সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টায় কোটচাঁদপুর রেলস্টেশন চত্বরে কোটচাঁদপুর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি-এর আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দর্শনা স্থলবন্দর থেকে কোটচাঁদপুর-যশোর-নড়াইল রুট হয়ে পদ্মা সেতু অতিক্রম করে আন্তঃনগর প্রভাতী ট্রেন চালু করা হলে এ অঞ্চলের লাখো মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
বক্তারা আরও দাবি জানান, দর্শনা-খুলনা রেলওয়ে লাইন দ্রুত নির্মাণ করতে হবে, সকল আন্তঃনগর ট্রেনে পর্যাপ্ত সংখ্যক শোভন শ্রেণির বগি সংযোজন করতে হবে এবং কোটচাঁদপুর রেলস্টেশনের দ্বিতীয় প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের পাশাপাশি যাত্রীদের সুবিধার্থে সেখানে ছাউনি নির্মাণ করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কোটচাঁদপুর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির আহব্বায়ক -শরিফুজ্জামান আগা খান,
সদস্য সচিব -মনিরুজ্জামান শান্তি,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোটচাঁদপুর উপজেলা শাখার কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুয়াবিয়া হুসাইন, জামায়াতের পৌর মেয়র প্রার্থী প্রভাষক শরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর পৌর মেয়র পদপ্রার্থী ও সাবেক পৌর মেয়র সালাউদ্দিন বুলবুল সিডলসহ স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধন শেষে আন্দোলনকারীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের দাবিসমূহ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। বক্তারা বলেন, জনস্বার্থে উত্থাপিত এসব যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ আরও গতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 



















