ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী এলপিজি নিয়ে জনগণকে জিম্মির চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থা : জ্বালানিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজায় প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ নেতারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ানো হচ্ছে; ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রেক্ষিতে সহায়তা প্রত্যাশা করছি: অর্থমন্ত্রী অঢেল সম্পদের মালিক একাধিক মামলার আসামি অমিতের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ গোবিন্দগঞ্জের ইউএনওর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির একাধিক তদন্ত হলেও অদ্যবধি কোনো রিপোর্ট প্রকাশ হয়নি: ক্ষুব্ধ জনসাধারণ নাজপুরের বিরামপুরে উপজেলা মুকুন্দপুর ইউনিয়নে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ‎ কিশোরগ্যাং কিরন রবি দাশের হামলার শিকার ঋষীধারা বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাতা অংকন ব্যাণাজীর কালীগঞ্জে বিরোধপূর্ণ জমি পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার (ভূমি), আদালতের রায় পর্যন্ত বালু ভরাটে নিষেধাজ্ঞা

আল-আমিন হত্যার রহস্য উন্মোচনের পথে পিবিআই

 

মামুন হোসেন, যশোর

 

যশোরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী আল-আমিন হোসেন (২৯) হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যার ১৩ দিনের মাথায় মামলার প্রধান পলাতক আসামি সফিয়ার রহমান টুটুলকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুইচ গিয়ার চাকু।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে কোতয়ালী থানার চূড়ামনকাটি এলাকা থেকে সফিয়ার রহমান টুটুলকে (২৮) গ্রেপ্তার করে পিবিআই যশোরের একটি দল। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে নাজিরশংকরপুর গ্রামের কোল্ড স্টোরেজের পেছনে একটি আধাপাকা বাড়ির জানালার সানশেডের ওপর থেকে চাকুটি উদ্ধার করা হয়।

পিবিআই সূত্র জানায়, গত ২০ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চৌরাস্তা মোড়ের স্বর্ণের দোকান থেকে বাড়ির উদ্দেশে বের হন আল-আমিন। বারান্দীপাড়া লিচুতলা এলাকায় পৌঁছানোর পর দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে মাদ্রাসার পেছনে একটি মেহগনি বাগানে ফেলে যায়। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।

এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে ২১ আগস্ট কোতয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তভার নেয় পিবিআই যশোর। তদন্তের অংশ হিসেবে গত ২৬ আগস্ট গোলাম রসুল (৩০) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।

এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক টুটুলের অবস্থান শনাক্ত করে পিবিআই। অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা।

পিবিআই জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি জব্দ করা হয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির

আল-আমিন হত্যার রহস্য উন্মোচনের পথে পিবিআই

আপডেট টাইম : ০৭:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

মামুন হোসেন, যশোর

 

যশোরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী আল-আমিন হোসেন (২৯) হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যার ১৩ দিনের মাথায় মামলার প্রধান পলাতক আসামি সফিয়ার রহমান টুটুলকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুইচ গিয়ার চাকু।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে কোতয়ালী থানার চূড়ামনকাটি এলাকা থেকে সফিয়ার রহমান টুটুলকে (২৮) গ্রেপ্তার করে পিবিআই যশোরের একটি দল। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে নাজিরশংকরপুর গ্রামের কোল্ড স্টোরেজের পেছনে একটি আধাপাকা বাড়ির জানালার সানশেডের ওপর থেকে চাকুটি উদ্ধার করা হয়।

পিবিআই সূত্র জানায়, গত ২০ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চৌরাস্তা মোড়ের স্বর্ণের দোকান থেকে বাড়ির উদ্দেশে বের হন আল-আমিন। বারান্দীপাড়া লিচুতলা এলাকায় পৌঁছানোর পর দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে মাদ্রাসার পেছনে একটি মেহগনি বাগানে ফেলে যায়। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।

এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে ২১ আগস্ট কোতয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তভার নেয় পিবিআই যশোর। তদন্তের অংশ হিসেবে গত ২৬ আগস্ট গোলাম রসুল (৩০) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।

এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক টুটুলের অবস্থান শনাক্ত করে পিবিআই। অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা।

পিবিআই জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি জব্দ করা হয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


প্রিন্ট