ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৌকা বাইচ গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে পুনরুজ্জীবিত করবে : এলজিআরডি মন্ত্রী কুমিল্লায় বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে ৫ হাজার তালবীজ রোপণের উদ্যোগ জলবায়ুবান্ধব নীতি শুধু পরিবেশের জন্য নয়, রাজনীতির জন্যও ভালো : ব্রিটিশ মন্ত্রী যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ : মূল পরিকল্পনাকারী রায়হানসহ চার জন রিমান্ডে শ্রীলংকাকে উড়িয়ে দিয়ে নারী ক্রিকেটে ভারতের স্বর্ণ জয় আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের ১৯তম কাউন্সিল অব দ্য কলেজ সভা অনুষ্ঠিত যশোরের কেশবপুরে এক নাবালিকা মেয়েকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক দীর্ঘদিন ধরে নি/র্যাতন ও ধ/র্ষণের অভিযোগ, এল নিনোর আগে ক্যালিফোর্নিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি শ্রাবণের পক্ষে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের

শ্রীলংকাকে উড়িয়ে দিয়ে নারী ক্রিকেটে ভারতের স্বর্ণ জয়

স্মৃতি মান্ধানার ঝড়ো ৭৯ রানের ইনিংসে ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানে উড়িয়ে দিয়ে এশিয়ান গেমসে টানা দ্বিতীয়বারের মতো নারী ক্রিকেটে সোনা জিতেছে ভারত।

ফাইনালে প্রথমে ব্যাটিং থেকে ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২১৬ রান করে ভারত। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে নারী ক্রিকেটে এটি সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ইনিংসে ছিল ১৮টি চার ও ১৩টি ছক্কা।

শেষ ওভারে মিথালি আয়োধ্যার বলে রিচা ঘোষ ও ভারতী ফুলমালি ২৫ রান তুলে নেন। ওই ওভারে আটটি ওয়াইড দিয়েছেন মিথালি।

শ্রীলঙ্কা কখনোই জয়ের লড়াইয়ে ছিল না। অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুহুর ২৯ রানই ছিল তাদের ইনিংসের উল্লেখযোগ্য সংগ্রহ। শেষ পর্যন্ত ১৫.৪ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অলআউট হয়ে রুপা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় শ্রীলঙ্কাকে।

ওপেনার মান্ধানা ৪৫ বলে সাতটি ছক্কা ও পাঁচটি চারের সাহায্যে ৭৯ রান করেন।

ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর শেফালি ভার্মা ও মান্ধানা দুর্দান্ত ওপেনিং জুটি গড়েন। সেমিফাইনালে অপরাজিত সেঞ্চুরি করা শেফালি ও মান্ধানা ১০ ওভারে ৯৯ রান তুলেন।

কিন্তু হঠাৎ আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে শেফালি অপ্রয়োজনীয় রিভার্স সুইপ খেলেন। বল তার ব্যাটের ওপরের অংশে লেগে পয়েন্টে থাকা কাওয়া কাভিন্দির হাতে চলে যায়। ২৯ বলে ৪৮ রান করে আউট হন ভার্মা।
নারীদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক মান্ধানা ওই ওভারেই নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেছিলেন। হারমানপ্রীত যোগ দেওয়ার পর দুজন মিলে স্কোর ১৪১-এ নিয়ে যান। এরপর ১৯ রানে অধিনায়ক লং-অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।

শেষের ওভারগুলোতে আরও দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করতে গিয়ে ছক্কা হাঁকানোর একটি শটে বল আকাশে উঠে যায়। ১৭তম ওভারে দলীয় ১৬৩ রানে আউট হন মান্ধানা।

রিচা ঘোষ ২২ বলে ৪৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল তিনটি ছক্কা ও ছয়টি চার। শেষ ওভারে ভারত ২০০ রানের গন্ডি পেরিয়ে যায়।

এর আগে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে অধিনায়ক ফাতিমা সানার দারুণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে ৩১ রানে হারায় পাকিস্তান।

