ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঊলিপুরে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মগোপনে বিএনপি নেতা জুলাই জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার : বিমান মন্ত্রী ঢাকা-জার্কাতা অংশীদারিত্ব জোরদারে ৫ প্রস্তাব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর তৃণমূলের আস্থায় এম কফিল উদ্দিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে আলোচনায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি অনুমোদন মৃধাবাড়ি থেকে কাজলা সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত ১৫ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস প্রস্তুতি ম্যাচে কুইন্সল্যান্ডের কাছে হারলো বাংলাদেশ নারী দল কালিয়াকৈরে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে দিনরাত জেগে ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমা তৈরীর কারিগররা

ঊলিপুরে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মগোপনে বিএনপি নেতা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তি, সমবায় সমিতি ও এনজিও থেকে নেওয়া প্রায় ২৮ লাখ টাকা নিয়ে আত্মগোপনে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

স্থানীয় একাধিক সূত্র ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এলাকায় সুলতান মাহমুদের পরিচিতি ছিল। সেই পরিচয় ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের সূত্র ধরে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ৩ লাখ, ৫ লাখ, ৫০ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন অঙ্কের টাকা ধার ও ঋণ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া কয়েকজন নারীকে বিভিন্ন সমিতি ও এনজিও থেকে ঋণ নিতে সহযোগিতা করার কথা বলে তাদের নামে ঋণ তুলে নিয়ে সেই অর্থ নিজের কাছে রাখারও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তারা সুলতান মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও বর্তমানে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে দাবি তাদের।

সুলতান মাহমুদের হঠাৎ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে থাকা নারীরা। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে টাকা ধার দেওয়া ব্যক্তিরাও পাওনা অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মোট প্রায় ২৮ লাখ টাকা নিয়ে সুলতান মাহমুদ উধাও হয়েছেন। তারা দ্রুত তার অবস্থান শনাক্ত করে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত এবং পাওনা টাকা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তবে এ বিষয়ে মো. সুলতান মাহমুদের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়, তাই তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

অভিযোগগুলোর তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থার পাশাপাশি দলীয়ভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঊলিপুরে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মগোপনে বিএনপি নেতা

ঊলিপুরে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মগোপনে বিএনপি নেতা

আপডেট টাইম : ০৮:৪৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তি, সমবায় সমিতি ও এনজিও থেকে নেওয়া প্রায় ২৮ লাখ টাকা নিয়ে আত্মগোপনে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

স্থানীয় একাধিক সূত্র ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এলাকায় সুলতান মাহমুদের পরিচিতি ছিল। সেই পরিচয় ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের সূত্র ধরে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ৩ লাখ, ৫ লাখ, ৫০ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন অঙ্কের টাকা ধার ও ঋণ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া কয়েকজন নারীকে বিভিন্ন সমিতি ও এনজিও থেকে ঋণ নিতে সহযোগিতা করার কথা বলে তাদের নামে ঋণ তুলে নিয়ে সেই অর্থ নিজের কাছে রাখারও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তারা সুলতান মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও বর্তমানে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে দাবি তাদের।

সুলতান মাহমুদের হঠাৎ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে থাকা নারীরা। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে টাকা ধার দেওয়া ব্যক্তিরাও পাওনা অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মোট প্রায় ২৮ লাখ টাকা নিয়ে সুলতান মাহমুদ উধাও হয়েছেন। তারা দ্রুত তার অবস্থান শনাক্ত করে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত এবং পাওনা টাকা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তবে এ বিষয়ে মো. সুলতান মাহমুদের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়, তাই তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

অভিযোগগুলোর তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থার পাশাপাশি দলীয়ভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।


প্রিন্ট