ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ সংসদের অধিবেশন শুরু ইরা হত্যা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন তারিখ ঘোষণা দুঃসময়ে বিবেকের পাশে ছিলেন অক্ষয়, যা বললেন অভিনেতা সাভারে হামলার প্রতিবাদে খুলনায় এনসিপির বিক্ষোভ স্যামসাংয়ের মুনাফা বৃদ্ধিতে আস্থা ফেরেনি, এশিয়ার শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রবণতায় দ. কোরিয়ার বাজারে পতন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরও আনচেলত্তির ওপরেই ভরসা ব্রাজিলের ইউক্রেন ও প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ নিয়ে শুরু ন্যাটো সম্মেলন রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন

মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব স্বপন তালুকদারের বিরুদ্ধে ওঠা জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সুপরিকল্পিত চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত সচিব। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর কামরুল হাসান মিটুর দেওয়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি।
সচিব স্বপন তালুকদার জানান, ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা শাহানুর মিয়ার জন্ম নিবন্ধনটি ছিল মূলত একটি সংশোধনী আবেদন। কুলঞ্জ ইউনিয়নটি একটি দুর্গম এলাকা হওয়ায় আবেদনকারী নিজেই যাতায়াত খরচ ও সময়ের কথা বিবেচনা করে সচিবকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শাহানুর মিয়া সচিবকে বলেছিলেন যে, দিরাই সদরে গিয়ে কাজ করালে তার যে যাতায়াত খরচ হতো, সেই টাকা তিনি সচিবকে গাড়ি ভাড়া বাবদ দিয়ে দেবেন এবং সচিব যেন দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন করিয়ে আনেন।
সচিবের দাবি অনুযায়ী, তিনি মানবিক কারণে এবং সেবার সুবিধার্থে নিজের প্রচেষ্টায় দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন ও অনুমোদন করিয়ে আনেন। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পর শাহানুর মিয়া তাকে সরকারি ফি টুকুও প্রদান করেননি। উল্টো তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক সচিবের কাছ থেকে সংশোধিত নিবন্ধন সনদটি ছিনিয়ে নিয়ে যান।
সচিব স্বপন তালুকদার আরও অভিযোগ করেন, পুরো বিষয়টি ছিল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার একটি কৌশল। নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কাজ করে দেওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে অনলাইনে নিউজ প্রকাশ এবং ইউএনও বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি একে তার পেশাগত সততার ওপর আঘাত এবং হয়রানিমূলক আচরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, এর আগে কামরুল হাসান মিটু স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে সচিবের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায়ের লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তবে সচিবের দাবি, নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন যাতে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ

জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন

আপডেট টাইম : ১২:২৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব স্বপন তালুকদারের বিরুদ্ধে ওঠা জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সুপরিকল্পিত চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত সচিব। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর কামরুল হাসান মিটুর দেওয়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি।
সচিব স্বপন তালুকদার জানান, ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা শাহানুর মিয়ার জন্ম নিবন্ধনটি ছিল মূলত একটি সংশোধনী আবেদন। কুলঞ্জ ইউনিয়নটি একটি দুর্গম এলাকা হওয়ায় আবেদনকারী নিজেই যাতায়াত খরচ ও সময়ের কথা বিবেচনা করে সচিবকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শাহানুর মিয়া সচিবকে বলেছিলেন যে, দিরাই সদরে গিয়ে কাজ করালে তার যে যাতায়াত খরচ হতো, সেই টাকা তিনি সচিবকে গাড়ি ভাড়া বাবদ দিয়ে দেবেন এবং সচিব যেন দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন করিয়ে আনেন।
সচিবের দাবি অনুযায়ী, তিনি মানবিক কারণে এবং সেবার সুবিধার্থে নিজের প্রচেষ্টায় দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন ও অনুমোদন করিয়ে আনেন। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পর শাহানুর মিয়া তাকে সরকারি ফি টুকুও প্রদান করেননি। উল্টো তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক সচিবের কাছ থেকে সংশোধিত নিবন্ধন সনদটি ছিনিয়ে নিয়ে যান।
সচিব স্বপন তালুকদার আরও অভিযোগ করেন, পুরো বিষয়টি ছিল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার একটি কৌশল। নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কাজ করে দেওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে অনলাইনে নিউজ প্রকাশ এবং ইউএনও বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি একে তার পেশাগত সততার ওপর আঘাত এবং হয়রানিমূলক আচরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, এর আগে কামরুল হাসান মিটু স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে সচিবের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায়ের লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তবে সচিবের দাবি, নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন যাতে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসে।


প্রিন্ট