১২তম ওভারে ৫ উইকেটে ৬৭ রান নিয়ে বিপর্যস্ত অবস্থায় ব্যাট করতে নামেন সানা। কিন্তু তিনি ৩০ বলে ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল তিনটি চার ও তিনটি ছক্কা। ২০ ওভারের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে ১৪৫ রানে নিয়ে যান তিনি।

ষষ্ঠ উইকেটে আলিয়া রিয়াজের (২৫) সঙ্গে সানার ৬৭ রানের জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। জবাবে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১১৪ রানের বেশি করতে পারেনি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নৌকা বাইচ গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে পুনরুজ্জীবিত করবে : এলজিআরডি মন্ত্রী

শ্রীলংকাকে উড়িয়ে দিয়ে নারী ক্রিকেটে ভারতের স্বর্ণ জয়

আপডেট টাইম : ০৪:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্মৃতি মান্ধানার ঝড়ো ৭৯ রানের ইনিংসে ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানে উড়িয়ে দিয়ে এশিয়ান গেমসে টানা দ্বিতীয়বারের মতো নারী ক্রিকেটে সোনা জিতেছে ভারত।

ফাইনালে প্রথমে ব্যাটিং থেকে ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২১৬ রান করে ভারত। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে নারী ক্রিকেটে এটি সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ইনিংসে ছিল ১৮টি চার ও ১৩টি ছক্কা।

শেষ ওভারে মিথালি আয়োধ্যার বলে রিচা ঘোষ ও ভারতী ফুলমালি ২৫ রান তুলে নেন। ওই ওভারে আটটি ওয়াইড দিয়েছেন মিথালি।

শ্রীলঙ্কা কখনোই জয়ের লড়াইয়ে ছিল না। অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুহুর ২৯ রানই ছিল তাদের ইনিংসের উল্লেখযোগ্য সংগ্রহ। শেষ পর্যন্ত ১৫.৪ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অলআউট হয়ে রুপা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় শ্রীলঙ্কাকে।

ওপেনার মান্ধানা ৪৫ বলে সাতটি ছক্কা ও পাঁচটি চারের সাহায্যে ৭৯ রান করেন।

ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর শেফালি ভার্মা ও মান্ধানা দুর্দান্ত ওপেনিং জুটি গড়েন। সেমিফাইনালে অপরাজিত সেঞ্চুরি করা শেফালি ও মান্ধানা ১০ ওভারে ৯৯ রান তুলেন।

কিন্তু হঠাৎ আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে শেফালি অপ্রয়োজনীয় রিভার্স সুইপ খেলেন। বল তার ব্যাটের ওপরের অংশে লেগে পয়েন্টে থাকা কাওয়া কাভিন্দির হাতে চলে যায়। ২৯ বলে ৪৮ রান করে আউট হন ভার্মা।
নারীদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক মান্ধানা ওই ওভারেই নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেছিলেন। হারমানপ্রীত যোগ দেওয়ার পর দুজন মিলে স্কোর ১৪১-এ নিয়ে যান। এরপর ১৯ রানে অধিনায়ক লং-অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।

শেষের ওভারগুলোতে আরও দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করতে গিয়ে ছক্কা হাঁকানোর একটি শটে বল আকাশে উঠে যায়। ১৭তম ওভারে দলীয় ১৬৩ রানে আউট হন মান্ধানা।

রিচা ঘোষ ২২ বলে ৪৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল তিনটি ছক্কা ও ছয়টি চার। শেষ ওভারে ভারত ২০০ রানের গন্ডি পেরিয়ে যায়।

এর আগে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে অধিনায়ক ফাতিমা সানার দারুণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে ৩১ রানে হারায় পাকিস্তান।

১২তম ওভারে ৫ উইকেটে ৬৭ রান নিয়ে বিপর্যস্ত অবস্থায় ব্যাট করতে নামেন সানা। কিন্তু তিনি ৩০ বলে ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল তিনটি চার ও তিনটি ছক্কা। ২০ ওভারের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে ১৪৫ রানে নিয়ে যান তিনি।

ষষ্ঠ উইকেটে আলিয়া রিয়াজের (২৫) সঙ্গে সানার ৬৭ রানের জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। জবাবে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১১৪ রানের বেশি করতে পারেনি।


প্রিন্ট