ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী কালিয়াকৈরে ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনায় আ/সা/মি গ্রে/ফ/তার ও বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কুমিল্লার যে বাড়ির সুর ছড়িয়ে পড়ে উপমহাদেশের হৃদয়ে পোশাক শ্রমিকদের দ্রুত সর্বজনীন পেনশনে আনার আহ্বান বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালন কালীগঞ্জে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষ্যে ২১তম ওয়াজ মাহফিল ত্রিশালে কৃতি শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা, সংবর্ধনা পেলেন ২১৪ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শাবিপ্রবিতে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা নাটোরে মাধনগর ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শাবিপ্রবিতে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

পোশাক শ্রমিকদের দ্রুত সর্বজনীন পেনশনে আনার আহ্বান

পোশাক খাতের সব শ্রমিককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সার্বিক কল্যাণ এবং সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। পোশাক শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা হলে সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এটি ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে।

আজ (শনিবার) রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের নুরুল কাদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক আলোচনা সভায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মাহমুদ হাসান খান বলেন, শ্রমিকদের মধ্যে স্কিমটি আরও জনপ্রিয় করতে প্রথম দুই বছরের জন্য বিশেষ সরকারি প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি পোশাক শ্রমিকদের পেনশন গ্রহণের বয়সসীমা ৬০ বছরের পরিবর্তে ৫৫ বছর নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব উদ্যোগ নেওয়া হলে শ্রমিকদের স্কিমে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ বাড়বে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, নাগরিকদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সরকার সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছে। ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী নাগরিকরা ব্যাংকের মাধ্যমে এতে চাঁদা জমা দিতে পারবেন এবং ৬০ বছর পূর্ণ হলে পেনশন পাবেন।

তিনি বলেন, গ্রাহক ৬০ বছর বয়সের আগে মারা গেলে তাঁর মনোনীত ব্যক্তি জমাকৃত অর্থ মুনাফাসহ পাবেন। আয়-সংক্রান্ত সমস্যায় নিয়মিত চাঁদা দিতে অসুবিধা হলে চাঁদার পরিমাণ পরিবর্তনের সুযোগও রয়েছে।
তিনি জানান, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০২৬-এর সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী ১০০ জনের বেশি শ্রমিক রয়েছে এমন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, তৈরি পোশাক খাতের প্রায় ৫০ লাখ শ্রমিককে এ স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা চ্যালেঞ্জিং হলেও এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী উদ্যোগ।

বিজিএমইএর সহ সভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম বলেন, সর্বজনীন পেনশন শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ লক্ষ্যে বিজিএমইএ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবে।

সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য শেখ কামরুল হাসানসহ বিজিএমইএর সদস্য, পোশাক শিল্পের মালিক, কর্মকর্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী

পোশাক শ্রমিকদের দ্রুত সর্বজনীন পেনশনে আনার আহ্বান

আপডেট টাইম : ০৭:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পোশাক খাতের সব শ্রমিককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সার্বিক কল্যাণ এবং সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। পোশাক শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা হলে সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এটি ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে।

আজ (শনিবার) রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের নুরুল কাদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক আলোচনা সভায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মাহমুদ হাসান খান বলেন, শ্রমিকদের মধ্যে স্কিমটি আরও জনপ্রিয় করতে প্রথম দুই বছরের জন্য বিশেষ সরকারি প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি পোশাক শ্রমিকদের পেনশন গ্রহণের বয়সসীমা ৬০ বছরের পরিবর্তে ৫৫ বছর নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব উদ্যোগ নেওয়া হলে শ্রমিকদের স্কিমে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ বাড়বে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, নাগরিকদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সরকার সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছে। ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী নাগরিকরা ব্যাংকের মাধ্যমে এতে চাঁদা জমা দিতে পারবেন এবং ৬০ বছর পূর্ণ হলে পেনশন পাবেন।

তিনি বলেন, গ্রাহক ৬০ বছর বয়সের আগে মারা গেলে তাঁর মনোনীত ব্যক্তি জমাকৃত অর্থ মুনাফাসহ পাবেন। আয়-সংক্রান্ত সমস্যায় নিয়মিত চাঁদা দিতে অসুবিধা হলে চাঁদার পরিমাণ পরিবর্তনের সুযোগও রয়েছে।
তিনি জানান, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০২৬-এর সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী ১০০ জনের বেশি শ্রমিক রয়েছে এমন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, তৈরি পোশাক খাতের প্রায় ৫০ লাখ শ্রমিককে এ স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা চ্যালেঞ্জিং হলেও এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী উদ্যোগ।

বিজিএমইএর সহ সভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম বলেন, সর্বজনীন পেনশন শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ লক্ষ্যে বিজিএমইএ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবে।

সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য শেখ কামরুল হাসানসহ বিজিএমইএর সদস্য, পোশাক শিল্পের মালিক, কর্মকর্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট