ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

রাজস্ব আদায় বাড়াতে ডিএনসিসির চিরুনি অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-২ (মিরপুর) ও অঞ্চল-৫ (কাওরান বাজার) এর সব ওয়ার্ডে (১৭টি) পরীক্ষামূলকভাবে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির লক্ষে বিশেষ অভিযান (চিরুনি অভিযান) শুরু হয়েছে। ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে মোহাম্মদপুরে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে চিরুনি অভিযান উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনকালে মেয়র বলেন, চিরুনি অভিযানে আমরা ‘ডোর টু ডোর’ যাবো। এখানে বাসাবাড়ি থাকবে, অফিস-আদালত থাকবে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকবে। এ অভিযানের মাধ্যমে আমরা রাজস্বের পরিধি বাড়াবো, ট্যাক্সের পরিমাণ বাড়াবো না। সবাই যাতে বাসায় বসে ট্যাক্স দিতে পারে, যেমনটা আমার নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো ‘সবাই মিলে সবার ঢাকা’তে ছিল – আমরা অটোমেশনে যাব। আগামী ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে অনলাইনে ট্যাক্স নেওয়া শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, এ বছর ৪০০ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স এবং ১০০ কোটি টাকা ট্রেড লাইসেন্স থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে।

আবাসিক এলাকায় স্থাপিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মেয়র বলেন, আমাদের অনেক আবাসিক এলাকা রয়েছে যেখানে নিচ তলায় দোকান করা হয়েছে। এ জন্য আগামী সপ্তাহে আমি রাজউককে আমার অফিসে আসতে বলবো। কীভাবে আবাসিক ভবনে ব্যবসা চালানো হচ্ছে? যেহেতু এটা আবাসিক এলাকা আমরা ট্রেড লাইসেন্স দিতে পারি না। আবাসিক এলাকায় সিটি করপোরেশনের ক্ষমতা নেই ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার, কিন্তু এখানে ব্যবসা করছে। এটির একটি বিহিত করা দরকার।

আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, ঢাকা শহরে অনেক বড়বড় বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড অবৈধভাবে স্থাপন করা হয়েছে এগুলো সম্পূর্ণ বেআইনি। যারা এ রকম করেছেন তাদের ট্যাক্সের আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, এ শহর আমাদের সবার। এখানে ব্যবসা করতে হলে নির্ধারিত হারে ট্যাক্স দিতে হবে। যারা হোল্ডিং ট্যাক্স দিচ্ছেন না, তাদের ট্যাক্সের আওতায় আনার জন্য এ চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরে মেয়র বছিলায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, সুপার শপ, আবাসিক ভবন ইত্যাদি পরিদর্শন করেন।

এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স না থাকা, সড়কে মালামাল রাখা, অবৈধভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার ইত্যাদি অপরাধে মোট ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে শাহজালাল বেকারি, সুপারশপ স্বপ্ন, ভিশন ইলেক্ট্রনিক্স, পারটেক্স ফার্নিচার, মির সিরামিক, কাই এলুমিনিয়াম। মোহাম্মদপুরের কাদেরিয়া আবাসিক এলাকার এক ব্যক্তি যথাযথভাবে হোল্ডিং টাক্স পরিশোধ করায় মেয়র তাকে স্যালুট জানান।

চিরুনি অভিযান উদ্বোধনকালে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবদুল হামিদ মিয়া, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

রাজস্ব আদায় বাড়াতে ডিএনসিসির চিরুনি অভিযান

আপডেট টাইম : ১১:৫২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-২ (মিরপুর) ও অঞ্চল-৫ (কাওরান বাজার) এর সব ওয়ার্ডে (১৭টি) পরীক্ষামূলকভাবে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির লক্ষে বিশেষ অভিযান (চিরুনি অভিযান) শুরু হয়েছে। ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে মোহাম্মদপুরে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে চিরুনি অভিযান উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনকালে মেয়র বলেন, চিরুনি অভিযানে আমরা ‘ডোর টু ডোর’ যাবো। এখানে বাসাবাড়ি থাকবে, অফিস-আদালত থাকবে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকবে। এ অভিযানের মাধ্যমে আমরা রাজস্বের পরিধি বাড়াবো, ট্যাক্সের পরিমাণ বাড়াবো না। সবাই যাতে বাসায় বসে ট্যাক্স দিতে পারে, যেমনটা আমার নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো ‘সবাই মিলে সবার ঢাকা’তে ছিল – আমরা অটোমেশনে যাব। আগামী ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে অনলাইনে ট্যাক্স নেওয়া শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, এ বছর ৪০০ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স এবং ১০০ কোটি টাকা ট্রেড লাইসেন্স থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে।

আবাসিক এলাকায় স্থাপিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মেয়র বলেন, আমাদের অনেক আবাসিক এলাকা রয়েছে যেখানে নিচ তলায় দোকান করা হয়েছে। এ জন্য আগামী সপ্তাহে আমি রাজউককে আমার অফিসে আসতে বলবো। কীভাবে আবাসিক ভবনে ব্যবসা চালানো হচ্ছে? যেহেতু এটা আবাসিক এলাকা আমরা ট্রেড লাইসেন্স দিতে পারি না। আবাসিক এলাকায় সিটি করপোরেশনের ক্ষমতা নেই ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার, কিন্তু এখানে ব্যবসা করছে। এটির একটি বিহিত করা দরকার।

আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, ঢাকা শহরে অনেক বড়বড় বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড অবৈধভাবে স্থাপন করা হয়েছে এগুলো সম্পূর্ণ বেআইনি। যারা এ রকম করেছেন তাদের ট্যাক্সের আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, এ শহর আমাদের সবার। এখানে ব্যবসা করতে হলে নির্ধারিত হারে ট্যাক্স দিতে হবে। যারা হোল্ডিং ট্যাক্স দিচ্ছেন না, তাদের ট্যাক্সের আওতায় আনার জন্য এ চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরে মেয়র বছিলায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, সুপার শপ, আবাসিক ভবন ইত্যাদি পরিদর্শন করেন।

এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স না থাকা, সড়কে মালামাল রাখা, অবৈধভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার ইত্যাদি অপরাধে মোট ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে শাহজালাল বেকারি, সুপারশপ স্বপ্ন, ভিশন ইলেক্ট্রনিক্স, পারটেক্স ফার্নিচার, মির সিরামিক, কাই এলুমিনিয়াম। মোহাম্মদপুরের কাদেরিয়া আবাসিক এলাকার এক ব্যক্তি যথাযথভাবে হোল্ডিং টাক্স পরিশোধ করায় মেয়র তাকে স্যালুট জানান।

চিরুনি অভিযান উদ্বোধনকালে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবদুল হামিদ মিয়া, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট