ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‎বাংলাদেশ ডিবেটিং সোসাইটি ঐতিহ্যবাহী উপহার দেন খুলনা আর্ট একাডেমির সংগ্রহশালায় নীল শাড়িতে রাজকীয় সাজে নজর কাড়লেন কৌশানি যোগ্য স্থানে যোগ্য ব্যক্তি—উন্নয়নের মূল শর্ত ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাবির ১০৮ নবীন শিক্ষককে নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা নরসিংদীর শিবপুরে ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বি আইডব্লিউটিএ ও ব্যবসায়ীদের দ্বন্ধ অবসানে প্রশাসনের সভা নারী অধিকারকর্মী, সংস্থা ও এআই গবেষকের অল্টারনেটিভ নোবেল জয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব করল বিএফআইইউ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে ব্যবসার সুযোগ দিতে হবে: জামায়াত আমির

ঠাকুরগাঁওয়ে সরিষার তেল উৎপাদনে দুই উদ্যোক্তাকে মেশিন প্রদান

স্বাস্থ্যকর ভোজ্য তেলের উৎপাদন ও স্থানীয়ভাবে সরিষার তেলের বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সদর উপজেলায় দুই উদ্যোক্তাকে তেল ভাঙানোর মেশিন দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে ‘তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’-এর আওতায় সদর উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তাদের হাতে মেশিন দুটি তুলে দেওয়া হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসিরুল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফাড়াবাড়ী এলাকার দক্ষিণ বঠিনা গ্রামের উদ্যোক্তা হারুনুর রশিদ ও শিবগঞ্জ এলাকার মিলন সরকারের কাছে মেশিন দুটি হস্তান্তর করেন।

এ সময় সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ আল মুজাহিদ, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা নিহার রঞ্জন রায়সহ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ মৌসুমে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় সদর উপজেলার ২ হাজার ৬৩০ জন কৃষককে সরিষার বীজ ও সার প্রণোদনা হিসেবে দেওয়া হয়।

জেলার ৬টি উপজেলায় মোট ১৫ হাজার কৃষককে এ প্রণোদনার আওতায় বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ১৭ হাজার ৩০৫ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে।

এর মধ্যে সদর উপজেলায় আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে। জেলায় হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ১ দশমিক ৫১ মেট্রিক টন হিসাবে এবার মোট ১১ হাজার ৩১ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদিত হয়েছে।

শুধু সদর উপজেলাতেই উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ২২৮ মেট্রিক টন সরিষা, যা এ অঞ্চলে সরিষা উৎপাদনে অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

কৃষি বিভাগ জানায়, সরিষার এই বাম্পার উৎপাদন স্থানীয় পর্যায়ে কাজে লাগিয়ে ভোক্তাদের কাছে মানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর সরিষার তেল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রকল্পের আওতায় জেলায় ছয়টি এবং সদর উপজেলায় দুটি তেল ভাঙানোর মেশিন দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বাজারে ভেজাল ভোজ্য তেলের বিস্তার এবং সাম্প্রতিক সময়ে সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সরিষার তেল ভোক্তাদের জন্য তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে।

একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে সরিষা প্রক্রিয়াজাত করে তেল উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষক ও উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ভোক্তাদেরও আর্থিক সাশ্রয় হবে।

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

‎বাংলাদেশ ডিবেটিং সোসাইটি ঐতিহ্যবাহী উপহার দেন খুলনা আর্ট একাডেমির সংগ্রহশালায়

ঠাকুরগাঁওয়ে সরিষার তেল উৎপাদনে দুই উদ্যোক্তাকে মেশিন প্রদান

আপডেট টাইম : ০৬:৫৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বাস্থ্যকর ভোজ্য তেলের উৎপাদন ও স্থানীয়ভাবে সরিষার তেলের বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সদর উপজেলায় দুই উদ্যোক্তাকে তেল ভাঙানোর মেশিন দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে ‘তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’-এর আওতায় সদর উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তাদের হাতে মেশিন দুটি তুলে দেওয়া হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসিরুল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফাড়াবাড়ী এলাকার দক্ষিণ বঠিনা গ্রামের উদ্যোক্তা হারুনুর রশিদ ও শিবগঞ্জ এলাকার মিলন সরকারের কাছে মেশিন দুটি হস্তান্তর করেন।

এ সময় সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ আল মুজাহিদ, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা নিহার রঞ্জন রায়সহ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ মৌসুমে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় সদর উপজেলার ২ হাজার ৬৩০ জন কৃষককে সরিষার বীজ ও সার প্রণোদনা হিসেবে দেওয়া হয়।

জেলার ৬টি উপজেলায় মোট ১৫ হাজার কৃষককে এ প্রণোদনার আওতায় বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ১৭ হাজার ৩০৫ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে।

এর মধ্যে সদর উপজেলায় আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে। জেলায় হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ১ দশমিক ৫১ মেট্রিক টন হিসাবে এবার মোট ১১ হাজার ৩১ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদিত হয়েছে।

শুধু সদর উপজেলাতেই উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ২২৮ মেট্রিক টন সরিষা, যা এ অঞ্চলে সরিষা উৎপাদনে অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

কৃষি বিভাগ জানায়, সরিষার এই বাম্পার উৎপাদন স্থানীয় পর্যায়ে কাজে লাগিয়ে ভোক্তাদের কাছে মানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর সরিষার তেল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রকল্পের আওতায় জেলায় ছয়টি এবং সদর উপজেলায় দুটি তেল ভাঙানোর মেশিন দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বাজারে ভেজাল ভোজ্য তেলের বিস্তার এবং সাম্প্রতিক সময়ে সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সরিষার তেল ভোক্তাদের জন্য তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে।

একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে সরিষা প্রক্রিয়াজাত করে তেল উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষক ও উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ভোক্তাদেরও আর্থিক সাশ্রয় হবে।

 


প্রিন্ট