ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’কে ঢেলে সাজাতে চাই; সেগুন

উত্তরা সংবাদ দাতা : ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিকে ঢেলে সাজাতে চাই এমনটা জানিয়েছেন মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক যুগ্ম- আহ্বায়ক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন।

এ সময় তিনি বলেন, সুযোগ পেলে মহানগর উত্তর বিএনপিকে তিনি ঢেলে সাজাতে চান। জানা যায়, তিনি গত ১৫ বছর যাবত স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের মামলা হামলা ও সকল ভয় ভীতি উর্ধ্বে থেকে দলকে ভালোবেসে আসছেন।

সুত্রে জানা যায়, ছাত্র অবস্থায় ছাত্র দলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পথচলা শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল সাইন্স নিয়ে পড়ুয়া বিএনপির এই ত্যাগি নেতা। তিনি ১৯৮৭-৮৮ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। স্থানীয়রা জানান,স্বৈরাচার আ.লীগ সরকার পতনের আন্দোলন সংগ্রামের প্রথম সারিতে থাকা এই নেতা একজন সাদা মনের মানুষ।

সাংগঠনিক কর্মদক্ষতায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি-র আহ্বায়ক কমিটিতে তিনি যুগ্ম-আহ্বায়কের দায়িত্ব পান।দায়িত্ব পেয়ে তিনি দলকে শক্তিশালী করতে একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করছেন। তিনি মহানগর উত্তর বিএনপিকে ঢেলে সাজাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উত্তরার দক্ষিণখান এলাকার মোল্লা বাড়ীর ছেলে মো: মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন পারিবারিক ভাবে ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান। ছোট বেলা থেকে তিনি নিজের পকেটের টাকা খরচ করে বন্ধু বান্ধব নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি-র রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যাওয়া- আাশা করতেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে মনে প্রাণে ভালোবেসে তিনি ধীরে ধীরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

জানা যায়, তিনি স্কুল জীবনে সকল পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ছিলেন। ভালো ছাত্র হিসেবে পরিচিত বিনয়ী এ নেতা তৎকালীন সময় ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান।

জানা যায়, সে সময় বৃহত্তর উত্তরা থেকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ খুব কম লোকই পেয়েছে।

সহপাঠিদের সাথে ভালো আচার আচরণ ও লেখা পড়ায় মনোযোগী হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটে তিনি স্যার এএফ রহমান হল ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন।

গত এক সপ্তাহ যাবত, বৃহত্তর উত্তরা এলাকার স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, সদালাপী এই নেতার নেতৃত্বে ১৯৮৮ সালে বৃহত্তর উত্তরা থানা ছাত্র দলের কমিটি গঠন করা হয়। সে সুবাদে তিনি পরবর্তী পাঁচ বছর যাবত বৃহত্তর উত্তরা থানা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

অল্প সময়ের মধ্যে তিনি তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সততার কারণে পরবর্তীতে বিমানবন্দর থানা বিএনপি-র সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি সভাপতি থাকাকালীন সময়ে উত্তরা এলাকায় বিএনপিতে দলীয় কোন কোন্দল ছিল না।

একাধিক সুত্রে জানা যায়,বিশ্ব বিদ্যালয়ের লেখা পড়া শেষ করে তিনি রাজনীতির পাশাপাশি ঠিকাদারি ব্যাবসা শুরু করেন। সফল ব্যবসায়ী হিসেবে অর্থ বিত্তের প্রতি তার কোন লোভ লালসা নেই।

এখানকার স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়,বর্তমানে তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী ও স্বচ্ছ রাজনীতিবীদ।

জানা যায়, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালীন সময়ে ১৫ জুলাই থেকে তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।এ সময় তিনি উত্তরা আব্দুল্লাহপুর থেকে শুরু করে বিএনএস সেন্টার আজমপুর উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে রাজপথে স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে আন্দলোনকারী নেতা কর্মীদের উৎসাহিত করেছেন।

নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে দলকে ভালোবেসে ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন তিনি।

সে সময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনীর গুলিতে অনেক নিরীহ মানুষ ও দলীয় নেতা কর্মী নিহত হয়। পাশাপাশি শত শত সাধারণ মানুষ ও আহত হয়।

জানা যায়, গত ৫আগষ্ট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর কোটা আন্দোলনে নিহত শহীদ ও আহতদের বাড়িতে বাড়িতে ছুটে যায় বিএনপির এ ত্যাগি নেতা।

