ঢাকা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ সংসদের অধিবেশন শুরু ইরা হত্যা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন তারিখ ঘোষণা দুঃসময়ে বিবেকের পাশে ছিলেন অক্ষয়, যা বললেন অভিনেতা সাভারে হামলার প্রতিবাদে খুলনায় এনসিপির বিক্ষোভ স্যামসাংয়ের মুনাফা বৃদ্ধিতে আস্থা ফেরেনি, এশিয়ার শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রবণতায় দ. কোরিয়ার বাজারে পতন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরও আনচেলত্তির ওপরেই ভরসা ব্রাজিলের ইউক্রেন ও প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ নিয়ে শুরু ন্যাটো সম্মেলন রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ভক্তরা শেষ দিনে পূজামণ্ডপে

নিজস্ব প্রতিবেদক: এক এক করে শেষ দিনে এসে পৌঁছেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সব থেকে বড় উৎসব দুর্গা পূজা। শেষ দিনে দেবীকে শেষ দেখা দেখতে পুঁজামণ্ডপে ছুটে আসছেন ভক্তরা। তবে সবার মধ্যেই যে এক ধরনের বিষাদের ছায়া।

মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির গিয়ে দেখা যায়, ভক্তদের ভিড় তুলনামূলক কম। তবে সাড়ে ১১টার পর থেকে দেবীর ভক্তদের পদচারণা বাড়তে থাকে।

ধানমন্ডি থেকে মন্দিরটিতে দুর্গার মূর্তি দেখতে আসা অজিত কুমার বলেন, ‘আজ বিজয়া দশমী। আমাদের মা দুর্গা আজ আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন। এতে মন খারাপ হওয়াটা স্বাভাবিক। মা আসায় কটা দিন খুব আনন্দে কেটেছে। পাঁচটি দিন কীভাবে কেটে গেল বুঝতে পারলাম না।’

তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যায় মাকে বিসর্জন দেয়া হবে। তাই আজ বিকেলে মন্দিরে ভিড় সব থেকে বেশি হবে। তখন মার হাজার হাজার সন্তান উপস্থিত থাকবেন। মাকে সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন বিসর্জনের জন্য।

ফার্মগেট থেকে আসা দিপালী রানী বলেন, ‘আজ মা আমাদের ছেড়ে মর্ত্য থেকে স্বর্গে ফিরে যাবেন। তবে আগামী বছর আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন মা। কিন্তু মাঝের একটা বছর মাকে দেখতে পাব না। তাই আজ মাকে শেষ দেখা দেখতে আসলাম। ভাগ্য ভালো হলে সামনের বছর আবার মাকে দেখতে পাব।’

তিনি বলেন, দশমীর মূল আয়োজন হয় সন্ধ্যায়। তাই বিকেল থেকে মন্দির মার সন্তানদের উপস্থিতিতে ভরে ওঠে। সকালে ভিড় কম থাকে। এজন্য সকালে এসে মাকে দেখে যাচ্ছি। কারণ ভিড়ের মধ্যে চলাচল করা কিছুটা হলেও কষ্টকর।

পরিবার নিয়ে পূজামণ্ডপে আসা জিতেন বলেন, ‘মা আসায় গত কয়েকটা দিন আমাদের বেশ উৎসব আনন্দে কেটেছে। আজ এক বছরের জন্য মা আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন। তাই পরিবারের সবাই মিলে মাকে দেখতে এবং আর্শীবাদ নিতে এসেছি। তাদের বাসায় রেখে আমি বিকেলে আবার আসব। বিসর্জনে মার পিছুপিছু যাব।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ

ভক্তরা শেষ দিনে পূজামণ্ডপে

আপডেট টাইম : ০২:২১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: এক এক করে শেষ দিনে এসে পৌঁছেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সব থেকে বড় উৎসব দুর্গা পূজা। শেষ দিনে দেবীকে শেষ দেখা দেখতে পুঁজামণ্ডপে ছুটে আসছেন ভক্তরা। তবে সবার মধ্যেই যে এক ধরনের বিষাদের ছায়া।

মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির গিয়ে দেখা যায়, ভক্তদের ভিড় তুলনামূলক কম। তবে সাড়ে ১১টার পর থেকে দেবীর ভক্তদের পদচারণা বাড়তে থাকে।

ধানমন্ডি থেকে মন্দিরটিতে দুর্গার মূর্তি দেখতে আসা অজিত কুমার বলেন, ‘আজ বিজয়া দশমী। আমাদের মা দুর্গা আজ আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন। এতে মন খারাপ হওয়াটা স্বাভাবিক। মা আসায় কটা দিন খুব আনন্দে কেটেছে। পাঁচটি দিন কীভাবে কেটে গেল বুঝতে পারলাম না।’

তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যায় মাকে বিসর্জন দেয়া হবে। তাই আজ বিকেলে মন্দিরে ভিড় সব থেকে বেশি হবে। তখন মার হাজার হাজার সন্তান উপস্থিত থাকবেন। মাকে সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন বিসর্জনের জন্য।

ফার্মগেট থেকে আসা দিপালী রানী বলেন, ‘আজ মা আমাদের ছেড়ে মর্ত্য থেকে স্বর্গে ফিরে যাবেন। তবে আগামী বছর আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন মা। কিন্তু মাঝের একটা বছর মাকে দেখতে পাব না। তাই আজ মাকে শেষ দেখা দেখতে আসলাম। ভাগ্য ভালো হলে সামনের বছর আবার মাকে দেখতে পাব।’

তিনি বলেন, দশমীর মূল আয়োজন হয় সন্ধ্যায়। তাই বিকেল থেকে মন্দির মার সন্তানদের উপস্থিতিতে ভরে ওঠে। সকালে ভিড় কম থাকে। এজন্য সকালে এসে মাকে দেখে যাচ্ছি। কারণ ভিড়ের মধ্যে চলাচল করা কিছুটা হলেও কষ্টকর।

পরিবার নিয়ে পূজামণ্ডপে আসা জিতেন বলেন, ‘মা আসায় গত কয়েকটা দিন আমাদের বেশ উৎসব আনন্দে কেটেছে। আজ এক বছরের জন্য মা আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন। তাই পরিবারের সবাই মিলে মাকে দেখতে এবং আর্শীবাদ নিতে এসেছি। তাদের বাসায় রেখে আমি বিকেলে আবার আসব। বিসর্জনে মার পিছুপিছু যাব।


প্রিন্ট