আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে ম্যানহাটনে প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রুদ্ধদ্বার এ আলোচনায় অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিউইয়র্কে ১২ হাজার নতুন বাড়ি নির্মাণের একটি বড় আবাসন প্রকল্প নিয়ে কথা হয়েছে।
রিপাবলিকান ট্রাম্প জানুয়ারিতে মামদানি দায়িত্ব নেওয়ার আগে তার তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। এমনকি তাকে ‘আমার ছোট কমিউনিস্ট’ (মাই লিটল কমিউনিস্ট) ও ‘পুরোপুরি পাগল’ (টোটাল নাট জব) বলেও অভিহিত করেছিলেন। তবে এরপর দুজনের মধ্যে অপ্রত্যাশিতভাবে উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
নিউইয়র্ক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প মামদানিকে বলেন, ‘আশা করি, আপনি একজন দারুণ মেয়র হবেন। আমি বলতে পারব, আপনি একজন দারুণ মেয়র হতে যাচ্ছেন। আর আপনি ভালোভাবেই শুরু করেছেন।’
ম্যানহাটনে রুদ্ধদ্বার বৈঠকটি প্রায় এক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। গত বছর মেয়র নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ের পর থেকে এটি ছিল তাদের তৃতীয় প্রকাশ্য বৈঠক।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে নিজের শহর নিউইয়র্ক সফরে আসা ট্রাম্পের বিষয়ে মামদানি বলেন, ‘শহরের প্রতি প্রেসিডেন্টের অঙ্গীকারকে আমরা স্বাগত জানাই।’
৩৪ বছর বয়সী মামদানি ‘নিউইয়র্কবাসীকে কীভাবে নিরাপদ রাখা যায়, সে বিষয়ে তার অত্যন্ত দৃঢ় মতামত’ ট্রাম্পকে জানান।
মামদানি আরও জানান, নিউইয়র্কে ১২ হাজার বাড়ি নির্মাণের একটি প্রস্তাব নিয়েও তারা আলোচনা করেছেন।
ফেব্রুয়ারিতে দুজন এ বিষয়ে প্রথম আলোচনা করেছিলেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ফেডারেল সরকারের আনুমানিক ২১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, দুজনের মধ্যে ‘অনেক মতপার্থক্য’ থাকলেও ট্রাম্পের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন তিনি।
মেয়রের সরকারি বাসভবনের সামনে অনুষ্ঠিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সব সংবাদমাধ্যমের সদস্যদের স্বাগত জানানো হবে বলে তিনি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন।
মামদানি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মতামত বা সমালোচনা যা-ই হোক না কেন, সবার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ রাখা উচিত।’
এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতে তিনি সংবাদমাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন— এমন বক্তব্য উড়িয়ে দেন ট্রাম্প।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 





