তিনি নিহতদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজনে প্রতি সমবেদনা জানান এবং নগদ অর্থ সহায়তা করেন। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করেন। স্বচ্ছ নীতি ও আদর্শবান ত্যাগী এই নেতা কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করেন নি।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি-র সাবেক যুগ্ম- আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন একজন কর্মী বান্ধব নেতা। তার নেতৃত্বে বিএনপির নেতা কর্মীরা ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিকে ঢেলে সাজাতে চায়। নেতা কর্মীরা বলেন, ইতি মধ্যে তিনি তার মেধা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দিয়ে কেন্দ্রীয় নেতা কর্মীদের আস্থা অর্জন করছেন। তিনি সুনামের সহিত রাজনীতি করার কারণে মিরপুর, গাবতলী,মহাখালী, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান,নতুন বাজার,বেরাইদ ডুমনি, খিলখেত,উত্তরা, উত্তরখান দক্ষিণখান,তুরাগ এলাকার হাজার হাজার দলীয় নেতা কর্মীর আস্থা অর্জন করছেন।

স্থানীয়দের ধারণা যেহেতু অর্থ সম্পদের প্রতি নিরহংকারী এ নেতার কোন লোভ লালসা নেই,ভবিষ্যতে তিনি দল গোঁছানো দায়িত্ব পেলে বিএনপি আরো বেশি সু-সংগঠিত ও শক্তিশালী হবে। তারা আরো বলেন,কেন্দ্রীয় নেতাদের সমর্থন পেলে তিনি আন্দোলন সংগ্রামে অতিতে প্রথম সারিতে থাকা যোগ্য ও দলের জন্য নিবেদিত নেতাকর্মী দিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তরের থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে বিএনপিকে ঢেলে সাজাবেন।

সম্প্রতি সারাদেশে ডেঙ্গু মশার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় পর থেকে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের নির্দেশে ঢাকা মহানগর উত্তরের পাড়া মহল্লার অলি গলির বাসা বাড়িতে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।সরেজমিনে দেখা যায়,প্রতিদিন তিনি উত্তরখান দক্ষিণখান আজিমপুরসহ নতুন ওয়ার্ডের পাড়া মহল্লার সড়কে চলাচলকারী লোকজনের হাতে হাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষে লিফলেট বিতরন করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’কে ঢেলে সাজাতে চাই; সেগুন

আপডেট টাইম : ০৮:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪

উত্তরা সংবাদ দাতা : ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিকে ঢেলে সাজাতে চাই এমনটা জানিয়েছেন মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক যুগ্ম- আহ্বায়ক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন।

এ সময় তিনি বলেন, সুযোগ পেলে মহানগর উত্তর বিএনপিকে তিনি ঢেলে সাজাতে চান। জানা যায়, তিনি গত ১৫ বছর যাবত স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের মামলা হামলা ও সকল ভয় ভীতি উর্ধ্বে থেকে দলকে ভালোবেসে আসছেন।

সুত্রে জানা যায়, ছাত্র অবস্থায় ছাত্র দলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পথচলা শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল সাইন্স নিয়ে পড়ুয়া বিএনপির এই ত্যাগি নেতা। তিনি ১৯৮৭-৮৮ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। স্থানীয়রা জানান,স্বৈরাচার আ.লীগ সরকার পতনের আন্দোলন সংগ্রামের প্রথম সারিতে থাকা এই নেতা একজন সাদা মনের মানুষ।

সাংগঠনিক কর্মদক্ষতায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি-র আহ্বায়ক কমিটিতে তিনি যুগ্ম-আহ্বায়কের দায়িত্ব পান।দায়িত্ব পেয়ে তিনি দলকে শক্তিশালী করতে একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করছেন। তিনি মহানগর উত্তর বিএনপিকে ঢেলে সাজাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উত্তরার দক্ষিণখান এলাকার মোল্লা বাড়ীর ছেলে মো: মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন পারিবারিক ভাবে ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান। ছোট বেলা থেকে তিনি নিজের পকেটের টাকা খরচ করে বন্ধু বান্ধব নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি-র রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যাওয়া- আাশা করতেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে মনে প্রাণে ভালোবেসে তিনি ধীরে ধীরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

জানা যায়, তিনি স্কুল জীবনে সকল পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ছিলেন। ভালো ছাত্র হিসেবে পরিচিত বিনয়ী এ নেতা তৎকালীন সময় ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান।

জানা যায়, সে সময় বৃহত্তর উত্তরা থেকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ খুব কম লোকই পেয়েছে।

