বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::

চট্টগ্রাম বন্দরে ঈদের ছুটিতে ৫৫ হাজার কন্টেইনার হ্যান্ডলিং

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

 ঈদ-উল-ফিতরের সাত দিনের ছুটিতে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে গতি ধরে রেখেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে আমদানি-রপ্তানি মিলিয়ে ৫৪ হাজার ৮৯৮ টিইউএস (২০ ফুট হিসেবে) কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছে কর্তৃপক্ষ।

আমদানি পণ্যের ২৮ হাজার ৯৬১ টিইউএস ও রপ্তানি পণ্যের ২৫ হাজার ৯৩৭ টিইউএস এবং এর মধ্যে ১৮ মার্চ সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৮৬১ টিইউএস কনটেইনার প্রসেস করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, চলতি মাসের ১৭ মার্চ, মঙ্গলবার থেকে ২৩ মার্চ, সোমবার পর্যন্ত ছুটির সাত দিনে ২৫ লাখ ৮ হাজার ৬১৪ টন কার্গো এবং ৬৪টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। এর মধ্যে আমদানি পণ্য ছিল ২৩ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৬ মেট্রিক টন এবং রপ্তানি হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮২৮ মেট্রিক টন। ১৮ মার্চ একদিনে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৪ মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং করা হয়েছে।

এ সপ্তাহে ৬৪টি জাহাজ বন্দরে বার্থিং ও হ্যান্ডলিং করা হয়েছে।

১৯ মার্চ সর্বোচ্চ ১৪টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করা হয় এবং ছুটির আমেজ কাটিয়ে ২৩ মার্চ পুনরায় ১২টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করে বন্দর তার পূর্ণ গতিতে ফিরে এসেছে।

ঈদের ছুটির মাঝে ২১ মার্চ কার্যক্রমে কিছুটা ধীরগতি থাকলেও, পরবর্তী দুই দিনেই (২২ ও ২৩ মার্চ) জাহাজ ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

২৪ মার্চ বন্দরের ৫৯ হাজার টিইউএস ধারণক্ষমতার বিপরীতে ছিল ৪৩ হাজার ২০০ টিইউএস। এর মধ্যে ৩৬ হাজার ২৫৩ টিইউএস পূর্ণ (এফসিএল) কনটেইনার, ২ হাজার ৬৫৪ টিইউএস ডিপো কনটেইনার ও ১ হাজার ৬৫২ টিইউএস খালি কনটেইনার।

আইসিডি কমলাপুরগামী ৫১২ টিইউএস কনটেইনার বর্তমানে বন্দরে অবস্থানের তালিকায় রয়েছে। পণ্য খালাসের ক্ষেত্রেও গতিশীলতা বজায় রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫৮১ টিইউএস কনটেইনার ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে এবং আরও ৫২৫ টিইউএস ডেলিভারির জন্য নির্ধারিত রয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পবিত্র রমজান ও ঈদের ছুটিকালীন জ্বালানি তেলের সাপ্লাই চেইন ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং তদারকির করার জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। যার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি সাইড এবং বহির্নোঙরে পণ্য খালাস তদারকি ও পর্যবেক্ষণ নিবিড়ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।

পাশাপাশি জ্বালানি তেলের সংকটকালীন অগ্রাধিকার বার্থিং ও নেভিগেশনাল সাপোর্টের মাধ্যমে সবার সঙ্গে সমন্বয় করে চট্টগ্রাম বন্দর সংকট উত্তরণে ভূমিকা রেখেছে।

ঈদের ছুটিকালীন যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।

এ সময়ে সরকার ঘোষিত হাইওয়েতে লং ভেহিক্যাল চলাচল বন্ধ থাকাকালীন কেবল অত্যন্ত নিত্য প্রয়োজনীয় আমদানি পণ্য সামগ্রী ও জরুরি রপ্তানি সামগ্রী বিশেষ বিবেচনায় চলাচলের অনুমতি দেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্যবাহী যানবাহনের ক্ষেত্রে বিশেষ স্টিকার দেওয়া হয়েছে।

বন্দর সচিব বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে সম্প্রতি কর্মবিরতি ও জাহাজের আগমনের হার বাড়ার ফলে, জাহাজের ওয়েটিং টাইম দুই বা তিন দিনে উন্নীত হয়।

তবে বর্তমানে কর্তৃপক্ষের সার্বিক মনিটরিং এবং সমন্বয়ের ফলে, আউটার অ্যাঙ্করেজে জাহাজের অপেক্ষমাণ সময় পুনরায় শূন্য দিন অর্জন করা সম্ভব হয়েছে, যা বন্দরের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com