ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী এলপিজি নিয়ে জনগণকে জিম্মির চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থা : জ্বালানিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজায় প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ নেতারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ানো হচ্ছে; ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রেক্ষিতে সহায়তা প্রত্যাশা করছি: অর্থমন্ত্রী অঢেল সম্পদের মালিক একাধিক মামলার আসামি অমিতের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ গোবিন্দগঞ্জের ইউএনওর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির একাধিক তদন্ত হলেও অদ্যবধি কোনো রিপোর্ট প্রকাশ হয়নি: ক্ষুব্ধ জনসাধারণ নাজপুরের বিরামপুরে উপজেলা মুকুন্দপুর ইউনিয়নে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ‎ কিশোরগ্যাং কিরন রবি দাশের হামলার শিকার ঋষীধারা বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাতা অংকন ব্যাণাজীর কালীগঞ্জে বিরোধপূর্ণ জমি পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার (ভূমি), আদালতের রায় পর্যন্ত বালু ভরাটে নিষেধাজ্ঞা

প্রত্যাখ্যাত অভিবাসীদের ‘রিটার্ন হাবে’ পাঠাতে সম্মত ইইউভুক্ত ৫টি দেশ

আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়া অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর আগে তাদের রাখার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনে সম্মত হয়েছে পাঁচটি ইইউভুক্ত দেশ।

আগামী ১ জানুয়ারি থেকে এ উদ্যোগ শুরুর লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন ডেনমার্কের এক মন্ত্রী।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ইউরোপের বাইরে প্রত্যাবাসনকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে আলোচনার আয়োজন করা হয়। বৈঠকে ডেনমার্ক, গ্রিস, অস্ট্রিয়া, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস এই উদ্যোগে একমত হয়।

ডেনমার্কের অভিবাসনমন্ত্রী মর্টেন বোডস্কভ বলেন, ‘নতুন বছরের কাছাকাছি সময়ে আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের একটি অংশীদার দেশের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি অভিন্ন সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা করছি।’

তিনি বলেন, এসব দেশ ইইউর আশ্রয় ও অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনছে।

উগান্ডা ও রুয়ান্ডাকে সম্ভাব্য অংশীদার দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়বিষয়ক মন্ত্রী থানস প্লেভরিস বলেন, লক্ষ্য হলো ২০২৭ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের কোনো একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ চালু করা।

এ বিষয়ে আলোচনা এখন ‘অগ্রসর পর্যায়ে’ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে, শুক্রবার ডেনমার্ক জানিয়েছিল, এ ধরনের ‘রিটার্ন হাব’-এ আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত ব্যক্তিদের ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ পাঠানোর জন্য তারা প্রস্তুত থাকবে। অর্থাৎ, এটি বছরের শুরুতে নয়, বরং ২০২৭ সালের শেষ দিকে শুরু হতে পারে।

গত জুনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট কঠোর অভিবাসন নীতির অনুমোদন দেয়। এর ফলে কর্তৃপক্ষের আটক করার ক্ষমতা বাড়ানো হয় এবং ইউরোপের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হয়।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছে।

এর আগে, যুক্তরাজ্য অবৈধ অভিবাসীদেরকে রুয়ান্ডায় পাঠানোর একটি পরিকল্পনা বাতিল করে।

অন্যদিকে, ইতালির উদ্যোগে আলবেনিয়ায় অভিবাসীদের প্রক্রিয়াকরণের জন্য স্থাপিত কেন্দ্রগুলোও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং সেখানে প্রত্যাশার তুলনায় খুব কমসংখ্যক অভিবাসী পাঠানো হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির

প্রত্যাখ্যাত অভিবাসীদের ‘রিটার্ন হাবে’ পাঠাতে সম্মত ইইউভুক্ত ৫টি দেশ

আপডেট টাইম : ০৪:১২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়া অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর আগে তাদের রাখার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনে সম্মত হয়েছে পাঁচটি ইইউভুক্ত দেশ।

আগামী ১ জানুয়ারি থেকে এ উদ্যোগ শুরুর লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন ডেনমার্কের এক মন্ত্রী।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ইউরোপের বাইরে প্রত্যাবাসনকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে আলোচনার আয়োজন করা হয়। বৈঠকে ডেনমার্ক, গ্রিস, অস্ট্রিয়া, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস এই উদ্যোগে একমত হয়।

ডেনমার্কের অভিবাসনমন্ত্রী মর্টেন বোডস্কভ বলেন, ‘নতুন বছরের কাছাকাছি সময়ে আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের একটি অংশীদার দেশের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি অভিন্ন সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা করছি।’

তিনি বলেন, এসব দেশ ইইউর আশ্রয় ও অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনছে।

উগান্ডা ও রুয়ান্ডাকে সম্ভাব্য অংশীদার দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়বিষয়ক মন্ত্রী থানস প্লেভরিস বলেন, লক্ষ্য হলো ২০২৭ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের কোনো একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ চালু করা।

এ বিষয়ে আলোচনা এখন ‘অগ্রসর পর্যায়ে’ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে, শুক্রবার ডেনমার্ক জানিয়েছিল, এ ধরনের ‘রিটার্ন হাব’-এ আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত ব্যক্তিদের ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ পাঠানোর জন্য তারা প্রস্তুত থাকবে। অর্থাৎ, এটি বছরের শুরুতে নয়, বরং ২০২৭ সালের শেষ দিকে শুরু হতে পারে।

গত জুনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট কঠোর অভিবাসন নীতির অনুমোদন দেয়। এর ফলে কর্তৃপক্ষের আটক করার ক্ষমতা বাড়ানো হয় এবং ইউরোপের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হয়।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছে।

এর আগে, যুক্তরাজ্য অবৈধ অভিবাসীদেরকে রুয়ান্ডায় পাঠানোর একটি পরিকল্পনা বাতিল করে।

অন্যদিকে, ইতালির উদ্যোগে আলবেনিয়ায় অভিবাসীদের প্রক্রিয়াকরণের জন্য স্থাপিত কেন্দ্রগুলোও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং সেখানে প্রত্যাশার তুলনায় খুব কমসংখ্যক অভিবাসী পাঠানো হয়েছে।


প্রিন্ট