ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

প্রতিশ্রুতি দিয়ে দৈহিক সম্পর্ক, ধ’র্ষণের অভিযোগ করতে পারবেন না নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আনতে পারবেন না নারী। দুজনে একসঙ্গে রয়েছেন অনেক দিন ধরে। মানসিক বন্ধনের সঙ্গে তৈরি হয়েছে শারীরিক সম্পর্কও। পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘদিনের হলেও ভবিষ্যতে বিয়ে হবে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত নন নারী। এই ধরনের সম্পর্কে পুরুষ সঙ্গীর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আনতে পারবেন না নারী, এমন নির্দেশনা জারি করেছেন সুপ্রিমকোর্ট।

ভাতরে কেন্দ্রীয় আধা-সামরিক পুলিশ বাহিনীর (সিআরপিএফ) এক ডেপুটি কম্যান্ডান্টের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন সেল ট্যাক্সের এক নারী সহকারী কমিশনার। এ ঘটনায় মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দেশটির সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রায় দিয়েছেন। ভারতের শীর্ষ এই আদালত বলছেন, দীর্ঘ ৬ বছর ধরে সম্পর্ক ছিল ওই দুই কর্মকর্তার। বিভিন্ন সময়ে একে অন্যের বাড়িতে গিয়েও থেকেছেন অনেকবার। ফলে এটা স্পষ্ট যে দুজনের মধ্যেই শারীরিক সম্পর্কও ছিল।

২০০৮ সালে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এই দুই কর্মকর্তা। তারপর ২০১৬ সালে সিআরপিএফের ওই ডেপুটি কম্যান্ডান্টের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন তার নারী সঙ্গী। অভিযোগ বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন তার প্রেমিক।
ওই নারীর অভিযোগ, তিনি সে সময় জানতে পারেন অন্য আর এক নারীর সঙ্গে তার সঙ্গীর এনগেজমেন্ট হতে চলেছে। তবে সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল এই ঘটনার দু’বছর আগেই। ২০১৪ সালে ভিন্ন জাতে বিয়ে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তার পুরুষ সঙ্গী। কিন্তু সম্পর্ক তখনও ভাঙেনি। তবে অন্য নারীর সঙ্গে সঙ্গীর ভবিষ্যৎ তৈরি হতে চলেছে শুনে আর থেমে থাকেননি তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন।

আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় একটা সম্পর্কে, ভবিষ্যতে প্রতিশ্রুতি ভাঙবে জেনেও এক পক্ষ আর এক পক্ষকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন। সেটা শুধুই হয়তো মজা কিংবা শারীরিক সম্পর্কের জন্য। আবার অনেক ক্ষেত্রে হয়তো অদূর ভবিষ্যতে বিয়ে করবেন ভেবেই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। কিন্তু পরিস্থিতির চাপে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয় না। এই দু’ধরনের বিষয়ের ক্ষেত্রে একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

প্রতিশ্রুতি দিয়ে দৈহিক সম্পর্ক, ধ’র্ষণের অভিযোগ করতে পারবেন না নারী

আপডেট টাইম : ১১:৩৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আনতে পারবেন না নারী। দুজনে একসঙ্গে রয়েছেন অনেক দিন ধরে। মানসিক বন্ধনের সঙ্গে তৈরি হয়েছে শারীরিক সম্পর্কও। পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘদিনের হলেও ভবিষ্যতে বিয়ে হবে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত নন নারী। এই ধরনের সম্পর্কে পুরুষ সঙ্গীর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আনতে পারবেন না নারী, এমন নির্দেশনা জারি করেছেন সুপ্রিমকোর্ট।

ভাতরে কেন্দ্রীয় আধা-সামরিক পুলিশ বাহিনীর (সিআরপিএফ) এক ডেপুটি কম্যান্ডান্টের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন সেল ট্যাক্সের এক নারী সহকারী কমিশনার। এ ঘটনায় মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দেশটির সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রায় দিয়েছেন। ভারতের শীর্ষ এই আদালত বলছেন, দীর্ঘ ৬ বছর ধরে সম্পর্ক ছিল ওই দুই কর্মকর্তার। বিভিন্ন সময়ে একে অন্যের বাড়িতে গিয়েও থেকেছেন অনেকবার। ফলে এটা স্পষ্ট যে দুজনের মধ্যেই শারীরিক সম্পর্কও ছিল।

২০০৮ সালে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এই দুই কর্মকর্তা। তারপর ২০১৬ সালে সিআরপিএফের ওই ডেপুটি কম্যান্ডান্টের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন তার নারী সঙ্গী। অভিযোগ বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন তার প্রেমিক।
ওই নারীর অভিযোগ, তিনি সে সময় জানতে পারেন অন্য আর এক নারীর সঙ্গে তার সঙ্গীর এনগেজমেন্ট হতে চলেছে। তবে সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল এই ঘটনার দু’বছর আগেই। ২০১৪ সালে ভিন্ন জাতে বিয়ে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তার পুরুষ সঙ্গী। কিন্তু সম্পর্ক তখনও ভাঙেনি। তবে অন্য নারীর সঙ্গে সঙ্গীর ভবিষ্যৎ তৈরি হতে চলেছে শুনে আর থেমে থাকেননি তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন।

আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় একটা সম্পর্কে, ভবিষ্যতে প্রতিশ্রুতি ভাঙবে জেনেও এক পক্ষ আর এক পক্ষকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন। সেটা শুধুই হয়তো মজা কিংবা শারীরিক সম্পর্কের জন্য। আবার অনেক ক্ষেত্রে হয়তো অদূর ভবিষ্যতে বিয়ে করবেন ভেবেই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। কিন্তু পরিস্থিতির চাপে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয় না। এই দু’ধরনের বিষয়ের ক্ষেত্রে একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া


প্রিন্ট