ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মা-ইলিশ রক্ষা নিষেধাজ্ঞা: সাগরে নামার আগেই ঋণের জালে আব্দুল মান্নান কালীগঞ্জে ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বাঁশের খুঁটি স্থাপনের অভিযোগ প্যারিসের কয়েকটি এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, ট্রাম্পের দিকে মাখোঁর কটাক্ষ দিনাজপুরের বিরামপুরে ৪ নং দিওড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান কৃষি জমিতে মাছ চাষের নামে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ এল নিনোর প্রভাবে পেরুতে দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু দীর্ঘ ৯ বছর পর কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভাল শুরু কাল এআই ব্যবসা বাড়াতে নতুন শেয়ার ছাড়ছে মেটা, নজরে মিউজ সুরা বালাদে মানুষের জন্য যে শিক্ষা রয়েছে মালয়েশিয়ায় একটি অফিস থেকে ২০টির বেশি বাংলাদেশি পাসপোর্ট উদ্ধার

এল নিনোর প্রভাবে পেরুতে দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু

এল নিনোর প্রভাবে সৃষ্ট দাবানলে পেরুতে জুন থেকে এখন পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গৃহহীন হয়েছেন কয়েকশ মানুষ।

বুধবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

জাতীয় জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্র (সিওইএন) জানায়, মৃতদের বেশির ভাগই কৃষক। দাবানল নেভানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তারা আহত হন। পরে তাদের মৃত্যু হয়।

লিমা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

দাবানলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুসকো অঞ্চল। চলতি মাসের শুরুর দিকে সেখানে ইনকা সভ্যতার নিদর্শন মাচু পিচুর কাছেই একটি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে।

জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত পেরুতে মোট ৪৫৭টি দাবানলের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

লিমার সায়েন্টিফিক ইউনিভার্সিটি অব দ্য সাউথের জীববিজ্ঞানী ড্যানিয়েল ভালে বলেন, এল নিনোর কারণে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া ও শুষ্ক আবহাওয়ার সৃষ্টি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

তিনি এএফপিকে বলেন, ‘এল নিনোর প্রভাবে পুরো পেরুর ওপর প্রচণ্ড গরম ও শুষ্ক বাতাসের বিশাল স্তর তৈরি হয়েছে।’

আবার ফসল ফলানোর জন্য জমি পরিষ্কার করতে কৃষকেরা প্রায়ই ঝোপঝাড়ে আগুন দেন। এসব আগুন থেকেই অনেক সময় দাবানলের সূত্রপাত হয়। দাবানলে এক হাজার হেক্টরের বেশি কৃষিজমি পুড়ে গেছে এবং ধ্বংস হয়েছে প্রায় ১০০টি বাড়ি।

এ ছাড়া ১২ হাজার হেক্টর প্রাকৃতিক উদ্ভিদও আগুনে পুড়ে গেছে।

সিওইএন জানায়, বুধবার আন্দিজ পর্বতমালা ও পেরুর আমাজন অঞ্চলে সাতটি দাবানল জ্বলছিল।

এল নিনো একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়াজনিত ঘটনা। এর ফলে প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের মধ্য ও পূর্ব অংশের উপরিভাগের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এতে বিশ্বজুড়ে বাতাসের প্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসে।

চলতি বছরের ‘সুপার’ এল নিনো ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে এরই মধ্যে মধ্য আমেরিকাসহ কয়েকটি অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। খরার কারণে সেখানে প্রাণীও মারা যাচ্ছে।

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মা-ইলিশ রক্ষা নিষেধাজ্ঞা: সাগরে নামার আগেই ঋণের জালে আব্দুল মান্নান

এল নিনোর প্রভাবে পেরুতে দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০২:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

এল নিনোর প্রভাবে সৃষ্ট দাবানলে পেরুতে জুন থেকে এখন পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গৃহহীন হয়েছেন কয়েকশ মানুষ।

বুধবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

জাতীয় জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্র (সিওইএন) জানায়, মৃতদের বেশির ভাগই কৃষক। দাবানল নেভানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তারা আহত হন। পরে তাদের মৃত্যু হয়।

লিমা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

দাবানলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুসকো অঞ্চল। চলতি মাসের শুরুর দিকে সেখানে ইনকা সভ্যতার নিদর্শন মাচু পিচুর কাছেই একটি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে।

জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত পেরুতে মোট ৪৫৭টি দাবানলের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

লিমার সায়েন্টিফিক ইউনিভার্সিটি অব দ্য সাউথের জীববিজ্ঞানী ড্যানিয়েল ভালে বলেন, এল নিনোর কারণে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া ও শুষ্ক আবহাওয়ার সৃষ্টি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

তিনি এএফপিকে বলেন, ‘এল নিনোর প্রভাবে পুরো পেরুর ওপর প্রচণ্ড গরম ও শুষ্ক বাতাসের বিশাল স্তর তৈরি হয়েছে।’

আবার ফসল ফলানোর জন্য জমি পরিষ্কার করতে কৃষকেরা প্রায়ই ঝোপঝাড়ে আগুন দেন। এসব আগুন থেকেই অনেক সময় দাবানলের সূত্রপাত হয়। দাবানলে এক হাজার হেক্টরের বেশি কৃষিজমি পুড়ে গেছে এবং ধ্বংস হয়েছে প্রায় ১০০টি বাড়ি।

এ ছাড়া ১২ হাজার হেক্টর প্রাকৃতিক উদ্ভিদও আগুনে পুড়ে গেছে।

সিওইএন জানায়, বুধবার আন্দিজ পর্বতমালা ও পেরুর আমাজন অঞ্চলে সাতটি দাবানল জ্বলছিল।

এল নিনো একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়াজনিত ঘটনা। এর ফলে প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের মধ্য ও পূর্ব অংশের উপরিভাগের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এতে বিশ্বজুড়ে বাতাসের প্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসে।

চলতি বছরের ‘সুপার’ এল নিনো ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে এরই মধ্যে মধ্য আমেরিকাসহ কয়েকটি অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। খরার কারণে সেখানে প্রাণীও মারা যাচ্ছে।

 


প্রিন্ট