ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

গর্ভবতী মা ও নবজাতকের পরিচর্যায় সব সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদক, সিটিজেন নিউজ: গর্ভবতী মা ও নবজাতকের উন্নত পরিচর্যার ক্ষেত্রে সরকার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

৫ মে (রোববার) আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি একথা বলেন।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস’ পালন করা হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মিডওয়াইফকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘নারীর অধিকার রক্ষায় মিডওয়াইফ’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলেও তিনি মনে করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বিগত ১০ বছরে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। দেশে নতুন নতুন হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে আমরা সাড়ে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু করেছি। এর ফলে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। গর্ভবতী মা ও নবজাতকের উন্নত পরিচর্যা ও মৃত্যুহার রোধে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করার ফলে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আমরা এমডিজিস গোল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় মিডওয়াইফ অপরিহার্য। মা ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।এ লক্ষ্যে তিন হাজার মিডওয়াইফ পদ সৃষ্টিসহ মিডওয়াইফ শিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আমরা নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সকল জেলা-উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন সাব-সেন্টারে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, নারীদের প্রজননস্বাস্থ্য রক্ষা এবং গর্ভধারণের ক্ষেত্রে নারীদের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারীদের স্বাস্থ্যসেবা, অধিকার রক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধিতে মিডওয়াইফগণ কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে মিডওয়াইফগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

তিনি আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস ২০১৯ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

গর্ভবতী মা ও নবজাতকের পরিচর্যায় সব সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:০৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০১৯

বিশেষ প্রতিবেদক, সিটিজেন নিউজ: গর্ভবতী মা ও নবজাতকের উন্নত পরিচর্যার ক্ষেত্রে সরকার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

৫ মে (রোববার) আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি একথা বলেন।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস’ পালন করা হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মিডওয়াইফকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘নারীর অধিকার রক্ষায় মিডওয়াইফ’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলেও তিনি মনে করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বিগত ১০ বছরে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। দেশে নতুন নতুন হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে আমরা সাড়ে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু করেছি। এর ফলে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। গর্ভবতী মা ও নবজাতকের উন্নত পরিচর্যা ও মৃত্যুহার রোধে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করার ফলে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আমরা এমডিজিস গোল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় মিডওয়াইফ অপরিহার্য। মা ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।এ লক্ষ্যে তিন হাজার মিডওয়াইফ পদ সৃষ্টিসহ মিডওয়াইফ শিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আমরা নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সকল জেলা-উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন সাব-সেন্টারে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, নারীদের প্রজননস্বাস্থ্য রক্ষা এবং গর্ভধারণের ক্ষেত্রে নারীদের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারীদের স্বাস্থ্যসেবা, অধিকার রক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধিতে মিডওয়াইফগণ কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে মিডওয়াইফগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

তিনি আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস ২০১৯ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।


প্রিন্ট