নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। তাঁর আইনজীবীদের ভাষ্য, এই মামলায় জামিন মঞ্জুর হওয়ায় কারামুক্তির পথে আর কোনো আইনি বাধা নেই। ফলে শিগগিরই তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে এই জামিন হয়। আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. মনসুরুল হক চৌধুরী ও মোতাহার হোসেন সাজু, আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।
পরে আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই মামলায় খায়রুল হককে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে ৯টি মামলার সব কটিতেই তিনি এখন জামিনে আছেন। এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে আর কোনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তার না দেখালে তার কারা মুক্তিতে বাধা নেই।’
এ বি এম খায়রুল হককে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে গত ১৭ মে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ। গত রবিবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ আবেদনটি নিষ্পত্তি করে আদেশ দেন। এর ফলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল আছে বলে জানান খায়রুল হকের আইনজীবীরা।
বনানী থানার হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর মহাখালীর সেতু ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে শাহবাগের দিকে যাওয়ার পথে তাদের ওপর হামলা, গুলিবর্ষণ, ককটেল-হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়।
এতে উজ্জ্বল মিয়াসহ ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। এ ঘটনায় উজ্জ্বল মিয়া বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ওই মামলা করেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 






















