ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধের চাপে মার্কিন উৎপাদন খাত, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বাড়ছে অসন্তোষ বাংলাদেশে মারুবেনির বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও দ্বিতীয় কাফকো স্থাপন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা সুনামগঞ্জে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা ভারতে গুগলের ডেটা সেন্টার নির্মাণকে ঘিরে তীব্র বিরোধিতা সাজেকে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ সুনামগঞ্জে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় বন্দর কৌশল তৈরি হচ্ছে : নৌপরিবহনমন্ত্রী সাজেকে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ ভারতের প্রযুক্তি খাতে অগ্রযাত্রা: জানার মতো ৫টি বিষয় রাজশাহী রেঞ্জ পু/লিশের অভিযানে ১৫৭ জন গ্রে/ফতার

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ঢাবিতে দাবা প্রতিযোগিতা

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে আত্মহত্যা প্রতিরোধমূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্রাইটার টুমোরো ফাউন্ডেশন (বিটিএফ) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাবা ক্লাব (ডিইউসিসি)।

আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) আয়োজিত ‘বিটিএফ-ডিইউসিসি ফিদে র‌্যাপিড রেটেড চেস চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’ শীর্ষক এ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের একশ শিক্ষার্থী অংশ নেন। তরুণদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মননশীলতা ও ইতিবাচক চিন্তার বিকাশের লক্ষ্যে দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়।

প্রতিযোগিতাটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল-কলেজ—এই দুই বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি বিভাগে অর্জিত পয়েন্ট ও চূড়ান্ত অবস্থানের ভিত্তিতে সেরা ১০ জন দাবাড়ুকে পুরস্কৃত করা হয়। দুই বিভাগের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের যথাক্রমে আট হাজার, ছয় হাজার ও পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান অধিকারীরা প্রত্যেকে তিন হাজার টাকা করে পান। ষষ্ঠ থেকে দশম স্থান অধিকারীদের দেওয়া হয় পদক।

বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগে ৬ দশমিক ৫ পয়েন্ট অর্জন করে চ্যাম্পিয়ন হন সুব্রত বিশ্বাস। ছয় পয়েন্ট নিয়ে প্রথম রানারআপ হন মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং ৫ দশমিক ৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় রানারআপ হন অমিত বিক্রম রায়।

এ বিভাগে চতুর্থ স্থান অধিকার করেন এ এস এম সয়েব রেজা, পঞ্চম তানভীর আলম, ষষ্ঠ তাহমিদুল হক, সপ্তম মাইনুল আলম, অষ্টম রাকিবুল হাসান ইমন, নবম মো. রাইসান ইসলাম রাতুল এবং দশম আবরার রহমান।

স্কুল-কলেজ বিভাগে ৬ দশমিক ৫ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন রায়ান রশিদ মুগ্ধ। ছয় পয়েন্ট পেয়ে প্রথম রানারআপ হন মো. আজমাঈন পারভেজ সায়র এবং ৫ দশমিক ৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় রানারআপ হন সাফায়াত কিবরিয়া আজান।

এ বিভাগে চতুর্থ স্থান অধিকার করেন সিয়াম চৌধুরী, পঞ্চম শাদাত কিবরিয়া আয়ান, ষষ্ঠ আজরাফ আনান, সপ্তম আওসাফ চৌধুরী, অষ্টম মুহতাদি তাজওয়ার নাশীদ, নবম রাইয়ান সায়েদী এবং দশম মোহাম্মদ মাহীন রহমান।

বিকেলে পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাইটার টুমোরো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জয়শ্রী জামান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও ডিআইজি ড. শোয়েব রিয়াজ আলম, ফেডারেশনের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ফিদে মাস্টার মেহেদী হাসান পরাগ, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. ফারজানা রহমান, ইনার হুইল ক্লাব অব লবেলিয়ার প্রেসিডেন্ট সাজেদা আক্তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাবা ক্লাবের সভাপতি ফারিহা সুমনা । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাবা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. সাজিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. ফারজানা রহমান বলেন, দাবা খেলা মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত দাবা চর্চায় মনোযোগ, চিন্তাশক্তি, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ।

ইনার হুইল ক্লাব অব লবেলিয়ার প্রেসিডেন্ট সাজেদা আক্তার বলেন, বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোনের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যার মুখে ফেলছে। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক, সৃজনশীল ও গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে জয়শ্রী জামান বলেন, খেলাধুলা, বিনোদন ও সংস্কৃতির চর্চা মানুষের মানসিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সুন্দর ও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করা গেলে মানুষের মধ্যে বিষণ্নতা কমাতে সহায়তা করা সম্ভব। এ চিন্তা থেকেই দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে গিয়ে খেলাধুলার সঙ্গে আত্মহত্যা প্রতিরোধের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে তার বিশ্বাস, মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে মানুষের জীবনযাপনে ইতিবাচক ও সৃজনশীল কার্যক্রমের চর্চা বাড়ানো জরুরি। দাবার মতো বুদ্ধিবৃত্তিক খেলাকে অবহেলা না করে এর বিকাশে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে জয়শ্রী জামান বলেন, জীবনের সিদ্ধান্তগুলো দাবার চালের মতো ভেবেচিন্তে নিতে হবে, যাতে ভুল পদক্ষেপের কারণে বড় ক্ষতি না হয়। আত্মহত্যা ও বিষণ্নতাকে না বলার পাশাপাশি মানসিক শক্তি ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মানসিক কষ্ট একা একা চেপে না রেখে অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কখনো মনের মধ্যে কোনো কষ্ট চাপা রাখবে না। কারও সঙ্গে শেয়ার করলে অনেকটা হালকা হওয়া যায়।’ এ প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘তোমার গোপন কথাটি, সখী, রেখো না মনে’ পঙ্ক্তির কথাও স্মরণ করেন তিনি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধের চাপে মার্কিন উৎপাদন খাত, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বাড়ছে অসন্তোষ

