ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ সংসদের অধিবেশন শুরু ইরা হত্যা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন তারিখ ঘোষণা দুঃসময়ে বিবেকের পাশে ছিলেন অক্ষয়, যা বললেন অভিনেতা সাভারে হামলার প্রতিবাদে খুলনায় এনসিপির বিক্ষোভ স্যামসাংয়ের মুনাফা বৃদ্ধিতে আস্থা ফেরেনি, এশিয়ার শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রবণতায় দ. কোরিয়ার বাজারে পতন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরও আনচেলত্তির ওপরেই ভরসা ব্রাজিলের ইউক্রেন ও প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ নিয়ে শুরু ন্যাটো সম্মেলন রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

সম্রাটের কার্যালয়ে সুনসান নীরবতা

অনলাইন ডেস্ক: ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকেই আলোচনায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। অভিযানে ক্যাসিনোতে যুবলীগ নেতাদের সংশ্লিষ্টতা এবং কয়েকজন গ্রেফতারের পর সম্রাট নেতাকর্মীদের নিয়ে কাকরাইলের কার্যালয়ে অবস্থান নেন। ওই কার্যালয় ঘিরে শোডাউন দেন কয়েকশ কর্মী। কিন্তু সম্রাটকে গ্রেফতারের গুঞ্জন ওঠার পর থেকে সেই নেতাকর্মীরাও লাপাত্তা। ওই কার্যালয়ের সামনে এখন সুনসান নীরবতা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ওই ভবনের সামনে শত শত কর্মীর যে আনাগোনা দেখা গিয়েছিল তার ভিন্ন দৃশ্য দেখা যায় গতকাল শনিবার। সম্রাটকে যারা পাহারা দিয়ে রেখেছেন তাদের কাউকে দেখা যায়নি এদিন। ভবনটিতে দু-একজন নিরাপত্তা কর্মী ছাড়া ভেতরে কেউ নেই।

সম্রাটের কার্যালয়ের সামনে সারাদিন কেউ স্থায়ীভাবে না থাকলেও আসা যাওয়ায় ছিলেন অনেকে। তবে তাদের আসার কারণ ছিল অস্পষ্ট। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, ভাই (সম্রাট) কোথায় আছে জানি না। আমরা তো এখানেই সারাক্ষণ পড়ে থাকি। ভাইয়ের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করে আবার চলে যাই। কিন্তু এখন এখানে আছে কি না বলতে পারি না।

গতকাল এক অনুষ্ঠান শেষে সম্রাটকে গ্রেফতার করেছেন কি-না এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অপেক্ষা করুন, যা ঘটে দেখবেন, আপনারা শিগগিরই দেখবেন। আপনারা অনেক কিছু বলছেন, আমরা যেটা বলছি ‘সম্রাট’ হোক যেই হোক অপরাধ করলে তাকে আমরা আইনের আওতায় আনবো। আমি এটা এখনও বলছি, সম্রাট বলে কথা না যে কেউ আইনের আওতায় আসবে। আপনারা সময় হলেই দেখবেন।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (সদ্য বহিষ্কৃত) খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ওরফে ক্যাসিনো খালেদ গ্রেফতার হওয়ার দুদিন পরেই গ্রেফতার হন যুবলীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা জি কে শামীম। এই দুই নেতার দেয়া নানা তথ্যে বেরিয়ে আসে ক্যাসিনোসহ অসংখ্য অপকর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতাদের নাম। এরই মাঝে সম্রাটের ব্যাংক হিসাব তলবের পাশাপাশি তার অ্যাকাউন্টটি জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে সম্রাটের আর্থিক লেনদেনের বিষয়টির চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সরকারের কয়েকটি সংস্থা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ

সম্রাটের কার্যালয়ে সুনসান নীরবতা

আপডেট টাইম : ১১:০০:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকেই আলোচনায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। অভিযানে ক্যাসিনোতে যুবলীগ নেতাদের সংশ্লিষ্টতা এবং কয়েকজন গ্রেফতারের পর সম্রাট নেতাকর্মীদের নিয়ে কাকরাইলের কার্যালয়ে অবস্থান নেন। ওই কার্যালয় ঘিরে শোডাউন দেন কয়েকশ কর্মী। কিন্তু সম্রাটকে গ্রেফতারের গুঞ্জন ওঠার পর থেকে সেই নেতাকর্মীরাও লাপাত্তা। ওই কার্যালয়ের সামনে এখন সুনসান নীরবতা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ওই ভবনের সামনে শত শত কর্মীর যে আনাগোনা দেখা গিয়েছিল তার ভিন্ন দৃশ্য দেখা যায় গতকাল শনিবার। সম্রাটকে যারা পাহারা দিয়ে রেখেছেন তাদের কাউকে দেখা যায়নি এদিন। ভবনটিতে দু-একজন নিরাপত্তা কর্মী ছাড়া ভেতরে কেউ নেই।

সম্রাটের কার্যালয়ের সামনে সারাদিন কেউ স্থায়ীভাবে না থাকলেও আসা যাওয়ায় ছিলেন অনেকে। তবে তাদের আসার কারণ ছিল অস্পষ্ট। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, ভাই (সম্রাট) কোথায় আছে জানি না। আমরা তো এখানেই সারাক্ষণ পড়ে থাকি। ভাইয়ের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করে আবার চলে যাই। কিন্তু এখন এখানে আছে কি না বলতে পারি না।

গতকাল এক অনুষ্ঠান শেষে সম্রাটকে গ্রেফতার করেছেন কি-না এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অপেক্ষা করুন, যা ঘটে দেখবেন, আপনারা শিগগিরই দেখবেন। আপনারা অনেক কিছু বলছেন, আমরা যেটা বলছি ‘সম্রাট’ হোক যেই হোক অপরাধ করলে তাকে আমরা আইনের আওতায় আনবো। আমি এটা এখনও বলছি, সম্রাট বলে কথা না যে কেউ আইনের আওতায় আসবে। আপনারা সময় হলেই দেখবেন।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (সদ্য বহিষ্কৃত) খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ওরফে ক্যাসিনো খালেদ গ্রেফতার হওয়ার দুদিন পরেই গ্রেফতার হন যুবলীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা জি কে শামীম। এই দুই নেতার দেয়া নানা তথ্যে বেরিয়ে আসে ক্যাসিনোসহ অসংখ্য অপকর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতাদের নাম। এরই মাঝে সম্রাটের ব্যাংক হিসাব তলবের পাশাপাশি তার অ্যাকাউন্টটি জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে সম্রাটের আর্থিক লেনদেনের বিষয়টির চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সরকারের কয়েকটি সংস্থা।


প্রিন্ট