ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক জান্নাতুল সোনিয়া হালিম সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে নতুন মামলায় বিচারের মুখোমুখি মেটা ও স্ন্যাপ নির্বাচনে হেরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন বলসোনারো ঢাকা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক জান্নাতুল সোনিয়া হালিম ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২,৪৪৬ মামলা এক সপ্তাহ ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে জলবায়ু পরিবর্তনকে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণার আহ্বান ল্যানসেটের মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতন ও অনিয়মের তদন্ত দাবি ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যানের ঢাকায় আরও একটি ই-পারিবারিক আদালত চালু হচ্ছে কাল বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

কোচদের সেরা দে লা ফুয়েন্তে

স্পেনের বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার কারিগর লুইস দে লা ফুয়েন্তে বর্ষসেরা কোচের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার জিতেছেন।

লন্ডনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুরস্কার গ্রহণের পর দে লা ফুয়েন্তে বলেন, “দলগত কাজ আমাদের অপ্রতিরোধ্য করে তোলে। এটি অনেক বড় সম্মান।”

তিনি আরও বলেন, “এর রহস্য হলো এমন উদার মানসিকতার খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করা, যারা ব্যক্তিগত স্বার্থের আগে দলকে প্রাধান্য দেয়। আমাদের দলে অসাধারণ প্রতিভার সমাহার রয়েছে, যা বিশ্বের সেরা। কোচ হিসেবে এত প্রতিভাবান খেলোয়াড় নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তাই এই সাফল্য তাদেরই।”

বর্তমান সময়ে সাবেক তারকা খেলোয়াড়দের কোচ হিসেবে আবির্ভাবের স্রোতের মধ্যে ৬৫ বছর বয়সী দে লা ফুয়েন্তে ব্যতিক্রম। স্পেনের জাতীয় দলের কোচিং কাঠামোর বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর ক্যারিয়ার ছিল মোটামুটি। ক্লাব কোচিংয়েও খুব একটা উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাননি। ২০১৩ সালে একদিন ক্রীড়া পাতায় চোখ বোলানোর সময় স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের যুব দলের কোচ নিয়োগের বিজ্ঞাপন দেখতে পান তিনি।

আবেদন করে স্পেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচের দায়িত্ব পান দে লা ফুয়েন্তে। তারপর আর পিছনে ফিওে তাকাতে হয়নি। ১৩ বছর পর সেই দলের কয়েকজন খেলোয়াড়ই তাঁর অধীনে নেশন্স লিগ, ইউরো ২০২৪ এবং সবশেষ বিশ্বকাপ জয়ের অভিযানে অংশ নিয়েছেন।

চলতি গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শুরু থেকেই দে লা ফুয়েন্তে দাবি করেছিলেন, টুর্নামেন্টে তাঁর দলই সবচেয়ে শক্তিশালী। এমনকি বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র দিয়ে অভিযান শুরু করলেও নিজের দলের ওপর আস্থা হারাননি তিনি।

প্রতিটি ম্যাচের সঙ্গে স্পেনের আত্মবিশ্বাস ও ছন্দ বেড়েছে। সেমিফাইনালে অন্যতম ফেবারিট ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে দলটি।

নিউ জার্সিতে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে টানটান উত্তেজনার ফাইনালে প্রতিপক্ষের শারীরিক শক্তিনির্ভর কৌশলের মুখেও ঠান্ডা মাথায় খেলেছে দে লা ফুয়েন্তের দল। শেষ পর্যন্ত ফেররান তোরেসের জয়সূচক গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপ শিরোপা নিশ্চিত করে স্পেন।

দে লা ফুয়েন্তে বলেন, “বহু বছর ধরে অত্যন্ত ভালোভাবে কাজ করার স্বীকৃতি এটি। আমার বিশ্বাস, কোচিং ও খেলার ধরন, উভয় ক্ষেত্রেই স্প্যানিশ ফুটবল উন্নত মানের তরুণ খেলোয়াড় তৈরির একটি দৃষ্টান্ত। আর এই প্রক্রিয়াই শেষ পর্যন্ত ভবিষ্যতের সাফল্যের পথ তৈরি করে।”

