রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
পিএসএলের ফাইনাল দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত সচিব খোরশেদ আলম সংসদ গ্রন্থাগারের প্রকাশিত বুলেটিন সকল সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সুপারিশ ভোলায় জেলেদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন গণতন্ত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে : স্পিকার বিমানের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন, প্রথম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ভুরুঙ্গামারীতে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনে রুবেলের মৃত্যু রেল ভ্রমণ নিরাপদ করতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে : রেলপথ মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী যশোর যাচ্ছেন কাল ১৬ বছর পর আবারও সম্প্রচারে ফিরছে চ্যানেল ওয়ান

নৌ উপদেষ্টার গাড়ি আটকে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, বন্দর চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় নৌপরিবহন উপদেষ্টার গাড়ি আটকিয়ে বিক্ষোভ করেছে আন্দোলনরত শ্রমিক কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার কিছু আগে কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে বন্দর থেকে বের হওয়ার সময় উপদেষ্টার গাড়ি আটকিয়ে দেওয়া হয়। এসময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের বন্দর ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়।

এসময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের বন্দর ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বন্দরের চলমান সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন নৌ উপদেষ্টা।

জানা গেছে, নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন সরাসরি ঢাকা থেকে সকাল সোয়া ১০টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। পৌনে ১১টার দিকে উপদেষ্টাকে বহনকারী গাড়ি বন্দর ভবনের অদূরে কাস্টমস মোড়ে পৌঁছায়। সামনে-পেছনে পুলিশের নিরাপত্তার গাড়ি ছিল।উপদেষ্টার পেছনের গাড়িতে ছিলেন বন্দর চেয়ারম্যান, যিনি বিমানবন্দর থেকে উপদেষ্টাকে নিয়ে বন্দর ভবনে আসছিলেন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা চট্টগ্রাম বন্দরে আসার খবর পেয়ে সকাল থেকেই আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। শত, শত শ্রমিক-কর্মচারী চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের অদূরে ৪ নম্বর জেটি গেট থেকে কাস্টমস মোড়সহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেয়। পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও বন্দরের নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা সকাল থেকেই অন্যান্যদিনের চেয়ে বাড়তি কঠোর অবস্থানে আছেন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টার গাড়িবহর কাস্টমস মোড়ে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই আশপাশে থেকে আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীরা বেরিয়ে আসেন। তারা স্লোগান দিতে দিতে গাড়িবহর আটকে দেন। পরবর্তী সময় নৌ উপদেষ্টা গাড়ি থেকে নেমে তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

নৌ উপদেষ্টা বলেন, আমি চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্সে তিন বছর ছিলাম। আমার দেশের ক্ষতি হোক এমন কিছু আমি চাই না।

এসময় আন্দোলনকারীরা বন্দর চেয়ারম্যানের অপসরণের দাবি জানান। ইব্রাহীম খোকন নামের একজন আন্দোলনকারী বলেন, ‘আমরা চট্টগ্রাম বন্দরকে ওউন করি। আমি এই বন্দরে ৩২ বছর ধরে চাকরি করছি। চট্টগ্রাম বন্দরে কোনো মাফিয়া না থাকুক, এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা। গত দেড় বছর ধরে বন্দরের চেয়ারম্যান আমাদের বিরুদ্ধে এমন কোনো হীন ব্যবস্থা নেই, যা তিনি নেননি। ওনার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিন ঘণ্টায়ও দেখা করেন না।’

এ সময় আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে উপদেষ্টা সাখাওয়াত বলেন, আপনাদের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলব। গত দেড় বছর আপনাদের সাথে কাজ করছি।আমি আপনাদের কথা শুনব। আপনাদেরও আমার কথা শুনতে হবে।

এরপর উপদেষ্টা বন্দর ভবনে যান এবং সেখানে বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

ইব্রাহীম খোকন বলেন, আমরা উপদেষ্টাকে আমাদের দাবির কথা বলেছি। বন্দর চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবি জানিয়েছি। তিনি আমাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

উল্লেখ্য, লাগাতার কর্মবিরতির কারণে বৃহস্পতিবারও চট্টগ্রাম বন্দরে পুরোপুরি অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সকাল থেকে বন্দর দিয়ে কোনো কনটেইনার বন্দরে প্রবেশ করেনি, জাহাজীকরণও হয়নি, পণ্য ডেলিভারিও বরাবরের মতো বন্ধ আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com