ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী কালিয়াকৈরে ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনায় আ/সা/মি গ্রে/ফ/তার ও বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কুমিল্লার যে বাড়ির সুর ছড়িয়ে পড়ে উপমহাদেশের হৃদয়ে পোশাক শ্রমিকদের দ্রুত সর্বজনীন পেনশনে আনার আহ্বান বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালন কালীগঞ্জে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষ্যে ২১তম ওয়াজ মাহফিল ত্রিশালে কৃতি শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা, সংবর্ধনা পেলেন ২১৪ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শাবিপ্রবিতে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা নাটোরে মাধনগর ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শাবিপ্রবিতে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

এক বছর পর গণভবন থেকে বের হলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে করোনা মহামারির প্রকোপ শুরু হয় গত বছরের মার্চ মাস থেকে। করোনার বিস্তার রোধে ওই সময় থেকেই লকডাউনে চলে যায় সারাদেশ। তখন থেকেই গণবভনে এক প্রকার বন্দি জীবনযাপন শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর গণভবন থেকে বের হলেন প্রধানমন্ত্রী। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যান ধানমন্ডিতে।

রোববার (৭ মার্চ) সকাল ৭টায় রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। পরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দলীয় সভাপতির শ্রদ্ধা জানানোর পর দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এর আগে, একাধিক অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বাইরে বের হতে না পারার অনুভূতি ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তার বন্দি জীবনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হলে সব স্বাধীনতা থাকে না। আমিও একরকম বন্দি জীবনযাপন করছি। বের হতে পারি না। কারণ আমার বের হওয়ার সঙ্গে প্রায় এক হাজার লোকের সম্পৃক্ততার বিষয় জড়িত। এ জন্য ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমি বাইরে বের হতে পারি না।

সম্প্রতি, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নিজের শিক্ষক জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের হাতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে পদক তুলে দিতে না পারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, এই প্রথম ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা জাতীয় পদক-২০২১’ এবং ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা আন্তর্জাতিক পদক-২০২১’ দেওয়া হলো। আমার দুঃখ এখানেই থেকে গেল, আমি নিজে উপস্থিত থাকতে পারলাম না। বিশেষ করে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক রফিকুল ইসলাম স্যারের হাতে পদক তুলে দেওয়া, এটা আমার জন্য কত সম্মানের এবং গৌরবের! কিন্তু আমার দুঃখ এখানে, পুরস্কার নিজের হাতে দিতে পারলাম না। স্যার, আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী

এক বছর পর গণভবন থেকে বের হলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:২০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ মার্চ ২০২১

বাংলাদেশে করোনা মহামারির প্রকোপ শুরু হয় গত বছরের মার্চ মাস থেকে। করোনার বিস্তার রোধে ওই সময় থেকেই লকডাউনে চলে যায় সারাদেশ। তখন থেকেই গণবভনে এক প্রকার বন্দি জীবনযাপন শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর গণভবন থেকে বের হলেন প্রধানমন্ত্রী। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যান ধানমন্ডিতে।

রোববার (৭ মার্চ) সকাল ৭টায় রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। পরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দলীয় সভাপতির শ্রদ্ধা জানানোর পর দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এর আগে, একাধিক অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বাইরে বের হতে না পারার অনুভূতি ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তার বন্দি জীবনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হলে সব স্বাধীনতা থাকে না। আমিও একরকম বন্দি জীবনযাপন করছি। বের হতে পারি না। কারণ আমার বের হওয়ার সঙ্গে প্রায় এক হাজার লোকের সম্পৃক্ততার বিষয় জড়িত। এ জন্য ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমি বাইরে বের হতে পারি না।

সম্প্রতি, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নিজের শিক্ষক জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের হাতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে পদক তুলে দিতে না পারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, এই প্রথম ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা জাতীয় পদক-২০২১’ এবং ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা আন্তর্জাতিক পদক-২০২১’ দেওয়া হলো। আমার দুঃখ এখানেই থেকে গেল, আমি নিজে উপস্থিত থাকতে পারলাম না। বিশেষ করে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক রফিকুল ইসলাম স্যারের হাতে পদক তুলে দেওয়া, এটা আমার জন্য কত সম্মানের এবং গৌরবের! কিন্তু আমার দুঃখ এখানে, পুরস্কার নিজের হাতে দিতে পারলাম না। স্যার, আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন।


প্রিন্ট