রিপোর্টার শাফায়েত হোসেনঃ
পুরুষের হাজার কষ্ট ,কত মানুষই বা তা বুঝতে পারে? বাস্তব জীবনে চলতে চলতে অনেক কিছু দেখেছি, অনেক কিছু শিখেছি। বুঝেছি, পুরুষের জীবনও অনেক সময় ভীষণ অবহেলিত ও নীরব কষ্টে ভরা।
একজন পুরুষ দিনের পর দিন রোদ-বৃষ্টি, ঝড়-কাদা উপেক্ষা করে পরিশ্রম করে। তারও স্বপ্ন থাকে ,যে মানুষটিকে ভালোবাসে, তাকে নিয়ে সুন্দর একটি জীবন গড়বে। সারাদিনের ক্লান্তি শেষে সে যখন প্রিয় মানুষটির কাছে একটু মানসিক শান্তি, ভালোবাসা ও আপন করে নেওয়ার অনুভূতি খুঁজে, তখন অনেক সময় সেখানেও সে শান্তি পায় না।
কারণ পুরুষও মানুষ। তারও অনুভূতি আছে, অভিমান আছে, চোখের আড়ালে লুকিয়ে রাখা কান্না আছে। কিন্তু সমাজ অনেক সময় তাকে কাঁদার সুযোগও দেয় না। বলা হয় তুমি পুরুষ, তোমাকে শক্ত হতে হবে। তাই বুকভরা কষ্ট নিয়েও তাকে হাসতে হয়, নীরবে সবকিছু সহ্য করতে হয়।
অনেক পুরুষ ভালোবাসার মানুষটিকে না পাওয়ার কষ্ট, অবহেলা, একাকিত্ব, মানসিক চাপ ও জীবনের নানা সংগ্রাম বুকে নিয়ে পথ চলে। কেউ তার ভেতরের গল্পটা জানতে চায় না। বাইরে থেকে শক্ত দেখালেও ভেতরে ভেতরে সে কতটা ভেঙে পড়েছে,তা হয়তো কেউ জানতেও পারে না।
আমি মোহাম্মদ শাফায়াত হোসেন। জীবনের পথ চলতে চলতে একটি কথা বুঝেছি ,মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেয়ে বড় কিছু নেই। অসহায় মানুষের মুখে একটু হাসি ফোটাতে পারলে, কারও বিপদের সময় পাশে দাঁড়াতে পারলে, আমার কাছে সেটাই অনেক বড় পাওয়া।
আমার নিজের বুকেও অনেক চাপা কষ্ট আছে, অনেক না-বলা কথা আছে। তবুও আমি মানুষের পাশে থাকতে চাই। কারণ আমি বিশ্বাস করি, মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া একজন মানুষকে আবারও নতুন করে বাঁচার শক্তি দিতে পারে।
আল্লাহ পাকের ইচ্ছা, মা-বাবার দোয়া এবং অসহায় মানুষের ভালোবাসা এই তিনটিই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভরসা।
জীবন যত কঠিনই হোক, আমি চাই কষ্টকে শক্তিতে পরিণত করে মানুষের পাশে থেকে পথ চলতে।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 





