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ঢাবিতে দাবা প্রতিযোগিতা

আপডেট টাইম : ১০:৪৬:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে আত্মহত্যা প্রতিরোধমূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্রাইটার টুমোরো ফাউন্ডেশন (বিটিএফ) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাবা ক্লাব (ডিইউসিসি)।

আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) আয়োজিত ‘বিটিএফ-ডিইউসিসি ফিদে র‌্যাপিড রেটেড চেস চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’ শীর্ষক এ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের একশ শিক্ষার্থী অংশ নেন। তরুণদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মননশীলতা ও ইতিবাচক চিন্তার বিকাশের লক্ষ্যে দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়।

প্রতিযোগিতাটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল-কলেজ—এই দুই বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি বিভাগে অর্জিত পয়েন্ট ও চূড়ান্ত অবস্থানের ভিত্তিতে সেরা ১০ জন দাবাড়ুকে পুরস্কৃত করা হয়। দুই বিভাগের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের যথাক্রমে আট হাজার, ছয় হাজার ও পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান অধিকারীরা প্রত্যেকে তিন হাজার টাকা করে পান। ষষ্ঠ থেকে দশম স্থান অধিকারীদের দেওয়া হয় পদক।

বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগে ৬ দশমিক ৫ পয়েন্ট অর্জন করে চ্যাম্পিয়ন হন সুব্রত বিশ্বাস। ছয় পয়েন্ট নিয়ে প্রথম রানারআপ হন মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং ৫ দশমিক ৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় রানারআপ হন অমিত বিক্রম রায়।

এ বিভাগে চতুর্থ স্থান অধিকার করেন এ এস এম সয়েব রেজা, পঞ্চম তানভীর আলম, ষষ্ঠ তাহমিদুল হক, সপ্তম মাইনুল আলম, অষ্টম রাকিবুল হাসান ইমন, নবম মো. রাইসান ইসলাম রাতুল এবং দশম আবরার রহমান।

স্কুল-কলেজ বিভাগে ৬ দশমিক ৫ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন রায়ান রশিদ মুগ্ধ। ছয় পয়েন্ট পেয়ে প্রথম রানারআপ হন মো. আজমাঈন পারভেজ সায়র এবং ৫ দশমিক ৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় রানারআপ হন সাফায়াত কিবরিয়া আজান।

এ বিভাগে চতুর্থ স্থান অধিকার করেন সিয়াম চৌধুরী, পঞ্চম শাদাত কিবরিয়া আয়ান, ষষ্ঠ আজরাফ আনান, সপ্তম আওসাফ চৌধুরী, অষ্টম মুহতাদি তাজওয়ার নাশীদ, নবম রাইয়ান সায়েদী এবং দশম মোহাম্মদ মাহীন রহমান।

বিকেলে পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাইটার টুমোরো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জয়শ্রী জামান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও ডিআইজি ড. শোয়েব রিয়াজ আলম, ফেডারেশনের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ফিদে মাস্টার মেহেদী হাসান পরাগ, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. ফারজানা রহমান, ইনার হুইল ক্লাব অব লবেলিয়ার প্রেসিডেন্ট সাজেদা আক্তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাবা ক্লাবের সভাপতি ফারিহা সুমনা । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাবা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. সাজিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. ফারজানা রহমান বলেন, দাবা খেলা মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত দাবা চর্চায় মনোযোগ, চিন্তাশক্তি, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ।

ইনার হুইল ক্লাব অব লবেলিয়ার প্রেসিডেন্ট সাজেদা আক্তার বলেন, বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোনের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যার মুখে ফেলছে। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক, সৃজনশীল ও গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে জয়শ্রী জামান বলেন, খেলাধুলা, বিনোদন ও সংস্কৃতির চর্চা মানুষের মানসিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সুন্দর ও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করা গেলে মানুষের মধ্যে বিষণ্নতা কমাতে সহায়তা করা সম্ভব। এ চিন্তা থেকেই দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে গিয়ে খেলাধুলার সঙ্গে আত্মহত্যা প্রতিরোধের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে তার বিশ্বাস, মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে মানুষের জীবনযাপনে ইতিবাচক ও সৃজনশীল কার্যক্রমের চর্চা বাড়ানো জরুরি। দাবার মতো বুদ্ধিবৃত্তিক খেলাকে অবহেলা না করে এর বিকাশে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে জয়শ্রী জামান বলেন, জীবনের সিদ্ধান্তগুলো দাবার চালের মতো ভেবেচিন্তে নিতে হবে, যাতে ভুল পদক্ষেপের কারণে বড় ক্ষতি না হয়। আত্মহত্যা ও বিষণ্নতাকে না বলার পাশাপাশি মানসিক শক্তি ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মানসিক কষ্ট একা একা চেপে না রেখে অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কখনো মনের মধ্যে কোনো কষ্ট চাপা রাখবে না। কারও সঙ্গে শেয়ার করলে অনেকটা হালকা হওয়া যায়।’ এ প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘তোমার গোপন কথাটি, সখী, রেখো না মনে’ পঙ্ক্তির কথাও স্মরণ করেন তিনি।


প্রিন্ট