ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তাহিরপুরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: কমিটি থাকলেও মাঠ প্রস্তুত ছিল না উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক উত্তরায় ট্রাফিক বিভাগের কল্যাণ সভা, পেশাগত দক্ষতায় শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত মানিক পশারীর জানাজায় অনুপস্থিত, পাঁচ দিন পর মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধারা সাতক্ষীরায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ রূপগঞ্জে যুবলীগ নেতা আজিজুল মালুমের বিরুদ্ধে দলীয় পরিচয় বদল ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগ উত্তরখানে তুরাগ নদীর ঘাট থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার ম/রদেহ উ/দ্ধার, পরিবারের দাবি হ/ত্যাকাণ্ড ফারাক্কার প্রভাব মোকাবিলায় পদ্মা-তিস্তা ব্যারাজ চান রিজভী যৌন হয়রানির মামলায় একজনের তিন বছরের কারাদণ্ড মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

২০ দেশের অংশগ্রহণে রাজধানীতে পর্যটন মেলা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার আগারগাঁওয়ে একটি সম্মেলন কেন্দ্রে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী তিন দিনব্যাপী এ মেলা উদ্বোধন করেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন নাহার চৌধুরী আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) আয়োজিত মেলার ১৪তম আসরের উদ্বোধন করেন। তিনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত এ প্রদর্শনীর প্রতিপাদ্য ‘এআই-পাওয়ার্ড ট্যুরিজম, সাসটেইনেবল ডেস্টিনেশন’।

আয়োজক বাংলাদেশ ছাড়াও মেলায় অংশ নিচ্ছে মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব ও আজারবাইজান।

মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন ও নেপাল অংশীদার দেশ হিসেবে মেলায় অংশ নিচ্ছে।

পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী এবং ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কইনোলেট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

নুরুন নাহার চৌধুরী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের বিকাশে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন খাত নতুন যুগে প্রবেশ করছে।’

সচিব বলেন, বিটিটিএফের মতো আন্তর্জাতিক আয়োজন বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল পর্যটনচর্চায় উৎসাহ জোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশ্বের প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে সরকার, বেসরকারি খাত ও অন্যান্য অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

এ প্রদর্শনী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে । এতে ট্যুর অপারেটর, বিমান সংস্থা, হোটেল, ভ্রমণসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং পর্যটনশিল্পের পেশাজীবীরা অংশ নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন, বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

আয়োজকদের তথ্যমতে, মেলায় ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল, ২২০টির বেশি প্রদর্শক, ২৫০ জনের বেশি যোগ্য ক্রেতা এবং ২ হাজার ৫০০-এর বেশি বাণিজ্যিক দর্শনার্থী অংশ নিচ্ছেন।

তিন দিনে মেলায় ৬০ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চারটি বিষয়ভিত্তিক হলে আয়োজিত এ প্রদর্শনী দেশি-বিদেশি পর্যটন খাতের অংশীজনদের মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ বলেন, সফলভাবে ১৩টি আসর আয়োজনের ধারাবাহিকতায় বিটিটিএফ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম উল্লেখযোগ্য পর্যটন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, বিটিটিএফ ২০২৬-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের সামনে বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণ তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে দেশের পর্যটন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিদেশি অংশীদারদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

তিনি বলেন, ‘এই মেলার মাধ্যমে দেশীয় পর্যটনকে প্রাসঙ্গিক ও সমসাময়িকভাবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে আমাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার এবং নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ সৃষ্টিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

আয়োজকরা জানান, এবারের প্রদর্শনীতে পর্যটনসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং টেকসই পর্যটন গন্তব্য ও পরিবেশবান্ধব ভ্রমণচর্চার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাওসার চৌধুরী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স মেলার টাইটেল স্পন্সর এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এয়ারলাইন পার্টনার হিসেবে রয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, এনএসডিএ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) এ আয়োজনকে সহযোগিতা করছে।

মেলা প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তাহিরপুরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: কমিটি থাকলেও মাঠ প্রস্তুত ছিল না

২০ দেশের অংশগ্রহণে রাজধানীতে পর্যটন মেলা শুরু

আপডেট টাইম : ০৬:২৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার আগারগাঁওয়ে একটি সম্মেলন কেন্দ্রে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী তিন দিনব্যাপী এ মেলা উদ্বোধন করেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন নাহার চৌধুরী আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) আয়োজিত মেলার ১৪তম আসরের উদ্বোধন করেন। তিনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত এ প্রদর্শনীর প্রতিপাদ্য ‘এআই-পাওয়ার্ড ট্যুরিজম, সাসটেইনেবল ডেস্টিনেশন’।

আয়োজক বাংলাদেশ ছাড়াও মেলায় অংশ নিচ্ছে মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব ও আজারবাইজান।

মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন ও নেপাল অংশীদার দেশ হিসেবে মেলায় অংশ নিচ্ছে।

পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী এবং ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কইনোলেট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

নুরুন নাহার চৌধুরী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের বিকাশে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন খাত নতুন যুগে প্রবেশ করছে।’

সচিব বলেন, বিটিটিএফের মতো আন্তর্জাতিক আয়োজন বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল পর্যটনচর্চায় উৎসাহ জোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশ্বের প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে সরকার, বেসরকারি খাত ও অন্যান্য অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

এ প্রদর্শনী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে । এতে ট্যুর অপারেটর, বিমান সংস্থা, হোটেল, ভ্রমণসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং পর্যটনশিল্পের পেশাজীবীরা অংশ নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন, বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

আয়োজকদের তথ্যমতে, মেলায় ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল, ২২০টির বেশি প্রদর্শক, ২৫০ জনের বেশি যোগ্য ক্রেতা এবং ২ হাজার ৫০০-এর বেশি বাণিজ্যিক দর্শনার্থী অংশ নিচ্ছেন।

তিন দিনে মেলায় ৬০ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চারটি বিষয়ভিত্তিক হলে আয়োজিত এ প্রদর্শনী দেশি-বিদেশি পর্যটন খাতের অংশীজনদের মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ বলেন, সফলভাবে ১৩টি আসর আয়োজনের ধারাবাহিকতায় বিটিটিএফ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম উল্লেখযোগ্য পর্যটন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, বিটিটিএফ ২০২৬-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের সামনে বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণ তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে দেশের পর্যটন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিদেশি অংশীদারদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

তিনি বলেন, ‘এই মেলার মাধ্যমে দেশীয় পর্যটনকে প্রাসঙ্গিক ও সমসাময়িকভাবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে আমাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার এবং নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ সৃষ্টিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

আয়োজকরা জানান, এবারের প্রদর্শনীতে পর্যটনসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং টেকসই পর্যটন গন্তব্য ও পরিবেশবান্ধব ভ্রমণচর্চার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাওসার চৌধুরী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স মেলার টাইটেল স্পন্সর এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এয়ারলাইন পার্টনার হিসেবে রয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, এনএসডিএ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) এ আয়োজনকে সহযোগিতা করছে।

মেলা প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।


প্রিন্ট