ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে মহিবুর হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার

তিন বছর আগে হবিগঞ্জে সংঘটিত আলোচিত মহিবুর রহমান হত্যা মামলার মূল আসামি ফজল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশ—পিবিআই। ফজল মিয়া আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

সূত্র জানায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের শিয়ালদাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মহিবুর রহমান হত্যার ঘটনায় দীর্ঘ তদন্তের পর মূল আসামি মো. ফজল মিয়াকে ঢাকার আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

আজ রোববার দুপুর ২টায় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পিবিআই হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হায়াতুন-নবী এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তাকে আটক করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৬ জুন রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন মহিবুর। পরদিন একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে জানা গেছে, গ্রাম্য শালিসকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় মহিবুরকে। মরদেহ ডোবায় ফেলে আত্মগোপনে চলে যান আসামি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে মহিবুর হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ০৭:৩০:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

তিন বছর আগে হবিগঞ্জে সংঘটিত আলোচিত মহিবুর রহমান হত্যা মামলার মূল আসামি ফজল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশ—পিবিআই। ফজল মিয়া আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

সূত্র জানায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের শিয়ালদাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মহিবুর রহমান হত্যার ঘটনায় দীর্ঘ তদন্তের পর মূল আসামি মো. ফজল মিয়াকে ঢাকার আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

আজ রোববার দুপুর ২টায় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পিবিআই হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হায়াতুন-নবী এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তাকে আটক করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৬ জুন রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন মহিবুর। পরদিন একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে জানা গেছে, গ্রাম্য শালিসকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় মহিবুরকে। মরদেহ ডোবায় ফেলে আত্মগোপনে চলে যান আসামি।


প্রিন্ট