেছনে ইউক্রেনের লজিস্টিক চেইন ও তেল স্থাপনাগুলোতে চালানো হামলাকে দায়ী করা হয়েছে।

রাশিয়া ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ওই অঞ্চলটি সংযুক্ত করে নেয়, তবে এই পদক্ষেপকে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ স্বীকৃতি দেয়নি।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে, ইউনাইটেড রাশিয়া দলের কংগ্রেসে দেওয়া এক ভাষণে পুতিন প্রতিশ্রুতি দেন যে রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হবে।
ইউক্রেন রাশিয়ার ভেতরে পাল্টা হামলা জোরদার করার প্রেক্ষিতে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দিলেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

ইউক্রেনের হামলার কারণে জ্বালানি সংকটের কথা স্বীকার করলেন পুতিন

আপডেট টাইম : ০১:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন স্বীকার করেছেন যে ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার কারণে, রাশিয়ায় কিছুটা জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে।
তবে তিনি বলেছেন, এটি এখনো ‘গুরুতর নয়।

রোববার ক্রেমলিন প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গত চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেনের হামলার পর, রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণ শুরুর পর থেকেই রাশিয়ান বাহিনী ইউক্রেনের শহর, বেসামরিক নাগরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে। এর জবাবে ইউক্রেনও রাশিয়ার অভ্যন্তরে অবস্থিত তেল শোধনাগার ও অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় পাল্টা আক্রমণ পরিচালনা করে আসছে।

এসব হামলাকে ‘ন্যায্য প্রতিশোধ’ বলে দাবি করে ইউক্রেন।

পুতিন বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও বিশেষ করে জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার ক্ষেত্রে, এসব আক্রমণ আমাদের অবকাঠামোতে সমস্যা তৈরি করে। এটা স্পষ্ট।

তিনি বলেন, ‘এখন আমরা কিছুটা জ্বালানির ঘাটতি লক্ষ্য করছি, তবে এটি সংকটজনক কিছু নয়।’

তিনি আরও জানান, রাশিয়ার এখন প্রধান কাজ হলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা ও বিশেষ করে, ক্রিমিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।

সাক্ষাৎকারে রুশ প্রেসিডেন্ট আশা করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে আলোচনা করতে মস্কো সফর করবে।

রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়ার কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জ্বালানির ঘাটতি ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে। এর পেছনে ইউক্রেনের লজিস্টিক চেইন ও তেল স্থাপনাগুলোতে চালানো হামলাকে দায়ী করা হয়েছে।

রাশিয়া ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ওই অঞ্চলটি সংযুক্ত করে নেয়, তবে এই পদক্ষেপকে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ স্বীকৃতি দেয়নি।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে, ইউনাইটেড রাশিয়া দলের কংগ্রেসে দেওয়া এক ভাষণে পুতিন প্রতিশ্রুতি দেন যে রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হবে।
ইউক্রেন রাশিয়ার ভেতরে পাল্টা হামলা জোরদার করার প্রেক্ষিতে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দিলেন।


প্রিন্ট