ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এআই দিয়ে বাড়ছে সাইবার হামলা শূকরের ভাইরাস সোয়াইন ফ্লু’তে আক্রান্ত ইমরান হাশমি গুমের সংস্কৃতি যেন আর ফিরে না আসে : নাহিদ ইসলাম স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী মাগুরা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ব্রেকআপের ঠিক পরেই যে ৫টি কাজ কখনোই করা উচিত নয় ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন পেতে খেতে পারেন যেসব খাবার বেস্ট ফ্রেন্ড সাফার জন্মদিন, শুভেচ্ছায় যা বললেন তৌসিফ মাভাবিপ্রবিতে ১৫ দিনব্যাপী তিন হাজারের বেশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

পোশাক রফতানিতে কানাডায় শুল্কমুক্ত সুবিধা ১০ বছর বাড়লো

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানির শুল্কমুক্ত সুবিধার মেয়াদ আরো ১০ বছর বাড়িয়েছে কানাডার পার্লামেন্ট। দেশটিতে সম্প্রতি নতুন অর্থবিল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তাতে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত দেশটিতে তৈরি পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশকে কোনো শুল্ক দিতে হবে না।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফাতনিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এসব তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেনারেল প্রেফারেনশিয়াল ট্যারিফ (জিপিটি) স্কিমের আওতায় কানাডা উন্নয়নশীল দেশগুলোকেও শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে।

স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কানাডার বাজারে কোটামুক্ত ও শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়ে আসছে। এ সুবিধা জিপিটির আওতায় পড়ছে, যা প্রতি ১০ বছর পর পর নবায়ন করা হয়। জিপিটির বর্তমান সুবিধার মেয়াদ শেষ হবে ২০২৪ সালে।

বাংলাদেশের জন্য ভালো খবর হচ্ছে, কানাডার সংসদ সম্প্রতি নতুন একটি অর্থবিলের অনুমোদন দিয়েছে, যেখানে জিপিটি ব্যবস্থায় প্রাপ্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা ২০৩৪ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

এতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে- কানাডা সরকার জিপিটির আওতায় আরেকটি স্কিম চালু করেছে, যেটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘জিপিটি প্লাস’। এই প্রস্তাবে জিপিটির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে উন্নয়নশীল দেশগুলো। যেসব উন্নয়নশীল দেশ তাদের পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার মানায় উন্নতি দেখাতে পারবে এবং পরিবেশগত মানদণ্ড মেনে চলবে, সেসব দেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে, যা জিপিটি প্রগ্রামের বাইরে বাড়তি সুবিধা হিসেবে দেওয়া হবে। এটি মূলত কানাডার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) সুবিধার সঙ্গে মিল রেখে করা হয়েছে।

এতে বাংলাদেশ ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলেও ২০৩৪ সাল পর্যন্ত কানাডার বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রক্রিয়াটি যেন সহজ হয় এজন্য বড় বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে বিজিএমইএ। উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য থেকে সাড়া পাওয়া গেছে, একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সরকারের কর্মকর্তারাও ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অন্যতম বৃহৎ বাজার কানাডা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে কানাডায় তৈরি পোশাক রফতানি হয় ১.৫৫ বিলিয়ন ডলারের, যেখানে ২০২১-২২ অর্থবছরে রফতানি ছিল ১.৩৩ বিলিয়ন ডলারের।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এআই দিয়ে বাড়ছে সাইবার হামলা

পোশাক রফতানিতে কানাডায় শুল্কমুক্ত সুবিধা ১০ বছর বাড়লো

আপডেট টাইম : ১০:০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানির শুল্কমুক্ত সুবিধার মেয়াদ আরো ১০ বছর বাড়িয়েছে কানাডার পার্লামেন্ট। দেশটিতে সম্প্রতি নতুন অর্থবিল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তাতে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত দেশটিতে তৈরি পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশকে কোনো শুল্ক দিতে হবে না।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফাতনিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এসব তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেনারেল প্রেফারেনশিয়াল ট্যারিফ (জিপিটি) স্কিমের আওতায় কানাডা উন্নয়নশীল দেশগুলোকেও শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে।

স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কানাডার বাজারে কোটামুক্ত ও শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়ে আসছে। এ সুবিধা জিপিটির আওতায় পড়ছে, যা প্রতি ১০ বছর পর পর নবায়ন করা হয়। জিপিটির বর্তমান সুবিধার মেয়াদ শেষ হবে ২০২৪ সালে।

বাংলাদেশের জন্য ভালো খবর হচ্ছে, কানাডার সংসদ সম্প্রতি নতুন একটি অর্থবিলের অনুমোদন দিয়েছে, যেখানে জিপিটি ব্যবস্থায় প্রাপ্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা ২০৩৪ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

এতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে- কানাডা সরকার জিপিটির আওতায় আরেকটি স্কিম চালু করেছে, যেটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘জিপিটি প্লাস’। এই প্রস্তাবে জিপিটির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে উন্নয়নশীল দেশগুলো। যেসব উন্নয়নশীল দেশ তাদের পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার মানায় উন্নতি দেখাতে পারবে এবং পরিবেশগত মানদণ্ড মেনে চলবে, সেসব দেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে, যা জিপিটি প্রগ্রামের বাইরে বাড়তি সুবিধা হিসেবে দেওয়া হবে। এটি মূলত কানাডার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) সুবিধার সঙ্গে মিল রেখে করা হয়েছে।

এতে বাংলাদেশ ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলেও ২০৩৪ সাল পর্যন্ত কানাডার বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রক্রিয়াটি যেন সহজ হয় এজন্য বড় বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে বিজিএমইএ। উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য থেকে সাড়া পাওয়া গেছে, একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সরকারের কর্মকর্তারাও ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অন্যতম বৃহৎ বাজার কানাডা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে কানাডায় তৈরি পোশাক রফতানি হয় ১.৫৫ বিলিয়ন ডলারের, যেখানে ২০২১-২২ অর্থবছরে রফতানি ছিল ১.৩৩ বিলিয়ন ডলারের।


প্রিন্ট