ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঊলিপুরে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মগোপনে বিএনপি নেতা জুলাই জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার : বিমান মন্ত্রী ঢাকা-জার্কাতা অংশীদারিত্ব জোরদারে ৫ প্রস্তাব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর তৃণমূলের আস্থায় এম কফিল উদ্দিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে আলোচনায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি অনুমোদন মৃধাবাড়ি থেকে কাজলা সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত ১৫ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস প্রস্তুতি ম্যাচে কুইন্সল্যান্ডের কাছে হারলো বাংলাদেশ নারী দল কালিয়াকৈরে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে দিনরাত জেগে ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমা তৈরীর কারিগররা

দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার : বিমান মন্ত্রী

 বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার।

আজ সচিবালয়ের তিনি তার অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠককালে এ কথা বলেন।

এ সময় দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান খাতে সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

লুফথানসা বিশ্বে প্রখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় মেইনটেনেন্স রিপ্যায়ার এন্ড ওভারহল (এমআরও) স্থাপনের বিষয়ে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া দেশেই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে লুফথানসা বিমানের সঙ্গে কাজ করতে পারে।

তিনি বলেন, এছাড়া ২০১৭ সাল থেকে দেশে আসা কার্গোর ক্ষেত্রে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আরোপিত হাই রিস্ক কার্গো এন্ড মেইল স্ট্যাটাস বহাল রয়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সকল পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নিরাপত্তা অডিটে ৯০ শতাংশের বেশি রেটিং অর্জন করেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। তাই এইচআরসিএম প্রত্যাহারের বিষয়ে জার্মানির সহযোগিতা সরকারের কাম্য।

মন্ত্রী বলেন, সরকার বিমান বাংলাদেশের উন্নয়নে ১০টি এয়ারবাস ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য কাজ করছে। তবে এয়ারবাসের ডেলিভারির সময়কাল এগিয়ে আনা জরুরি।

এসময় মন্ত্রী ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের ডেলিভারি শুরু হওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব আরোপ করেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরো গভীর করার পাশাপাশি বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঊলিপুরে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মগোপনে বিএনপি নেতা

দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার : বিমান মন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৮:০৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

 বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার।

আজ সচিবালয়ের তিনি তার অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠককালে এ কথা বলেন।

এ সময় দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান খাতে সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

লুফথানসা বিশ্বে প্রখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় মেইনটেনেন্স রিপ্যায়ার এন্ড ওভারহল (এমআরও) স্থাপনের বিষয়ে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া দেশেই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে লুফথানসা বিমানের সঙ্গে কাজ করতে পারে।

তিনি বলেন, এছাড়া ২০১৭ সাল থেকে দেশে আসা কার্গোর ক্ষেত্রে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আরোপিত হাই রিস্ক কার্গো এন্ড মেইল স্ট্যাটাস বহাল রয়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সকল পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নিরাপত্তা অডিটে ৯০ শতাংশের বেশি রেটিং অর্জন করেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। তাই এইচআরসিএম প্রত্যাহারের বিষয়ে জার্মানির সহযোগিতা সরকারের কাম্য।

মন্ত্রী বলেন, সরকার বিমান বাংলাদেশের উন্নয়নে ১০টি এয়ারবাস ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য কাজ করছে। তবে এয়ারবাসের ডেলিভারির সময়কাল এগিয়ে আনা জরুরি।

এসময় মন্ত্রী ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের ডেলিভারি শুরু হওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব আরোপ করেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরো গভীর করার পাশাপাশি বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।


প্রিন্ট