ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

দেশে শতকরা ৯৯ ভাগ স্যানিটেশনের কভারেজ : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে বর্তমানে স্যানিটেশনের জাতীয় কভারেজ শতকরা ৯৯ ভাগ।

তিনি বলেন, ‘আমরা গ্রামীণ ও পৌর জনপদে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে বিগত ১০ বছরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে ১২ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। যার ফলে স্যানিটেশনের জাতীয় কভারেজ ৯৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।’

শেখ হাসিনা ‘জাতীয় স্যানিটেশন মাস’ এবং ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস’ উপলক্ষে এক বাণীতে এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

‘স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এবারও ‘জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর-২০১৯’ এবং ১ অক্টোবর ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস’ পালন করা হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে তিনি আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি অনিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের অভাবজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের গৃহীত কার্যক্রমের ফলে স্যানিটেশন সম্পর্কিত জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য-৭ অর্জনে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, তার নেতৃত্বাধীন সরকার জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬ অর্জনের লক্ষ্যে টেকসই প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও এর প্রয়োগ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে মানবসম্পদ উন্নয়ন, পরিবেশ-বান্ধব ইকো-টয়লেট নির্মাণ, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও ব্যবহার এবং আর্সেনিক বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিসহ নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক এ আয়োজন সবার জন্য স্যানিটেশন নিশ্চিত করে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে।’

শেখ হাসিনা স্যানিটেশন সম্পর্কিত সামাজিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টসমূহ অর্জনে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও গণমাধ্যমসহ দেশের প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ২০১৯ এবং বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

দেশে শতকরা ৯৯ ভাগ স্যানিটেশনের কভারেজ : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:০১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে বর্তমানে স্যানিটেশনের জাতীয় কভারেজ শতকরা ৯৯ ভাগ।

তিনি বলেন, ‘আমরা গ্রামীণ ও পৌর জনপদে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে বিগত ১০ বছরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে ১২ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। যার ফলে স্যানিটেশনের জাতীয় কভারেজ ৯৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।’

শেখ হাসিনা ‘জাতীয় স্যানিটেশন মাস’ এবং ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস’ উপলক্ষে এক বাণীতে এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

‘স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এবারও ‘জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর-২০১৯’ এবং ১ অক্টোবর ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস’ পালন করা হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে তিনি আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি অনিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের অভাবজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের গৃহীত কার্যক্রমের ফলে স্যানিটেশন সম্পর্কিত জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য-৭ অর্জনে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, তার নেতৃত্বাধীন সরকার জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬ অর্জনের লক্ষ্যে টেকসই প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও এর প্রয়োগ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে মানবসম্পদ উন্নয়ন, পরিবেশ-বান্ধব ইকো-টয়লেট নির্মাণ, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও ব্যবহার এবং আর্সেনিক বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিসহ নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক এ আয়োজন সবার জন্য স্যানিটেশন নিশ্চিত করে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে।’

শেখ হাসিনা স্যানিটেশন সম্পর্কিত সামাজিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টসমূহ অর্জনে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও গণমাধ্যমসহ দেশের প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ২০১৯ এবং বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।


প্রিন্ট