সহপাঠিদের সাথে ভালো আচার আচরণ ও লেখা পড়ায় মনোযোগী হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটে তিনি স্যার এএফ রহমান হল ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন।

গত এক সপ্তাহ যাবত, বৃহত্তর উত্তরা এলাকার স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, সদালাপী এই নেতার নেতৃত্বে ১৯৮৮ সালে বৃহত্তর উত্তরা থানা ছাত্র দলের কমিটি গঠন করা হয়। সে সুবাদে তিনি পরবর্তী পাঁচ বছর যাবত বৃহত্তর উত্তরা থানা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

অল্প সময়ের মধ্যে তিনি তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সততার কারণে পরবর্তীতে বিমানবন্দর থানা বিএনপি-র সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি সভাপতি থাকাকালীন সময়ে উত্তরা এলাকায় বিএনপিতে দলীয় কোন কোন্দল ছিল না।

একাধিক সুত্রে জানা যায়,বিশ্ব বিদ্যালয়ের লেখা পড়া শেষ করে তিনি রাজনীতির পাশাপাশি ঠিকাদারি ব্যাবসা শুরু করেন। সফল ব্যবসায়ী হিসেবে অর্থ বিত্তের প্রতি তার কোন লোভ লালসা নেই।

এখানকার স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়,বর্তমানে তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী ও স্বচ্ছ রাজনীতিবীদ।

জানা যায়, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালীন সময়ে ১৫ জুলাই থেকে তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।এ সময় তিনি উত্তরা আব্দুল্লাহপুর থেকে শুরু করে বিএনএস সেন্টার আজমপুর উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে রাজপথে স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে আন্দলোনকারী নেতা কর্মীদের উৎসাহিত করেছেন।

নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে দলকে ভালোবেসে ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন তিনি।

সে সময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনীর গুলিতে অনেক নিরীহ মানুষ ও দলীয় নেতা কর্মী নিহত হয়। পাশাপাশি শত শত সাধারণ মানুষ ও আহত হয়।

জানা যায়, গত ৫আগষ্ট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর কোটা আন্দোলনে নিহত শহীদ ও আহতদের বাড়িতে বাড়িতে ছুটে যায় বিএনপির এ ত্যাগি নেতা।

তিনি নিহতদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজনে প্রতি সমবেদনা জানান এবং নগদ অর্থ সহায়তা করেন। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করেন। স্বচ্ছ নীতি ও আদর্শবান ত্যাগী এই নেতা কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করেন নি।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি-র সাবেক যুগ্ম- আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন একজন কর্মী বান্ধব নেতা। তার নেতৃত্বে বিএনপির নেতা কর্মীরা ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিকে ঢেলে সাজাতে চায়। নেতা কর্মীরা বলেন, ইতি মধ্যে তিনি তার মেধা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দিয়ে কেন্দ্রীয় নেতা কর্মীদের আস্থা অর্জন করছেন। তিনি সুনামের সহিত রাজনীতি করার কারণে মিরপুর, গাবতলী,মহাখালী, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান,নতুন বাজার,বেরাইদ ডুমনি, খিলখেত,উত্তরা, উত্তরখান দক্ষিণখান,তুরাগ এলাকার হাজার হাজার দলীয় নেতা কর্মীর আস্থা অর্জন করছেন।

স্থানীয়দের ধারণা যেহেতু অর্থ সম্পদের প্রতি নিরহংকারী এ নেতার কোন লোভ লালসা নেই,ভবিষ্যতে তিনি দল গোঁছানো দায়িত্ব পেলে বিএনপি আরো বেশি সু-সংগঠিত ও শক্তিশালী হবে। তারা আরো বলেন,কেন্দ্রীয় নেতাদের সমর্থন পেলে তিনি আন্দোলন সংগ্রামে অতিতে প্রথম সারিতে থাকা যোগ্য ও দলের জন্য নিবেদিত নেতাকর্মী দিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তরের থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে বিএনপিকে ঢেলে সাজাবেন।

সম্প্রতি সারাদেশে ডেঙ্গু মশার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় পর থেকে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের নির্দেশে ঢাকা মহানগর উত্তরের পাড়া মহল্লার অলি গলির বাসা বাড়িতে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।সরেজমিনে দেখা যায়,প্রতিদিন তিনি উত্তরখান দক্ষিণখান আজিমপুরসহ নতুন ওয়ার্ডের পাড়া মহল্লার সড়কে চলাচলকারী লোকজনের হাতে হাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষে লিফলেট বিতরন করেন।


প্রিন্ট