নারী ফুটবলের বর্ষসেরা কোচের পুরস্কারও পেয়েছেন একজন স্প্যানিশ। বার্সেলোনার কোচ পেরে রোমিউ এই পুরস্কার জিতেছেন। তাঁর অধীনে গত মৌসুমে স্প্যানিশ লিগ, স্প্যানিশ কাপ, সুপার কাপ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ- চারটি শিরোপাই জিতেছে বার্সেলোনা।

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক জান্নাতুল সোনিয়া হালিম

কোচদের সেরা দে লা ফুয়েন্তে

আপডেট টাইম : ১২:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

স্পেনের বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার কারিগর লুইস দে লা ফুয়েন্তে বর্ষসেরা কোচের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার জিতেছেন।

লন্ডনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুরস্কার গ্রহণের পর দে লা ফুয়েন্তে বলেন, “দলগত কাজ আমাদের অপ্রতিরোধ্য করে তোলে। এটি অনেক বড় সম্মান।”

তিনি আরও বলেন, “এর রহস্য হলো এমন উদার মানসিকতার খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করা, যারা ব্যক্তিগত স্বার্থের আগে দলকে প্রাধান্য দেয়। আমাদের দলে অসাধারণ প্রতিভার সমাহার রয়েছে, যা বিশ্বের সেরা। কোচ হিসেবে এত প্রতিভাবান খেলোয়াড় নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তাই এই সাফল্য তাদেরই।”

বর্তমান সময়ে সাবেক তারকা খেলোয়াড়দের কোচ হিসেবে আবির্ভাবের স্রোতের মধ্যে ৬৫ বছর বয়সী দে লা ফুয়েন্তে ব্যতিক্রম। স্পেনের জাতীয় দলের কোচিং কাঠামোর বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর ক্যারিয়ার ছিল মোটামুটি। ক্লাব কোচিংয়েও খুব একটা উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাননি। ২০১৩ সালে একদিন ক্রীড়া পাতায় চোখ বোলানোর সময় স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের যুব দলের কোচ নিয়োগের বিজ্ঞাপন দেখতে পান তিনি।

আবেদন করে স্পেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচের দায়িত্ব পান দে লা ফুয়েন্তে। তারপর আর পিছনে ফিওে তাকাতে হয়নি। ১৩ বছর পর সেই দলের কয়েকজন খেলোয়াড়ই তাঁর অধীনে নেশন্স লিগ, ইউরো ২০২৪ এবং সবশেষ বিশ্বকাপ জয়ের অভিযানে অংশ নিয়েছেন।

চলতি গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শুরু থেকেই দে লা ফুয়েন্তে দাবি করেছিলেন, টুর্নামেন্টে তাঁর দলই সবচেয়ে শক্তিশালী। এমনকি বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র দিয়ে অভিযান শুরু করলেও নিজের দলের ওপর আস্থা হারাননি তিনি।

প্রতিটি ম্যাচের সঙ্গে স্পেনের আত্মবিশ্বাস ও ছন্দ বেড়েছে। সেমিফাইনালে অন্যতম ফেবারিট ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে দলটি।

নিউ জার্সিতে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে টানটান উত্তেজনার ফাইনালে প্রতিপক্ষের শারীরিক শক্তিনির্ভর কৌশলের মুখেও ঠান্ডা মাথায় খেলেছে দে লা ফুয়েন্তের দল। শেষ পর্যন্ত ফেররান তোরেসের জয়সূচক গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপ শিরোপা নিশ্চিত করে স্পেন।

দে লা ফুয়েন্তে বলেন, “বহু বছর ধরে অত্যন্ত ভালোভাবে কাজ করার স্বীকৃতি এটি। আমার বিশ্বাস, কোচিং ও খেলার ধরন, উভয় ক্ষেত্রেই স্প্যানিশ ফুটবল উন্নত মানের তরুণ খেলোয়াড় তৈরির একটি দৃষ্টান্ত। আর এই প্রক্রিয়াই শেষ পর্যন্ত ভবিষ্যতের সাফল্যের পথ তৈরি করে।”

নারী ফুটবলের বর্ষসেরা কোচের পুরস্কারও পেয়েছেন একজন স্প্যানিশ। বার্সেলোনার কোচ পেরে রোমিউ এই পুরস্কার জিতেছেন। তাঁর অধীনে গত মৌসুমে স্প্যানিশ লিগ, স্প্যানিশ কাপ, সুপার কাপ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ- চারটি শিরোপাই জিতেছে বার্সেলোনা।

 


প্রিন্ট