ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণমাধ্যম সেন্সরশিপের শিকার যেসব দেশ

অনলাইন ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: অনেক বাধা-বিপত্তির মধ্য দিয়ে গণমাধ্যম এগিয়ে চলছে। এসব বাধা-বিপত্তির একটি হচ্ছে সেন্সরশিপ। এর ফলে মুক্ত সাংবাদিকতা বিঘ্নিত হচ্ছে। বিশ্বের সেন্সরশিপের শিকার হওয়া দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে ইরিত্রিয়া।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টের (সিপিজে) প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। এ তালিকায় ইরিত্রিয়ার পরেই রয়েছে উত্তর কোরিয়া, তুর্কমেনিস্তান, সৌদি আরব ও চীন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দেশগুলোর সরকার গণমাধ্যমকে নিজের মুখপাত্র হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এসব দেশে মুক্ত সাংবাদিকতা অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, তালিকার নিচে থাকা দেশগুলোতে সাংবাদিকরা সব সময় টার্গেটে থাকেন। তাদেরকে নানাভাবে হয়রানি করে চুপ রাখা হয়। সাংবাদিকদের জন্য ভয়াবহ ১০ দেশের মধ্যে বেলারুশ ও কিউবার নামও রয়েছে। সেই সঙ্গে সেন্সরশিপের শিকার দেশগুলোর তালিকায় প্রথমে না থাকলেও সিরিয়া ও ইয়েমেনের সাংবাদিকদের অবস্থাও ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেছে সিপিজে।

এই গবেষণার জন্য সংস্থাটি যেসব দিক বিবেচনায় নিয়েছে তা হচ্ছে, বেসরকারি গণমাধ্যমের ওপর নানা বিধিনিষেধ, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা, নজরদারি ও গণমাধ্যমের ওয়েবসাইট নিষিদ্ধ করা। এছাড়া আছে সমালোচনাকারী গণমাধ্যমের লাইসেন্স বাতিল করাও।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে সিপিজের নির্বাহী পরিচালক জোয়েল সিমন বলেন, ইন্টারনেট এ ধরনের সেন্সরশিপ থেকে মুক্তি দেবে বলে যে আশা করা হয়েছিল, এসব দেশে তা দেখা যায় না। পৃথিবীর সবচেয়ে সেন্সরশিপ আরোপ করা দেশগুলোতে ইন্টারনেট সহজলভ্য। তাদের অনলাইন কমিউনিটিও অনেক সদস্যের। কিন্তু সেসব দেশের সরকার এখন নতুন উপায় আগের মতো এসব প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করছে। গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে কেনা হচ্ছে বলে জানান তিনি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যম সেন্সরশিপের শিকার যেসব দেশ

আপডেট টাইম : ০১:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: অনেক বাধা-বিপত্তির মধ্য দিয়ে গণমাধ্যম এগিয়ে চলছে। এসব বাধা-বিপত্তির একটি হচ্ছে সেন্সরশিপ। এর ফলে মুক্ত সাংবাদিকতা বিঘ্নিত হচ্ছে। বিশ্বের সেন্সরশিপের শিকার হওয়া দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে ইরিত্রিয়া।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টের (সিপিজে) প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। এ তালিকায় ইরিত্রিয়ার পরেই রয়েছে উত্তর কোরিয়া, তুর্কমেনিস্তান, সৌদি আরব ও চীন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দেশগুলোর সরকার গণমাধ্যমকে নিজের মুখপাত্র হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এসব দেশে মুক্ত সাংবাদিকতা অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, তালিকার নিচে থাকা দেশগুলোতে সাংবাদিকরা সব সময় টার্গেটে থাকেন। তাদেরকে নানাভাবে হয়রানি করে চুপ রাখা হয়। সাংবাদিকদের জন্য ভয়াবহ ১০ দেশের মধ্যে বেলারুশ ও কিউবার নামও রয়েছে। সেই সঙ্গে সেন্সরশিপের শিকার দেশগুলোর তালিকায় প্রথমে না থাকলেও সিরিয়া ও ইয়েমেনের সাংবাদিকদের অবস্থাও ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেছে সিপিজে।

এই গবেষণার জন্য সংস্থাটি যেসব দিক বিবেচনায় নিয়েছে তা হচ্ছে, বেসরকারি গণমাধ্যমের ওপর নানা বিধিনিষেধ, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা, নজরদারি ও গণমাধ্যমের ওয়েবসাইট নিষিদ্ধ করা। এছাড়া আছে সমালোচনাকারী গণমাধ্যমের লাইসেন্স বাতিল করাও।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে সিপিজের নির্বাহী পরিচালক জোয়েল সিমন বলেন, ইন্টারনেট এ ধরনের সেন্সরশিপ থেকে মুক্তি দেবে বলে যে আশা করা হয়েছিল, এসব দেশে তা দেখা যায় না। পৃথিবীর সবচেয়ে সেন্সরশিপ আরোপ করা দেশগুলোতে ইন্টারনেট সহজলভ্য। তাদের অনলাইন কমিউনিটিও অনেক সদস্যের। কিন্তু সেসব দেশের সরকার এখন নতুন উপায় আগের মতো এসব প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করছে। গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে কেনা হচ্ছে বলে জানান তিনি।


প্রিন্ট